পদার্থ বিজ্ঞান ২য় পত্র • Dinajpur Board • দিনাজপুর বোর্ড ২০১৯
পদার্থ বিজ্ঞান ২য় পত্র প্রশ্ন
চিত্রে Ig = 3 mA, Ιβ = 15 μΑ

- ক)(1)
ডার্ক এনার্জি কাকে বলে?
- খ)(2)
বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১ এর মাধ্যমে কী কী সেবা পাওয়া যাবে ?
- গ)(3)
প্রবাহ লাভ (β) (\beta) নির্ণয় কর।
- ঘ)(4)
উদ্দীপকের ডিভাইসটি ইলেকট্রিক সুইচ হিসেবে খুবই জনপ্রিয়-বিশ্লেষণ কর।
উত্তর ও ব্যাখ্যা
- ক)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
মহাবিশ্বের যে অদৃশ্য ও অজ্ঞাত শক্তি স্থান জুড়ে পরিব্যাপ্ত থেকে এর ত্বরান্বিত প্রসারণকে চালিত করছে, তাকে ডার্ক এনার্জি (Dark Energy) বলে।
- খ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১ এর মাধ্যমে প্রধানত নিম্নোক্ত সেবাসমূহ পাওয়া যাবে:
১. সম্প্রচার সেবা: দেশের টেলিভিশন ও রেডিও চ্যানেলসমূহ নিজস্ব স্যাটেলাইটের মাধ্যমে সরাসরি সম্প্রচার (ডিটিএইচ বা ডিরেক্ট-টু-হোম) সেবা দিতে পারছে।
২. টেলিযোগাযোগ ও ইন্টারনেট: প্রত্যন্ত ও দুর্গম দ্বীপ ও পাহাড়ি অঞ্চলে উচ্চগতির ইন্টারনেট ও টেলিযোগাযোগ সংযোগ প্রদান করা সম্ভব হচ্ছে।
৩. দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও নিরাপত্তা: প্রাকৃতিক দুর্যোগকালে স্থল নেটওয়ার্ক বিচ্ছিন্ন হয়ে গেলেও নিরবচ্ছিন্ন যোগাযোগ বজায় রাখা এবং জাতীয় নিরাপত্তার স্বার্থে নজরদারিতে এটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। - গ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
দেওয়া আছে,
নিঃসারক প্রবাহ,
পীঠ বা বেস প্রবাহ,আমরা জানি,
বা, সংগ্রাহক প্রবাহ,
অতএব, প্রবাহ লাভ (Current Gain),
উত্তর: প্রবাহ লাভ () হলো ১৯৯।
- ঘ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
উদ্দীপকে প্রদর্শিত ডিভাইসটি হলো একটি ট্রানজিস্টর। ট্রানজিস্টরকে ইলেকট্রনিক বর্তনীতে দ্রুতগতির ইলেকট্রিক সুইচ হিসেবে ব্যাপকভাবে ব্যবহার করা হয়। এর কারণ নিচে বিশ্লেষণ করা হলো:
১. কাট-অফ ও সম্পৃক্ত অবস্থা (Cut-off and Saturation Mode):
সুইচ হিসেবে ব্যবহারের জন্য ট্রানজিস্টরকে সাধারণত নিঃসারক সাধারণ (Common Emitter) সংযোগে রাখা হয়।- যখন বেস বা ইনপুটে কোনো ভোল্টেজ বা প্রবাহ দেওয়া হয় না (), তখন ট্রানজিস্টরটি কাট-অফ অঞ্চলে থাকে। এই অবস্থায় সংগ্রাহক দিয়ে কোনো প্রবাহ চলে না (), অর্থাৎ বর্তনীটি খোলা থাকে বা সুইচটি 'OFF' অবস্থায় থাকে।
- অপরদিকে, বেসে পর্যাপ্ত ধনাত্মক ভোল্টেজ প্রয়োগ করে উপযুক্ত বেস প্রবাহ চালনা করলে ট্রানজিস্টরটি দ্রুত সম্পৃক্ত (Saturation) অঞ্চলে পৌঁছায়। এতে সংগ্রাহক-নিঃসারকের মধ্যবর্তী রোধ প্রায় শূন্য হয়ে যায় এবং সর্বোচ্চ প্রবাহ () প্রবাহিত হয়, যা সুইচের 'ON' অবস্থাকে নির্দেশ করে।
২. সুইচ হিসেবে জনপ্রিয়তার কারণ:
- যান্ত্রিক সুইচের মতো এতে কোনো ঘূর্ণনশীল বা সচল অংশ (mechanical moving parts) নেই, ফলে ক্ষয়ক্ষতি হয় না এবং জীবনকাল অত্যন্ত দীর্ঘ।
- এটি অত্যন্ত দ্রুত ন্যানোসেকেন্ড বা মাইক্রোসেকেন্ড সময়ে 'ON' এবং 'OFF' হতে পারে।
- এটি মাইক্রোকন্ট্রোলার ও লজিক গেটের মতো ডিজিটাল সার্কিটে সহজে সংহত করা যায় এবং আকারে অত্যন্ত ক্ষুদ্র।
সুতরাং, উচ্চ গতি, নির্ভুল নিয়ন্ত্রণ এবং দীর্ঘস্থায়িত্বের কারণে ট্রানজিস্টর ইলেকট্রিক সুইচ হিসেবে অত্যন্ত জনপ্রিয়।
আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও