ভূগোল এবং পরিবেশ • Sylhet Board • সিলেট বোর্ড ২০২৫
ভূগোল এবং পরিবেশ প্রশ্ন
- ক)(1)
অংশীজন কারা?
- খ)(2)
টেকসহ উন্নয়ন অভীষ্ট অর্জনের জাতীয় পর্যায়ে অংশীরদারিত্ব গুরুত্বপূর্ণ কেন? ব্যাখ্যা করো।
- গ)(3)
চিত্রে '?' চিহ্ন দ্বারা কী নির্দেশ করা হয়েছে? ব্যাখ্যা করো।
- ঘ)(4)
উদ্দীপকে উল্লিখিত বিষয়টি অর্জনের মাধ্যমে আমরা কী কী সুফল পেতে পারি? আলোচনা করো।
উত্তর ও ব্যাখ্যা
- ক)
উন্নয়নের সুফল ভোগকারী গোষ্ঠীকে অংশীজন বলে।
- খ)
জাতীয় পর্যায়ে অংশীদারিত্বের মাধ্যমে সমাজের উঁচুতলার সাথে সাধারণ মানুষকেও এসডিজি অর্জনে যুক্ত করা যায়। ফলে সাধারণ মানুষ এসডিজি অর্জনে তাদের ভূমিকা সম্পর্কে সচেতন হয়। সরকার একা উন্নয়ন চালিয়ে যেতে পারে না, তাই সব শ্রেণি-পেশার মানুষ ও প্রতিষ্ঠানের দায়িত্ব পালন জরুরি। এভাবে উন্নয়ন সমন্বিত ও টেকসই হয়।
- গ)
চিত্রে '?' চিহ্ন দ্বারা টেকসই উন্নয়ন অভীষ্ট (SDG) নির্দেশ করা হয়েছে, কারণ জলবায়ু কার্যক্রম, গুণগত শিক্ষা, দারিদ্র্য বিলোপ ও জেন্ডার সমতা সবই এর অভীষ্ট।
ব্যাখ্যা:
১. জাতিসংঘ অর্থনৈতিক, সামাজিক ও পরিবেশগত উন্নয়নের সমন্বয়ে এ অভীষ্টগুলো নির্ধারণ করেছে।
২. এর লক্ষ্য ক্ষুধা ও দারিদ্র্যমুক্ত হয়ে সকলের সম্ভাবনা, মর্যাদা ও সমতা নিশ্চিত করা। মোট ১৭টি অভীষ্ট রয়েছে।
৩. বাংলাদেশসহ জাতিসংঘের সদস্য দেশগুলো ২০৩০ সালের মধ্যে এসব অর্জনে কাজ করছে। - ঘ)
উদ্দীপকে উল্লিখিত বিষয়টি হলো টেকসই উন্নয়ন অভীষ্ট (এসডিজি)। এটি অর্জনের মাধ্যমে আমরা নিচের সুফলগুলো পেতে পারি:
১. দারিদ্র্য হ্রাস: দারিদ্র্যসীমা শূন্যের কাছাকাছি নিয়ে আসা যাবে এবং মানুষের জীবনযাত্রার মান বাড়বে।
২. গুণগত শিক্ষা: সবার জন্য মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত হবে, ফলে দক্ষ জনশক্তি তৈরি হবে।
৩. জেন্ডার সমতা: নারী ও মেয়েদের ক্ষমতায়ন হবে এবং সমাজের সকল স্তরে নারী নির্যাতন কমবে।
৪. জলবায়ু সুরক্ষা: জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলা করে পরিবেশ ও পৃথিবীর অস্তিত্ব রক্ষা করা যাবে।
৫. আন্তর্জাতিক অংশীদারিত্ব বাড়ার ফলে সামাজিক, অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক সমস্যা নিরসন হবে।সুতরাং, এসডিজি অর্জিত হলে বাংলাদেশসহ সারা বিশ্বে সমতা, শিক্ষা ও পরিবেশ রক্ষার মাধ্যমে টেকসই উন্নয়ন সম্ভব হবে।
আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও