বিজ্ঞান • Sylhet Board • সিলেট বোর্ড ২০২৩
বিজ্ঞান প্রশ্ন
- ক)(1)
ক্লোরিনেশন কাকে বলে?
- খ)(2)
পানির পুনরাবর্তন বলতে কী বোঝো?
- গ)(3)
চিত্রের 'B' প্রাণীটি প্রচুর পরিমাণে কমে গেলে মানবদেহের বৃদ্ধি ব্যাহত হতে পারে- ব্যাখ্যা করো।
- ঘ)(4)
চিত্রের 'A' এবং 'B' এর বেঁচে থাকা 'C' এর মানদণ্ডের উপর নির্ভর করে-যুক্তিসহ তোমার মতামত বিশ্লেষণ করো।
উত্তর ও ব্যাখ্যা
- ক)
পানিতে রোগসৃষ্টিকারী জীবাণু ধ্বংস করার জন্য ক্লোরিন গ্যাস বা ক্লোরিনযুক্ত যৌগ (যেমন ব্লিচিং পাউডার) ব্যবহার করে যে প্রক্রিয়ায় পানি জীবাণুমুক্ত করা হয়, তাকে ক্লোরিনেশন বলে।
- খ)
প্রকৃতিতে পানির পুনরাবর্তন বা পানিচক্র হলো সূর্যের তাপে সমুদ্র, নদ-নদী, খাল-বিলের পানি বাষ্প হয়ে বায়ুমণ্ডলে যাওয়া, সেই বাষ্প ঘনীভূত হয়ে মেঘ ও বৃষ্টি হয়ে আবার ভূপৃষ্ঠে ফিরে আসা এবং আবার বাষ্পীভূত হওয়ার ধারাবাহিক প্রক্রিয়া। ব্যবহৃত বর্জ্য পানি পরিশোধন করে আবার ব্যবহার করাও এক ধরনের পুনরাবর্তন।
- গ)
চিত্রে 'B' হলো মাছ। মাছ প্রাণিজ আমিষ বা প্রোটিনের গুরুত্বপূর্ণ উৎস।
আমিষ দেহের বৃদ্ধি ও গঠনের জন্য অপরিহার্য। দেহকোষের বেশির ভাগই আমিষ দিয়ে তৈরি, আর হাড়, পেশি, লোম ও নখও আমিষ দিয়ে গঠিত। মাছ প্রচুর পরিমাণে কমে গেলে মানুষ পর্যাপ্ত প্রাণিজ আমিষ পাবে না। ফলে আমিষের অভাবে মানবদেহের বৃদ্ধি ব্যাহত হতে পারে।
- ঘ)
চিত্রে A জলজ উদ্ভিদ, B মাছ এবং C পানি। A ও B-র বেঁচে থাকা C-এর অর্থাৎ পানির মানদণ্ডের ওপর নির্ভর করে। এ মন্তব্য যথার্থ।
১. ঘোলার পরিমাণ: পানি ঘোলা হলে সূর্যের আলো জলজ উদ্ভিদ পর্যন্ত পৌঁছাতে পারে না, ফলে সালোকসংশ্লেষণ ব্যাহত হয়। এতে উদ্ভিদের বৃদ্ধি কমে এবং পানিতে অক্সিজেন তৈরিও কমে যায়। ঘোলা পানিতে মাছও ঠিকমতো খাবার সংগ্রহ করতে পারে না।
২. তেজস্ক্রিয় পদার্থ: পানিতে তেজস্ক্রিয় পদার্থ থাকলে জলজ উদ্ভিদ ও প্রাণীর ক্যান্সারের মতো রোগ হতে পারে।
৩. ময়লা-আবর্জনা: আবর্জনা থেকে জীবাণু তৈরি হয়, যা জলজ প্রাণী ও উদ্ভিদের জন্য ক্ষতিকর। মাছ ফুলকা দিয়ে পানি থেকেই অক্সিজেন নেয়, তাই পানির মান নষ্ট হলে সে বাঁচতে পারে না। বর্ণ ও স্বাদের স্বাভাবিকতাও জলজ জীবের জন্য জরুরি।সুতরাং, পানির মানদণ্ড বজায় না থাকলে A ও B কেউই বাঁচতে পারে না, তাই মন্তব্যটি যথার্থ।
আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও