ব্যবসায় সংগঠন ও ব্যবস্থাপনা ২য় পত্র • Rajshahi Board • রাজশাহী বোর্ড ২০১৯
ব্যবসায় সংগঠন ও ব্যবস্থাপনা ২য় পত্র প্রশ্ন
জি.এম মি. হিয়াম বার্ষিক সভায় পরবর্তী প্রাতিষ্ঠানিক লক্ষ্য নির্ধারণ করলেন। উক্ত লক্ষ্যকে সামনে রেখে প্রত্যেক বিভাগ নিজ নিজ পরিকল্পনা গ্রহণ করে কাজ শুরু করলো। প্রতি মাসে একবার সব বিভাগ একত্রিত হয়ে কাজের অগ্রগতিসহ সার্বিক অবস্থা পর্যালোচনা করে। ফলে দলীয় সমঝোতা ও পারস্পরিক যোগসূত্র স্থাপিত হয়। তাই মি. হিয়াম লক্ষ্যার্জনে আশাবাদী।
- ক)(1)
সমন্বয়ের পূর্বশর্ত কী?
- খ)(2)
দলীয় সমঝোতার নীতি কীভাবে সমন্বয়কে সহায়তা করে?
- গ)(3)
উদ্দীপকের প্রথমে সমন্বয়ের কোন নীতির কথা বলা হয়েছে? ব্যাখ্যা করো।
- ঘ)(4)
"সুষ্ঠু সমন্বয় ব্যবস্থা উদ্দীপকের প্রতিষ্ঠানের লক্ষ্যার্জনে সহায়ক" -বিশ্লেষণ করো।
উত্তর ও ব্যাখ্যা
- ক)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
সমন্বয়ের মূল বা প্রধান পূর্বশর্ত হলো সুস্পষ্ট উদ্দেশ্য বা লক্ষ্য নির্ধারণ।
- খ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
প্রতিষ্ঠানের কর্মীদের মধ্যে পারস্পরিক সৌহার্দ্য, বিশ্বাস ও সহযোগিতার মনোভাব গড়ে তুলে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার নীতিকেই দলীয় সমঝোতার নীতি বলে।
এ নীতি অনুসরণের মাধ্যমে বিভিন্ন বিভাগ ও ব্যক্তির মধ্যে ভুল বোঝাবুঝি ও মতবিরোধ দূর হয়। প্রত্যেকে প্রাতিষ্ঠানিক অভিন্ন লক্ষ্য অর্জনে যৌথভাবে দায়বদ্ধ অনুভব করে এবং একে অপরকে সর্বাত্মক সহায়তা প্রদান করে। ফলে কাজের মধ্যে স্বতঃস্ফূর্ত শৃঙ্খলা ও সম্প্রীতি প্রতিষ্ঠিত হয়ে সমন্বয় সাধন অত্যন্ত সহজ হয়।
- গ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
উদ্দীপকের প্রথমে সমন্বয়ের 'উদ্দেশ্যের ঐক্যের নীতি' (Principle of Unity of Objective)-র কথা বলা হয়েছে।
প্রতিষ্ঠানের প্রতিটি বিভাগ, উপবিভাগ ও ব্যক্তির কার্যাবলিকে একটি নির্দিষ্ট ও সাধারণ লক্ষ্য অর্জনের দিকে পরিচালিত করার নীতিকে উদ্দেশ্যের ঐক্যের নীতি বলে।
উদ্দীপকে দেখা যায়, জি.এম মি. হিয়াম বার্ষিক সভায় প্রথমে প্রাতিষ্ঠানিক লক্ষ্য নির্ধারণ করেন এবং সেই লক্ষ্যকে ভিত্তি করেই প্রতিটি বিভাগ নিজ নিজ পরিকল্পনা গ্রহণ করে কাজ শুরু করে। মূল প্রাতিষ্ঠানিক উদ্দেশ্যের সাথে প্রতিটি বিভাগের কাজের সমন্বিত মেলবন্ধন ঘটানোর এই প্রক্রিয়াটিই সমন্বয়ের 'উদ্দেশ্যের ঐক্যের নীতি'র যথাযথ প্রতিফলন।
- ঘ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
উদ্দীপকে অনুসৃত সমন্বয়ের নীতি ও কার্যক্রম প্রাতিষ্ঠানিক লক্ষ্য অর্জনে অত্যন্ত কার্যকর ভূমিকা পালন করছে, তাই উক্তিটি সম্পূর্ণ যথার্থ।
একটি প্রতিষ্ঠানের বিভিন্ন ব্যক্তি ও বিভাগের বিচ্ছিন্ন প্রচেষ্টাকে একটি সাধারণ উদ্দেশ্য অর্জনের লক্ষ্যে ঐক্যবদ্ধ, সংহত ও সুশৃঙ্খল করার প্রক্রিয়াকেই সমন্বয় সাধন বলে। সুষ্ঠু সমন্বয় ব্যবস্থার অভাবে কাজে বিশৃঙ্খলা, অপচয় ও বিরোধ দেখা দেয়।
উদ্দীপকে দেখা যায়, মি. হিয়াম প্রথমে লক্ষ্য নির্ধারণ করে বিভিন্ন বিভাগের মধ্যে উদ্দেশ্যের ঐক্য নিশ্চিত করেন। এরপর প্রতি মাসে সব বিভাগ একত্রিত হয়ে কাজের অগ্রগতি ও সার্বিক অবস্থা পর্যালোচনা করে, যার ফলে তাদের মধ্যে দলীয় সমঝোতা ও পারস্পরিক সুদৃঢ় যোগসূত্র স্থাপিত হয়। এই যৌথ প্রচেষ্টা প্রতিষ্ঠানের কাজকে গতিশীল ও নিখুঁত করে তুলেছে।
পরিকল্পিত নিয়মিত পর্যালোচনা এবং পারস্পরিক সমঝোতা নিশ্চিত করায় প্রতিষ্ঠানটিতে সমন্বয়হীনতা দূর হয়েছে এবং সমবেত প্রচেষ্টার ভিত্তি স্থাপিত হয়েছে। এ ধরনের সুসংগঠিত সমন্বয় কাঠামো লক্ষ্য অর্জনের পথকে সুগম করে। অতএব, বলা যায় যে সুষ্ঠু সমন্বয় ব্যবস্থাই উদ্দীপকের প্রতিষ্ঠানের কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্য অর্জনে প্রধান চালিকাশক্তি হিসেবে কাজ করছে।
আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও