বিজ্ঞান • Dinajpur Board • দিনাজপুর বোর্ড ২০২৪
বিজ্ঞান প্রশ্ন
- ক)(1)
এসিড বৃষ্টি কাকে বলে?
- খ)(2)
বন্যা কেন হয়?
- গ)(3)
'উদ্দীপকের 'B' দূর্যোগটি সৃষ্টির কারণ ব্যাখ্যা করো।
- ঘ)(4)
উদ্দীপকের 'P' অবস্থা সৃষ্টির জন্য 'A', 'B', 'C' ও 'D' দায়ী-বিশ্লেষণ করো।
উত্তর ও ব্যাখ্যা
- ক)
কয়লা ও খনিজ তেল পোড়ানোয় সৃষ্ট সালফার ডাই-অক্সাইড ও নাইট্রোজেনের অক্সাইড বৃষ্টির পানিতে মিশে অ্যাসিড তৈরি করে যে বৃষ্টি হয়, তাকে এসিড বৃষ্টি বলে।
- খ)
নদ-নদীর পানি ধারণক্ষমতা কমে গেলে বন্যা হয়। নদীভাঙন ও বর্জ্য অব্যবস্থাপনায় নদী ভরাট হয়ে যায়। ফলে ভারী বর্ষণ বা উজান থেকে আসা পানি সহজে সাগরে যেতে পারে না এবং দুকূল ছাপিয়ে বন্যা হয়। এছাড়া বাংলাদেশের বেশির ভাগ এলাকা সমতল ও মৌসুমি বায়ুর প্রভাবে জোয়ার হওয়ায় পানি নামতে বাধা পায়।
- গ)
উদ্দীপকের B হলো বন্যা। এর কারণ:
১. নদীভাঙন ও বর্জ্য অব্যবস্থাপনার ফলে নদ-নদী ভরাট হয়ে যায় এবং পানি ধারণক্ষমতা কমে যায়।
২. ভারী বর্ষণ বা উজানের অববাহিকা থেকে আসা পানি নদী দিয়ে সাগরে নামতে পারে না, ফলে দুকূল ছাপিয়ে যায়।
৩. মৌসুমি বায়ুর প্রভাবে বঙ্গোপসাগরে জোয়ার সৃষ্টি হলে উজানের পানি সাগরে যেতে পারে না।
৪. বেশির ভাগ এলাকা সমতল হওয়ায় বৃষ্টির পানি সহজে নদীতে পড়তে পারে না, তাই বিস্তীর্ণ এলাকা প্লাবিত হয়। - ঘ)
উদ্দীপকের P হলো দূষণ। A হলো বৃক্ষ নিধন, B হলো বন্যা, C হলো এসিড বৃষ্টি এবং D হলো শিল্প কলকারখানা। এই চারটি দূষণ সৃষ্টিতে ভূমিকা রাখে।
১. বৃক্ষ নিধন (A): গাছ কেটে ফেললে বায়ু থেকে কার্বন ডাই-অক্সাইড শোষণ কমে যায়, ফলে বায়ু দূষণ বাড়ে। এছাড়া মাটির ক্ষয় ও পরিবেশের ভারসাম্য নষ্ট হয়।
২. বন্যা (B): বন্যায় ময়লা-আবর্জনা ও বর্জ্য ছড়িয়ে পানি দূষিত হয় এবং কলেরা ও ডায়রিয়ার মতো পানিবাহিত রোগ ছড়ায়।
৩. এসিড বৃষ্টি (C): এটি মাটি ও জলাশয়ের অম্লত্ব বাড়ায় এবং ফসল ও জলজ প্রাণীর ক্ষতি করে।
৪. শিল্প কলকারখানা (D): কারখানার ধোঁয়া বাতাসে এবং বর্জ্য পানি ও মাটিতে মিশে বায়ু, পানি ও মাটি দূষিত করে।সুতরাং, A, B, C ও D প্রত্যেকেই পরিবেশ দূষণ (P) সৃষ্টির জন্য দায়ী।
আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও