বাংলা ১ম পত্র • Dinajpur Board • দিনাজপুর বোর্ড ২০২৫
বাংলা ১ম পত্র প্রশ্ন
সভ্যতা গড়েছি আমি শ্রমে আর ঘামে, সভ্যতার পাঁজর আমি বুনেছি আমার নামে। হে পৃথিবী শোন, পানির দামে বেচেছি আমি শরীরের সব খুন। আমি হতভাগ্য শ্রমিক, আমি চাই, পৃথিবী আমার ঘামের মূল্য দিক।
- ক)(1)
রানার দস্যুর চেয়ে ভয় পায় কাকে?
- খ)(2)
'জীবনের সব রাত্রিকে ওরা কিনেছে অল্প দামে।' কেন?
- গ)(3)
উদ্দীপকে ফুটে ওঠা দিকের সাথে 'রানার' কবিতার সাদৃশ্যের দিকটি ব্যাখ্যা কর।
- ঘ)(4)
"উদ্দীপকের শেষ চরণ 'রানার' কবিতার বিশেষ একটি দিককে প্রতিফলিত করেছে।"- মূল্যায়ন কর।
উত্তর ও ব্যাখ্যা
- খ)
কবি বোঝাতে চেয়েছেন, রানার ও তার মতো শ্রমজীবী মানুষকে অতি সামান্য মজুরিতে দিনরাত খাটানো হয়। মালিকশ্রেণি তাদের রাতের ঘুম, বিশ্রাম ও জীবনের সুখ শ্রমের বিনিময়ে নামমাত্র মূল্যে কিনে নিয়েছে। এতে শ্রমিকদের প্রতি শোষণ ও বঞ্চনার চিত্র ফুটে উঠেছে।
- গ)
উদ্দীপকের শ্রমিক সভ্যতা গড়েছে শ্রম ও ঘামে, অথচ তার শ্রমের ন্যায্য মূল্য পায়নি; সে পানির দামে নিজের রক্ত বিক্রি করেছে। ‘রানার’ কবিতায়ও রানার সারারাত ডাক বয়ে নিয়ে যায়, কিন্তু বিনিময়ে সামান্য মজুরি পায়। দুই ক্ষেত্রেই শ্রমজীবী মানুষের শোষণ, বঞ্চনা ও শ্রমের অবমূল্যায়নের দিকটি সাদৃশ্যপূর্ণ।
- ঘ)
উদ্দীপকের শেষ চরণে শ্রমিকের ঘামের ন্যায্য মূল্য পাওয়ার দাবি প্রকাশ পেয়েছে।
১. অধিকারের দাবি: ‘পৃথিবী আমার ঘামের মূল্য দিক’ বলে শ্রমিক নিজের শ্রমের ন্যায্য মর্যাদা চেয়েছে। ‘রানার’ কবিতায়ও কবি শোষিত শ্রমিকের পক্ষে দাঁড়িয়েছেন।
২. শোষণের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ: কবিতায় অল্প দামে শ্রম কিনে নেওয়ার বিরুদ্ধে ক্ষোভ ও প্রতিবাদ আছে।
৩. নতুন দিনের স্বপ্ন: রানারের দুঃখ ঘুচিয়ে সুদিন আসার প্রত্যাশা কবিতার শেষে প্রকাশ পেয়েছে।সুতরাং, উদ্দীপকের শেষ চরণ কবিতার শোষিত শ্রমজীবীর অধিকার ও ন্যায্যতার দাবির দিকটিকে যথার্থভাবে প্রতিফলিত করেছে।
আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও