কৃষিশিক্ষা • Jashore Board • যশোর বোর্ড ২০২৪
কৃষিশিক্ষা প্রশ্ন
নিচের চিত্রটি লক্ষ করো এবং সংশ্লিষ্ট প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও:
- ক)(1)
কৃষিতাত্ত্বিক বীজ কাকে বলে?
- খ)(2)
রোগিং কোন সময়ে করতে হয়?
- গ)(3)
৪০ শতাংশ জমিতে চিত্রের বংশ বিস্তারক উপকরণটির সারের পরিমাণ নির্ণয় করো।
- ঘ)(4)
বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে চিত্রে প্রদর্শিত উপকরণটির ফসল বীজ হিসেবে গুরুত্ব বিশ্লেষণ করো।
উত্তর ও ব্যাখ্যা
- ক)
ফসলের উৎপাদনে বীজ হিসেবে যেসব অংশ (দানা, কন্দ, কাণ্ড ইত্যাদি) ব্যবহৃত হয় এবং যা থেকে নতুন গাছ জন্মে, তাকে কৃষিতাত্ত্বিক বীজ বলে।
- খ)
বীজ ফসলের জমি থেকে অন্য জাতের গাছ, রোগাক্রান্ত ও অস্বাভাবিক গাছ তুলে ফেলাকে রোগিং বলে। এটি ফসলের বিভিন্ন পর্যায়ে করতে হয়: ফুল আসার আগে, ফুল ফোটার সময় এবং ফল বা দানা ধরার পর, অর্থাৎ ফসল পরিপক্ক হওয়ার আগ পর্যন্ত। এতে বীজের বিশুদ্ধতা ও মান বজায় থাকে।
- গ)
চিত্রের বংশবিস্তারক উপকরণটি আলুর কন্দ। ৪০ শতক জমিতে সারের পরিমাণ নির্ণয় করা হলো। আলুর জন্য প্রতি শতকে সুপারিশকৃত সার: গোবর ৪০ কেজি, ইউরিয়া ১ কেজি, টিএসপি ০.৭ কেজি ও এমওপি ১ কেজি।
৪০ শতকে:
- গোবর কেজি (১.৬ টন)
- ইউরিয়া কেজি
- টিএসপি কেজি
- এমওপি কেজি
উত্তর: গোবর ১৬০০ কেজি, ইউরিয়া ৪০ কেজি, টিএসপি ২৮ কেজি, এমওপি ৪০ কেজি। মাটির উর্বরতা অনুযায়ী মাত্রা সামান্য কমবেশি হতে পারে।
- ঘ)
বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে আলু বীজ হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ ফসল।
১. খাদ্য নিরাপত্তা: ভাতের পাশাপাশি আলু বাংলাদেশের জনগণের গুরুত্বপূর্ণ খাদ্য। তাই ভালো বীজ আলু ধান-গমের ওপর চাপ কমায়।
২. অধিক ফলন: উন্নত বীজ কন্দ থেকে কম জমিতে ও কম সময়ে বেশি ফলন পাওয়া যায়, ফলে কৃষকের আয় বাড়ে।
৩. বাণিজ্যিক ও রপ্তানি সম্ভাবনা: আলু বিক্রি, প্রক্রিয়াজাতকরণ ও রপ্তানির মাধ্যমে কর্মসংস্থান ও বৈদেশিক আয় বাড়ে।
৪. দেশে বীজ উৎপাদনের সুযোগ: ভালো মানের বীজ আলু দেশেই উৎপাদন করলে আমদানি নির্ভরতা ও খরচ কমে। শীতল সংরক্ষণাগারে সংরক্ষণ করলে সারা বছর বীজ পাওয়া যায়।সুতরাং, আলুর বীজ কন্দ উৎপাদন বাংলাদেশের কৃষি ও অর্থনীতির জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও