ব্যবসায় সংগঠন ও ব্যবস্থাপনা ১ম পত্র • Barishal Board • বরিশাল বোর্ড ২০১৭

ব্যবসায় সংগঠন ও ব্যবস্থাপনা ১ম পত্র প্রশ্ন

আধুনিক বিশ্বে কোনো দেশই নিজে একাই ব্যবসায় কার্য সম্পাদন করার জন্য যথেষ্ট নয়। কোনো দেশের আছে দক্ষ জনশক্তি আবার কোনো দেশের আছে অত্যাধুনিক প্রযুক্তি। এজন্য বহুজাতিক কোম্পানিগুলো তৃতীয়পক্ষের মাধ্যমে জনশক্তি ও আইসিটি সেবা ভাড়া নেয়।

  1. ক)

    শেয়ার কী?

    (1)
  2. খ)

    ন্যূনতম মূলধন বলতে কী বোঝ?

    (2)
  3. গ)

    উদ্দীপকে কোন ধরনের সাম্প্রতিককালের ব্যবসায়ের বর্ণনা আছে? ব্যাখ্যা করো।

    (3)
  4. ঘ)

    উদ্দীপকে বর্ণিত ব্যবসায় বেকার সমস্যা দূরীকরণে সহায়তা করতে পারে -তুমি কি একমত? তোমার মতামত দাও।

    (4)

উত্তর ও ব্যাখ্যা

  1. ক)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    যৌথমূলধনী কোম্পানির মোট মূলধনের ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র সমান একককে শেয়ার বলে।

  2. খ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    ন্যূনতম মূলধন বলতে পাবলিক লিমিটেড কোম্পানির কার্যারম্ভের জন্য পরিমেল নিয়মাবলীতে উল্লিখিত সেই নির্দিষ্ট পরিমাণ মূলধনকে বোঝায়, যা সংগ্রহ না করে কোম্পানি ব্যবসায় শুরু করতে পারে না।

    কোম্পানির প্রাথমিক খরচ নির্বাহ, প্রাথমিক সম্পত্তি ক্রয় এবং প্রাথমিক পর্যায়ের চলতি ব্যয় মেটানোর জন্য এই ন্যূনতম তহবিল সংগ্রহ অপরিহার্য।

  3. গ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    উদ্দীপকে সাম্প্রতিককালের ব্যবসায় ধারণা হিসেবে 'আউটসোর্সিং' (Outsourcing) বা ব্যবসায় প্রক্রিয়ার বহিঃউৎসায়নের বর্ণনা দেওয়া হয়েছে।

    ব্যবসায়ের কোনো নির্দিষ্ট কাজ বা সেবা প্রতিষ্ঠানের নিজস্ব কর্মী দ্বারা না করিয়ে বাইরের কোনো দক্ষ বা বিশেষায়িত তৃতীয় পক্ষ বা প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে চুক্তিভিত্তিতে করিয়ে নেওয়াকে আউটসোর্সিং বলে।

    উদ্দীপকে উল্লেখ করা হয়েছে যে, আধুনিক বিশ্বে কোনো দেশই এককভাবে সব কার্য সম্পাদন করতে পারে না; কারও দক্ষ জনশক্তি রয়েছে, আবার কারও রয়েছে উন্নত প্রযুক্তি। এ কারণে বহুজাতিক কোম্পানিগুলো তৃতীয় পক্ষের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় জনশক্তি ও আইসিটি সেবা ভাড়া নিচ্ছে। প্রতিষ্ঠানের কাজ অন্য পক্ষের মাধ্যমে করিয়ে নেওয়ার এই প্রক্রিয়াটি ব্যবসায়িক জগতে আউটসোর্সিং নামে পরিচিত।

  4. ঘ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    হ্যাঁ, উদ্দীপকে বর্ণিত আউটসোর্সিং ব্যবসায় দেশের বেকার সমস্যা দূরীকরণে কার্যকর সহায়তা করতে পারে -আমি এ বক্তব্যের সাথে সম্পূর্ণ একমত।

    বর্তমান তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির যুগে ভৌগোলিক সীমারেখা অতিক্রম করে তরুণ প্রজন্ম ঘরে বসেই বৈশ্বিক বাজারের জন্য কাজ করার সুযোগ পাচ্ছে। উন্নয়নশীল দেশগুলোতে যেখানে পুঁজি বা অভ্যন্তরীণ চাকরির সুযোগের অভাব রয়েছে, সেখানে আউটসোর্সিং বিপুল কর্মসংস্থানের দ্বার উন্মোচন করে।

    আউটসোর্সিংয়ের কারণে বহুজাতিক কোম্পানিগুলো তাদের তথ্যপ্রযুক্তি সেবা, কল সেন্টার, সফটওয়্যার ডেভেলপমেন্ট, ডাটা এন্ট্রি, ডিজিটাল মার্কেটিং ইত্যাদি কাজের জন্য দক্ষ জনশক্তি ভাড়া করে। উদ্দীপকে যেমন বলা হয়েছে, উন্নত দেশের প্রযুক্তি ও উন্নয়নশীল দেশের দক্ষ জনশক্তির সমন্বয় ঘটছে। ফলে আমাদের মতো দেশের শিক্ষিত ও দক্ষ তরুণ-তরুণীরা ফ্রিল্যান্সিং ও আইসিটি সেবার মাধ্যমে স্বকর্মসংস্থান সৃষ্টি করতে পারছে এবং বিপুল পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করছে।

    সুতরাং, যথাযথ প্রশিক্ষণ ও অনুকূল ইন্টারনেট অবকাঠামো নিশ্চিত করা গেলে আউটসোর্সিং বেকার সমস্যা লাঘবে এবং দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে একটি যুগান্তকারী ভূমিকা পালন করতে সক্ষম।

আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও

সম্পর্কিত প্রশ্ন