অর্থনীতি ২য় পত্র • Cumilla Board • কুমিল্লা বোর্ড ২০১৭

অর্থনীতি ২য় পত্র প্রশ্ন

মিসেস রেবেকা সুলতানা একজন অবসরপ্রাপ্ত সরকারি কর্মচারী। তিনি নগদ ৫ লক্ষ টাকা পেনশন পেয়েছেন। স্বামীর পরামর্শে ৪ লক্ষ টাকা পারিবারিক সঞ্চয়পত্র ক্রয় করলেন এবং অবশিষ্ট টাকা দিয়ে 'ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ'-এ বিভিন্ন কোম্পানির কিছু শেয়ার ক্রয় করলেন।

  1. ক)

    বন্ড কী?

    (1)
  2. খ)

    প্রাইমারি শেয়ারের ঝুঁকি কম- ব্যাখ্যা করো।

    (2)
  3. গ)

    মিসেস রেবেকা সুলতানার কোন খাতে বিনিয়োগ কম ঝুঁকিপূর্ণ কিন্তু মুনাফা নিশ্চিত? ব্যাখ্যা করো।

    (3)
  4. ঘ)

    উদ্দীপকের শেষোক্ত বিনিয়োগে ঝুঁকি ও অনিশ্চিয়তা থাকলেও সবচেয়ে অধিক মুনাফা পাওয়ার সম্ভাবনা আছে- বুঝিয়ে বল।

    (4)

উত্তর ও ব্যাখ্যা

  1. ক)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    বন্ড হলো একটি দীর্ঘমেয়াদি ঋণ দলিল বা সিকিউরিটি, যার মাধ্যমে সরকার বা কোনো প্রতিষ্ঠান নির্দিষ্ট সুদের বিনিময়ে সাধারণ জনগণের কাছ থেকে দীর্ঘ মেয়াদের জন্য ঋণ গ্রহণ করে।

  2. খ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    প্রাইমারি শেয়ারে ঝুঁকি কম হওয়ার কারণ হলো এটি কোম্পানি কর্তৃক সরাসরি অভিহিত মূল্যে (ফেস ভ্যালু) প্রথমবার বাজারে ছাড়া হয়। এখানে সেকেন্ডারি মার্কেটের মতো মূল্যের দৈনিক ওঠানামা বা ফাটকা কারবারের প্রভাব থাকে না। এছাড়া অনুমোদনপ্রাপ্ত নির্ভরযোগ্য কোম্পানিগুলো সাধারণত এ শেয়ার ছাড়ে, ফলে বিনিয়োগকৃত আসল অর্থ হারানোর আশঙ্কা খুবই কম থাকে।

  3. গ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    মিসেস রেবেকা সুলতানার পারিবারিক সঞ্চয়পত্রে বিনিয়োগ কম ঝুঁকিপূর্ণ কিন্তু মুনাফা নিশ্চিত।
    সঞ্চয়পত্র হলো সরকার কর্তৃক পরিচালিত একটি জাতীয় সঞ্চয় স্কিম। যেহেতু এর জামিনদার সরকার স্বয়ং, তাই এখানে বিনিয়োগ সম্পূর্ণ নিরাপদ ও ঝুঁকিমুক্ত। সরকার নির্ধারিত নির্দিষ্ট সময়ান্তে নির্দিষ্ট হারে নিশ্চিত মুনাফা প্রদান করে থাকে, যা বাজারদরের ওঠানামার ওপর নির্ভরশীল নয়। তাই ৪ লক্ষ টাকা দিয়ে পারিবারিক সঞ্চয়পত্র ক্রয় মিসেস সুলতানার জন্য সবচেয়ে নিরাপদ ও নিশ্চিত আয়ের মাধ্যম।

  4. ঘ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    উদ্দীপকের শেষোক্ত বিনিয়োগটি হলো 'ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ'-এ বিভিন্ন কোম্পানির শেয়ার ক্রয়, যা পুঁজিবাজার বা সেকেন্ডারি মার্কেটের অন্তর্ভুক্ত। এখানে ঝুঁকি ও অনিশ্চয়তা থাকলেও সবচেয়ে অধিক মুনাফা পাওয়ার সম্ভাবনা থাকে— বক্তব্যটি যথার্থ।
    শেয়ার বাজারে শেয়ারের মূল্য বাজার চাহিদা, কোম্পানির আর্থিক সাফল্য, অর্থনৈতিক অবস্থা ইত্যাদির ওপর নির্ভর করে দ্রুত পরিবর্তিত হয়। কোম্পানি লোকসান করলে লভ্যাংশ নাও দিতে পারে এবং শেয়ারের বাজারমূল্য কমে আসল টাকাও হ্রাস পেতে পারে; ফলে এখানে ঝুঁকি অত্যন্ত বেশি। তবে কোম্পানির ভালো পারফরম্যান্সের কারণে আকর্ষণীয় হারে লভ্যাংশ (ডিভিডেন্ড) পাওয়া যায় এবং শেয়ারের দর কয়েকগুণ বৃদ্ধি পেলে বিপুল পরিমাণ মূলধনী লাভ (Capital Gain) অর্জিত হয়। অর্থায়নের মূল নীতি অনুযায়ী— 'অধিক ঝুঁকি, অধিক মুনাফা'। তাই শেয়ার বাজার ঝুঁকিপূর্ণ হলেও দীর্ঘমেয়াদে এতে সঞ্চয়পত্রের চেয়ে অনেক বেশি মুনাফা অর্জনের সম্ভাবনা থাকে।

আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও

সম্পর্কিত প্রশ্ন