বাংলা ২য় পত্র • Dinajpur Board • দিনাজপুর বোর্ড ২০১৯
বাংলা ২য় পত্র প্রশ্ন
নিচের যেকোনো ১ টি প্রশ্নের উত্তর দাওঃ
8.1.
তোমার কলেজের প্রথম দিনের অভিজ্ঞতা বর্ণনা করে একটি দিনলিপি রচনা করো।
8.2.
তোমার দেখা একটি গ্রামীণ মেলার ওপর একটি প্রতিবেদন তৈরি করো।
উত্তর ও ব্যাখ্যা
AI-লিখিত কাল্পনিক নমুনা। প্রশ্নে না-দেওয়া নাম, তারিখ, যোগাযোগ, সংখ্যা ও জরিপ/সাক্ষাৎকারের বিবরণ উদাহরণভিত্তিক অনুমান; বাস্তবে তথ্যসংগ্রহ করা হয়েছে এমন দাবি নয়।
৮.১. কলেজের প্রথম দিনের অভিজ্ঞতা জানিয়ে দিনলিপি:
১৫ জুলাই, ২০২৩
রাত ১০:০০ টা
ঢাকা
আজ আমার জীবনের একটি অত্যন্ত স্মরণীয় দিন—কলেজের প্রথম দিন। সকাল থেকেই মনে এক ধরনের রোমাঞ্চ ও অজানা উত্তেজনা কাজ করছিল। নির্দিষ্ট সময়ের কিছুটা আগেই নতুন পোশাক পরে ক্যাম্পাসে পৌঁছালাম। কলেজের বিশাল ক্যাম্পাস, সুবিশাল ভবন আর নতুন সহপাঠীদের কোলাহল এক নতুন জগতের অনুভূতি দিল।
বেলা সাড়ে দশটায় আমাদের ওরিয়েন্টেশন ক্লাস শুরু হলো। মিলনায়তনে অধ্যক্ষ মহোদয় ও সম্মানিত শিক্ষকমণ্ডলী অত্যন্ত অনুপ্রেরণামূলক বক্তব্য দিলেন। তাঁরা আমাদের স্বপ্ন দেখতে ও সৎ মানুষ হিসেবে গড়ে ওঠার আহ্বান জানালেন। শিক্ষকদের সান্নিধ্য এবং আন্তরিক আচরণে স্কুলের গণ্ডি পেরিয়ে আসার সমস্ত জড়তা ও ভয় নিমেষেই কেটে গেল।
ক্লাসের ফাঁকে কয়েকজন সহপাঠীর সঙ্গে পরিচয় হলো। বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা হলেও মনে হলো আমরা যেন একই পরিবারের সদস্য। লাইব্রেরি ও বিশাল খেলার মাঠ ঘুরে দেখার পর নতুন উদ্দীপনা নিয়ে বাড়ি ফিরলাম। জীবনের নতুন এ যাত্রায় নিজের সর্বোচ্চ দিয়ে এগিয়ে যেতে হবে—এই প্রত্যয়ই এখন মনে কাজ করছে।
অথবা,
৮.২. গ্রামীণ মেলার ওপর একটি প্রতিবেদন:
ঐতিহ্যবাহী লোকসংস্কৃতির ধারক গ্রামীণ মেলা
নিজস্ব প্রতিবেদক, রংপুর:
বাঙালির লোকায়ত সংস্কৃতির এক অনন্য প্রকাশ ঘটে গ্রামীণ মেলায়। সম্প্রতি রংপুরের তারাগঞ্জ উপজেলার বারোদরগাহ সংলগ্ন বিশাল মাঠে অনুষ্ঠিত হয়ে গেল তিন দিনব্যাপী ঐতিহ্যবাহী বৈশাখী মেলা। প্রতি বছর বৈশাখের শুরুতেই এ মেলার আয়োজন করা হয়।
মেলা প্রাঙ্গণ ঘুরে দেখা গেল মানুষের উপচে পড়া ভিড়। দূর-দূরান্তের গ্রাম থেকে সকল বয়সী মানুষ বর্ণিল পোশাকে মেলায় সমবেত হয়েছে। মেলায় বসেছে মাটির তৈরি হাঁড়ি-পাতিল, খেলনা ও শো-পিসের নানা দোকান। এছাড়াও বাঁশ ও বেতের তৈরি ঝুড়ি, কুলা, হাতপাখা এবং কামার-কুমারদের তৈরি নিত্যপ্রয়োজনীয় সামগ্রী বিক্রি হচ্ছিল দেদারসে। খাদ্যপ্রেমীদের আকর্ষণ ছিল বাতাসা, কদমা, খই, মুড়ালি, জিলাপি ও চমচমের দোকানে।
মেলার অন্যতম প্রধান আকর্ষণ ছিল নাগরদোলা, পুতুলনাচ এবং সার্কাস। শিশু-কিশোরদের উল্লাস ও আনন্দ মেলা প্রাঙ্গণকে মুখরিত করে তুলেছিল। বিকেলে স্থানীয় শিল্পীদের অংশগ্রহণে জারি, সারি ও বাউল গানের এক জমজমাট আসর বসে।
গ্রামীণ এ মেলা কেবল কেনাবেচার কেন্দ্র নয়, বরং তা পারস্পরিক সৌহার্দ্য, সম্প্রীতি ও মেলবন্ধনের এক অনন্য মিলনমেলা। আধুনিকতার যুগে আমাদের নিজস্ব গ্রামীণ ঐতিহ্যকে টিকিয়ে রাখতে এ ধরনের আয়োজন অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ।
আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও