ব্যবসায় উদ্যোগ • Sylhet Board • সিলেট বোর্ড ২০২৫

ব্যবসায় উদ্যোগ প্রশ্ন

মিস ম্যাচিং চাকমা স্থানীয় NGO থেকে প্রশিক্ষণ নিয়ে গৃহস্থালি ও সৌখিন পণ্য তৈরির সিদ্ধান্ত নেন। কাঁচামালের সহজলভ্যতার কথা চিন্তা করে বেতের ঝুড়ি, খেলনা, চেয়ার ও বাঁশের চাটাই এবং গৃহস্থালির নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য তৈরি করে স্থানীয় বাজারের পাশাপাশি পাইকারি বাজারেও বিক্রি করে উপার্জন শুরু করেন। চাহিদা বৃদ্ধি পাওয়ায় পরিবারের অন্যান্য সদস্যরাও তাকে সাহায্য করছেন। অধিক মুনাফা লাভের আশায় বর্তমানে ঘর সাজানোর বিভিন্ন জিনিস তৈরি শুরু করেছেন।

  1. ক)

    সেবা শিল্প কাকে বলে ?

    (1)
  2. খ)

    সহায়ক সেবা কাকে বলে? ব্যাখ্যা কর।

    (2)
  3. গ)

    মিস ম্যাচিং চাকমার শিল্পটি কোন শিল্পের অন্তর্গত? ব্যাখ্যা কর।

    (3)
  4. ঘ)

    রাঙামাটির মতো জেলার আর্থিক উন্নয়নে মিস ম্যাচিং চাকমার শিল্পের অবদান মূল্যায়ন কর।

    (4)

উত্তর ও ব্যাখ্যা

  1. ক)

    যে শিল্প বস্তুগত পণ্য উৎপাদন না করে বিভিন্ন সেবা প্রদান করে, তাকে সেবা শিল্প বলে। যেমন: হাসপাতাল ও ক্লিনিক, পর্যটন, পরিবহন ও যোগাযোগ।

  2. খ)

    সহায়ক সেবা বলতে নতুন ব্যবসায় বা শিল্প স্থাপন ও সফলভাবে পরিচালনায় উদ্যোক্তাকে অনুপ্রাণিত ও সহায়তা করার জন্য বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান কর্তৃক প্রদত্ত নানা ধরনের সেবা বোঝায়। প্রকৃতি অনুযায়ী এগুলো উদ্দীপনামূলক, সমর্থনমূলক ও সংরক্ষণমূলক। নতুন ব্যবসায়ে ঝুঁকি থাকায় এ সেবা উদ্যোক্তার জন্য প্রয়োজন।

  3. গ)

    মিস ম্যাচিং চাকমার শিল্পটি কুটির শিল্পের অন্তর্গত।

    কুটির শিল্প বলতে পরিবারের সদস্যদের প্রাধান্যবিশিষ্ট সেসব শিল্পপ্রতিষ্ঠান বোঝায়, যেখানে স্থায়ী সম্পদের পরিমাণ কম। উদ্দীপকে তিনি বেতের ঝুড়ি, চেয়ার ও বাঁশের চাটাইয়ের মতো পণ্য তৈরি করেন, যা বাঁশ ও বেত শিল্পের পণ্য। পরিবারের সদস্যরা তাঁকে সাহায্য করছেন এবং তিনি সহজলভ্য কাঁচামাল ব্যবহার করছেন। এসব বৈশিষ্ট্য কুটির শিল্পের সাথে মেলে।

  4. ঘ)

    রাঙামাটির মতো জেলার আর্থিক উন্নয়নে ম্যাচিং চাকমার কুটির শিল্পের অবদান গুরুত্বপূর্ণ।

    ১. কর্মসংস্থান: এই শিল্পে স্থানীয় কাঁচামাল ও পরিবারের শ্রম ব্যবহৃত হয়। এতে নিজের ও পরিবারের কর্মসংস্থান হচ্ছে, যা বেকারত্ব কমায়।
    ২. আয় বৃদ্ধি: স্থানীয় ও পাইকারি বাজারে বিক্রি করে আয় বাড়ছে। এতে এলাকার অর্থনীতি চাঙ্গা হয়।
    ৩. ঐতিহ্য ও সুনাম: রাঙামাটির কুটির শিল্প এলাকার পরিচয় বহন করে। ঘর সাজানোর পণ্য তৈরি করে পণ্যের পরিধি বাড়ছে।
    ৪. অনুপ্রেরণা: তাঁর সফলতা দেখে অন্যরা নতুন কুটির শিল্প স্থাপনে আগ্রহী হবে।

    সুতরাং, কুটির শিল্প রাঙামাটির মতো জেলার আর্থিক উন্নয়নে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রাখছে।

আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও

সম্পর্কিত প্রশ্ন