বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা • Chattogram Board • চট্টগ্রাম বোর্ড ২০২৩
বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা প্রশ্ন
- ক)(1)
বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতির মূল কথা কী?
- খ)(2)
প্রথম পাঁচসালা পরিকল্পনা কেন গ্রহণ করা হয়েছিল?
- গ)(3)
উদ্দীপকের 'ক' অংশে যে বিষয়টি নির্দেশ করে, সেটি প্রণয়নের পটভূমি ব্যাখ্যা করো।
- ঘ)(4)
উদ্দীপকে 'খ' অংশে গৃহীত পদক্ষেপগুলোই কি স্বাধীন বাংলাদেশের শিক্ষার উন্নয়নের ভিত রচনা করেছিল? তোমার মতামত দাও।
উত্তর ও ব্যাখ্যা
- ক)
বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতির মূল কথা 'সবার প্রতি বন্ধুত্ব, কারও প্রতি বিদ্বেষ নয়'।
- খ)
স্বাধীনতার পর যুদ্ধবিধ্বস্ত বাংলাদেশের অর্থনীতি পুনর্গঠনের প্রয়োজন ছিল। কৃষি, শিল্প ও যোগাযোগ-ব্যবস্থা ধ্বংসপ্রায় ছিল। পরিকল্পিতভাবে উন্নয়ন ঘটিয়ে দারিদ্র্য ও বেকারত্ব কমানো এবং সম্পদের সুষ্ঠু ব্যবহারের লক্ষ্যে ১৯৭৩ সালে প্রথম পাঁচসালা পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়।
- গ)
উদ্দীপকের 'ক' অংশে রাষ্ট্র পরিচালনার চারটি মূলনীতি, মৌলিক অধিকারের নিশ্চয়তা ও এককক্ষ বিশিষ্ট আইনসভার কথা আছে, যা ১৯৭২ সালের সংবিধানকে নির্দেশ করে।
সংবিধান প্রণয়নের পটভূমি—
১. স্বাধীনতার পর ১৯৭২ সালে নতুন রাষ্ট্রের জন্য একটি সংবিধানের প্রয়োজন দেখা দেয়।
২. গণপরিষদ আদেশ জারি করা হয় এবং ১৯৭০ সালের নির্বাচিত প্রতিনিধিদের নিয়ে গণপরিষদ গঠিত হয়।
৩. ড. কামাল হোসেনের নেতৃত্বে সংবিধান প্রণয়ন কমিটি গঠিত হয় এবং ১৯৭২ সালের ৪ঠা নভেম্বর সংবিধান গৃহীত হয়।
৪. ১৬ই ডিসেম্বর ১৯৭২ সংবিধান কার্যকর হয়। - ঘ)
হ্যাঁ, উদ্দীপকের 'খ' অংশে গৃহীত পদক্ষেপগুলো স্বাধীন বাংলাদেশের শিক্ষার উন্নয়নের ভিত রচনা করেছিল।
'খ' অংশে প্রাথমিক বিদ্যালয় জাতীয়করণ, ড. মু. কুদরাত-এ-খুদার নেতৃত্বে শিক্ষা কমিশন গঠন এবং ১৯৭৩ সালে বিশ্ববিদ্যালয় আইন পাসের কথা আছে।
১. প্রাথমিক বিদ্যালয় জাতীয়করণের ফলে অসংখ্য শিক্ষক ও শিক্ষার্থী সরকারি সুবিধার আওতায় আসে এবং প্রাথমিক শিক্ষা সবার জন্য সহজলভ্য হয়।
২. কুদরাত-এ-খুদা শিক্ষা কমিশন একটি আধুনিক, গণমুখী ও বাস্তবভিত্তিক শিক্ষানীতির রূপরেখা তৈরি করে।
৩. ১৯৭৩ সালের বিশ্ববিদ্যালয় আইনের মাধ্যমে উচ্চশিক্ষার প্রতিষ্ঠানগুলো স্বায়ত্তশাসন লাভ করে।সুতরাং, এসব পদক্ষেপ স্বাধীন বাংলাদেশের শিক্ষা-ব্যবস্থার ভিত্তি রচনা করেছিল।
আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও