সমাজবিজ্ঞান ১ম পত্র • Combined Board • সমন্বিত বোর্ড ২০২৬ (অনিয়মিত)
সমাজবিজ্ঞান ১ম পত্র প্রশ্ন
দৃশ্যকল্প ১: শিল্পকলা, ভাষা।
দৃশ্যকল্প ২ : পারস্পরিক সহযোগিতা, বৃহৎ মানবীয় প্রতিষ্ঠান।
দৃশ্যকল্প ৩ : অঞ্চল বা সম্প্রদায়গত মানসিকতা।
- ক)(1)
বিবাহ কী?
- খ)(2)
শ্রেণিমূলক জ্ঞাতিসম্পর্ক কাকে বলে? বুঝিয়ে লেখ।
- গ)(3)
উদ্দীপকে দৃশ্যকল্প ১ কোন সংস্কৃতিকে নির্দেশ করে? ব্যাখ্যা কর।
- ঘ)(4)
দৃশ্যকল্প ২ ও দৃশ্যকল্প ৩ এর মধ্যে কি কোন সম্পর্ক আছে? মূল্যায়ন কর।
উত্তর ও ব্যাখ্যা
- ক)
AI-লিখিত অনুমানভিত্তিক উত্তর—ধারণা ও সীমাবদ্ধতা নিচে উল্লেখ করা হয়েছে। এটি উৎসের যাচাইকৃত মূল উত্তর হিসেবে দাবি করা হচ্ছে না।
স্পষ্ট অনুমান: উদ্দীপকের দৃশ্যকল্প ১ অবস্তুগত সংস্কৃতি, দৃশ্যকল্প ২ সমাজ এবং দৃশ্যকল্প ৩ সম্প্রদায় প্রত্যয়টিকে নির্দেশ করে।
বিবাহ হলো এমন একটি সামাজিকভাবে স্বীকৃত ও আইনসম্মত চুক্তিভিত্তিক সম্পর্ক, যার মাধ্যমে একজন পুরুষ ও নারী যৌথ জীবনযাপন করার এবং পরিবার গঠনের বৈধতা লাভ করে।
- খ)
AI-লিখিত অনুমানভিত্তিক উত্তর—ধারণা ও সীমাবদ্ধতা নিচে উল্লেখ করা হয়েছে। এটি উৎসের যাচাইকৃত মূল উত্তর হিসেবে দাবি করা হচ্ছে না।
স্পষ্ট অনুমান: উদ্দীপকের দৃশ্যকল্প ১ অবস্তুগত সংস্কৃতি, দৃশ্যকল্প ২ সমাজ এবং দৃশ্যকল্প ৩ সম্প্রদায় প্রত্যয়টিকে নির্দেশ করে।
যে জ্ঞাতিসম্পর্ক পদ্ধতিতে একটিমাত্র সাধারণ শব্দ বা পরিভাষা দিয়ে একই শ্রেণিভুক্ত বা মর্যাদার একাধিক ব্যক্তিকে সম্বোধন করা হয়, তাকে শ্রেণিমূলক জ্ঞাতিসম্পর্ক (Classificatory kinship) বলে।
আমেরিকান নৃবিজ্ঞানী লুইস হেনরি মর্গান এ প্রত্যয়টি তুলে ধরেন। এ রীতিতে রক্তের বা বংশীয় সূক্ষ্ম পার্থক্য বিবেচনা না করে এক দল আত্মীয়কে একটি মাত্র সমার্থক সম্বোধনে অন্তর্ভুক্ত করা হয়। যেমন—পাশ্চাত্য সমাজে বা ইংরেজি ভাষায় 'Uncle' শব্দটি দিয়ে চাচা, মামা, ফুফা ও খালু—সবাইকে একইভাবে সম্বোধন করা হয়।
- গ)
AI-লিখিত অনুমানভিত্তিক উত্তর—ধারণা ও সীমাবদ্ধতা নিচে উল্লেখ করা হয়েছে। এটি উৎসের যাচাইকৃত মূল উত্তর হিসেবে দাবি করা হচ্ছে না।
স্পষ্ট অনুমান: উদ্দীপকের দৃশ্যকল্প ১ অবস্তুগত সংস্কৃতি, দৃশ্যকল্প ২ সমাজ এবং দৃশ্যকল্প ৩ সম্প্রদায় প্রত্যয়টিকে নির্দেশ করে।
উদ্দীপকের দৃশ্যকল্প ১ 'অবস্তুগত সংস্কৃতি' (Non-material culture)-কে নির্দেশ করে।
সমাজবিজ্ঞানী উইলিয়াম এফ. অগবার্নের (W. F. Ogburn) মতে, সংস্কৃতি প্রধানত দুই প্রকার—বস্তুগত সংস্কৃতি ও অবস্তুগত সংস্কৃতি। মানুষের যেসব সৃষ্টি বাহ্যিকভাবে ধরা বা ছোঁয়া যায় না, কিন্তু মনন, বোধ ও আচরণের মাধ্যমে উপলব্ধি করা যায়, তাকে অবস্তুগত সংস্কৃতি বলে। জ্ঞান, বিশ্বাস, মূল্যবোধ, শিল্পকলা, ভাষা ইত্যাদি হলো অবস্তুগত সংস্কৃতির উদাহরণ।
উদ্দীপকের দৃশ্যকল্প ১-এ উল্লিখিত উপাদান দুটি হলো 'শিল্পকলা' ও 'ভাষা'। শিল্পকলা ও ভাষা মানুষের অভ্যন্তরীণ সৃজনশীলতা, চিন্তা, চেতনা ও ভাবের বহিঃপ্রকাশ। এগুলো জড় বা ভৌত বস্তু নয়, বরং মানুষের মানসিক ও সাংস্কৃতিক উৎকর্ষের নির্দেশক। সুতরাং, দৃশ্যকল্প ১ অবস্তুগত সংস্কৃতির প্রকৃতিকেই প্রতিফলিত করে।
- ঘ)
AI-লিখিত অনুমানভিত্তিক উত্তর—ধারণা ও সীমাবদ্ধতা নিচে উল্লেখ করা হয়েছে। এটি উৎসের যাচাইকৃত মূল উত্তর হিসেবে দাবি করা হচ্ছে না।
স্পষ্ট অনুমান: উদ্দীপকের দৃশ্যকল্প ১ অবস্তুগত সংস্কৃতি, দৃশ্যকল্প ২ সমাজ এবং দৃশ্যকল্প ৩ সম্প্রদায় প্রত্যয়টিকে নির্দেশ করে।
হ্যাঁ, দৃশ্যকল্প ২ ও দৃশ্যকল্প ৩ এর মধ্যে গভীর ও তাৎপর্যপূর্ণ সম্পর্ক রয়েছে। দৃশ্যকল্প ২ মূলত 'সমাজ' (Society) এবং দৃশ্যকল্প ৩ 'সম্প্রদায়' (Community)-কে নির্দেশ করে।
সমাজবিজ্ঞানের মৌলিক প্রত্যয় হিসেবে সমাজ ও সম্প্রদায়ের সম্পর্ক অত্যন্ত নিবিড়:
১. প্রত্যয়গত সম্পর্ক: দৃশ্যকল্প ২-এ বর্ণিত 'পারস্পরিক সহযোগিতা ও বৃহৎ মানবীয় প্রতিষ্ঠান' হলো সমাজের প্রধান রূপ। অন্যদিকে দৃশ্যকল্প ৩-এ বর্ণিত 'নির্দিষ্ট অঞ্চল বা সম্প্রদায়গত মানসিকতা' হলো সম্প্রদায়ের প্রধান বৈশিষ্ট্য। সম্প্রদায় হলো সমাজেরই একটি নিবিড় ও সুনির্দিষ্ট রূপ।
২. ব্যপ্তি ও কাঠামোগত সম্পর্ক: সমাজের পরিধি অত্যন্ত ব্যাপক ও বিমূর্ত; এটি সমগ্র মানবজাতি কিংবা বহুমাত্রিক সামাজিক সম্পর্কের নেটওয়ার্ক হতে পারে। পক্ষান্তরে, নির্দিষ্ট অঞ্চল ও 'আমরা-বোধ' বা সম্প্রদায়গত মানসিকতার ওপর ভিত্তি করে সমাজের অভ্যন্তরেই সম্প্রদায় গঠিত হয়। অর্থাৎ একাধিক সম্প্রদায়ের সমন্বয়ে সমাজ গড়ে ওঠে।
৩. উদ্দেশ্যের ঐক্য: সমাজ মানুষকে বৃহত্তর পারস্পরিক সহযোগিতা ও সামাজিক শৃঙ্খলা দেয়, আর সম্প্রদায় নির্দিষ্ট লোকালয়ে সদস্যদের মধ্যে ঘনিষ্ঠ বন্ধন ও মানসিক ঐক্যবোধ তৈরি করে। সম্প্রদায়ের সংহতি সমাজের স্থায়িত্বকে সুসংহত করে।সুতরাং দৃশ্যকল্প ২ (সমাজ) এবং দৃশ্যকল্প ৩ (সম্প্রদায়) একে অপরের পরিপূরক এবং এদের মধ্যে গভীর আন্তঃসম্পর্ক বিদ্যমান।
আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও