ব্যবসায় সংগঠন ও ব্যবস্থাপনা ১ম পত্র • Rajshahi Board • রাজশাহী বোর্ড ২০১৯
ব্যবসায় সংগঠন ও ব্যবস্থাপনা ১ম পত্র প্রশ্ন
ওয়াসা কর্মী মিজানুর রহমান পরিবারসহ পার্বত্য চট্টগ্রাম বেড়াতে গেছেন। সেখানকার প্রাকৃতিক দৃশ্য তাদের মুগ্ধ করেছে। মিজানুর রহমান ভাবলেন, পার্বত্য এলাকায় প্রয়োজনীয় যাতায়াত, আবাসিক ব্যবস্থা, গাইড ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিশ্চিত করা গেলে এ এলাকায় প্রচুর লোক বেড়াতে আসবেন এবং প্রচুর পরিমাণে অর্থ উপার্জন করা যাবে ।
- ক)(1)
WASA কী?
- খ)(2)
বিআরটিসি গুরুত্বপূর্ণ কেন?
- গ)(3)
মিজানুর রহমান কোন ধরনের ব্যবসায় সংগঠনে কর্মরত? ব্যাখ্যা করো।
- ঘ)(4)
উদ্দীপকে উল্লিখিত স্থানটি রাষ্ট্রীয় উদ্যোগে পরিচালিত ব্যবসায়ের জন্য একটি উত্তম ক্ষেত্র। তুমি কি এ বক্তব্যের সাথে একমত? তোমার মতামতের সপক্ষে যুক্তি দাও ।
উত্তর ও ব্যাখ্যা
- ক)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
WASA-এর পূর্ণরূপ হলো Water Supply and Sewerage Authority (পানি সরবরাহ ও পয়ঃনিষ্কাশন কর্তৃপক্ষ), যা একটি রাষ্ট্রীয় সেবামূলক প্রতিষ্ঠান।
- খ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
বিআরটিসি (বাংলাদেশ রোড ট্রান্সপোর্ট কর্পোরেশন) একটি রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন সড়ক পরিবহন সংস্থা। জনগণের জন্য সুলভ ও নিরাপদ যাতায়াত নিশ্চিত করা, জরুরি পরিস্থিতিতে যানবাহন সেবা বজায় রাখা এবং বেসরকারি পরিবহন খাতের একচেটিয়া দৌরাত্ম্য ও অতিরিক্ত ভাড়া নিয়ন্ত্রণ করে বাজারে ভারসাম্য রক্ষার জন্য বিআরটিসি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
- গ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
মিজানুর রহমান 'রাষ্ট্রীয় ব্যবসায়' সংগঠনে কর্মরত।
রাষ্ট্র কর্তৃক গঠিত, পরিচালিত, নিয়ন্ত্রিত ও অর্থায়িত ব্যবসায় বা সেবামূলক প্রতিষ্ঠানকে রাষ্ট্রীয় ব্যবসায় সংগঠন বলে। জনগণের সার্বিক কল্যাণ ও মৌলিক সেবা নিশ্চিত করাই এ ধরনের ব্যবসায়ের অন্যতম প্রধান উদ্দেশ্য।
উদ্দীপকে মিজানুর রহমান 'ওয়াসা' (WASA)-তে কর্মরত। ওয়াসা হলো সরকার কর্তৃক গঠিত একটি সংবিধিবদ্ধ পাবলিক কর্পোরেশন যা নির্দিষ্ট মহানগরে বিশুদ্ধ পানি সরবরাহ ও পয়ঃনিষ্কাশনের মতো মৌলিক নাগরিক সেবা প্রদান করে থাকে। যেহেতু ওয়াসার মালিকানা, পরিচালনা ও নিয়ন্ত্রণ সরকারের অধীনে, তাই মিজানুর রহমান একটি রাষ্ট্রীয় ব্যবসায় সংগঠনে কর্মরত।
- ঘ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
হ্যাঁ, আমি এ বক্তব্যের সাথে একমত যে পার্বত্য চট্টগ্রাম এলাকাটি রাষ্ট্রীয় উদ্যোগে পরিচালিত ব্যবসায়ের (পর্যটন শিল্পের) জন্য একটি উত্তম ক্ষেত্র।
পার্বত্য অঞ্চলের মতো প্রাকৃতিক সৌন্দর্যমণ্ডিত ও কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ ভৌগোলিক এলাকায় পর্যটন বিকাশের জন্য ব্যাপক অবকাঠামো উন্নয়ন প্রয়োজন। এ ধরনের দুর্গম অঞ্চলে রাস্তাঘাট নির্মাণ, আধুনিক আবাসন, নিরাপত্তা ও গাইড ব্যবস্থার উন্নয়নে বিপুল পরিমাণ মূলধন বিনিয়োগের প্রয়োজন হয়, যা বেসরকারি খাতের পক্ষে এককভাবে করা অনেক সময় ঝুঁকিপূর্ণ ও ব্যয়বহুল।
রাষ্ট্রীয় উদ্যোগে বাংলাদেশ পর্যটন কর্পোরেশন বা সংশ্লিষ্ট রাষ্ট্রীয় সংস্থার মাধ্যমে এ অঞ্চলে সমন্বিত পর্যটন সুবিধা গড়ে তুললে একদিকে যেমন অঞ্চলটির ভৌগোলিক নিরাপত্তা অক্ষুণ্ণ থাকবে, অন্যদিকে পর্যটকদের সাশ্রয়ী ও নিরাপদ ভ্রমণ নিশ্চিত হবে। এর ফলে বিপুল সংখ্যক দেশি-বিদেশি পর্যটক আকৃষ্ট হবে এবং সরকার বিপুল রাজস্ব উপার্জন করতে সক্ষম হবে।
অতএব, বিশাল মূলধনের জোগান, জাতীয় নিরাপত্তা ও সামগ্রিক অর্থনৈতিক উন্নয়নের বিবেচনায় পার্বত্য চট্টগ্রাম এলাকায় পর্যটন অবকাঠামো ও সেবা গড়ে তোলা রাষ্ট্রীয় ব্যবসায়ের জন্য নিঃসন্দেহে একটি অত্যন্ত সম্ভাবনাময় ও উত্তম ক্ষেত্র।
আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও