অর্থনীতি • Mymensingh Board • ময়মনসিংহ বোর্ড ২০২৪
অর্থনীতি প্রশ্ন
X খাত | Y খাত
পাট,ডাল, আখ, হাঁস-মুরগি, সেগুন, গামারি | দিয়াশলাই, সেতু নির্মাণ, চিনি, সার, প্লাস্টিক, তাঁত ও মৃৎ শিল্প
- ক)(1)
শিল্প কাকে বলে?
- খ)(2)
বৈদেশিক সাহায্যের নির্ভরশীলতা হ্রাস করা যায় কীভাবে? ব্যাখ্যা করো।
- গ)(3)
উদ্দীপকে 'X' খাত দ্বারা অর্থনীতির কোন খাতকে নির্দেশ করে? ব্যাখ্যা করো।
- ঘ)(4)
দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে 'Y' খাত-এর অবদান বিশ্লেষণ করো।
উত্তর ও ব্যাখ্যা
- ক)
যে প্রক্রিয়ায় কাঁচামালকে ব্যবহারোপযোগী ভোগ্য বা মূলধনী দ্রব্যে রূপান্তর করা হয়, তাকে শিল্প বলে।
- খ)
বৈদেশিক সাহায্যের ওপর নির্ভরতা কমাতে হলে দেশের নিজস্ব আয় বাড়াতে হবে। এজন্য রপ্তানি বাড়িয়ে বৈদেশিক আয় বৃদ্ধি, কর আদায় বৃদ্ধি এবং অভ্যন্তরীণ সঞ্চয় ও বিনিয়োগ বাড়ানো দরকার। এছাড়া আমদানি বিকল্প শিল্প গড়ে তুলে আমদানি ব্যয় কমানো এবং প্রবাসী আয় বৈধ পথে আনা যায়। এতে বিদেশি সাহায্যের প্রয়োজন কমে।
- গ)
উদ্দীপকে 'X' খাত দ্বারা কৃষি খাতকে নির্দেশ করা হয়েছে।
অর্থনীতিতে কৃষি খাত বলতে শুধু ফসল উৎপাদন নয়, বরং শস্য, প্রাণিসম্পদ, বনজ ও মৎস্য সম্পদ উৎপাদনকে বোঝায়। 'X' খাতে পাট, ডাল ও আখ (শস্য), হাঁস-মুরগি (প্রাণিজ সম্পদ) এবং সেগুন ও গামারি (বনজ সম্পদ) রয়েছে। এগুলো সবই কৃষি খাতের উপখাত। তাই 'X' খাত কৃষি খাত।
- ঘ)
উদ্দীপকের 'Y' খাতে দিয়াশলাই, চিনি, সার, প্লাস্টিক, তাঁত ও মৃৎশিল্প এবং সেতু নির্মাণ রয়েছে, যা অর্থনীতির শিল্প খাত। দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে এর অবদান নিচে দেওয়া হলো।
১. কর্মসংস্থান সৃষ্টি: শিল্প-কারখানা ও নির্মাণ কাজে বিপুল সংখ্যক মানুষের কর্মসংস্থান হয়, ফলে বেকারত্ব ও দারিদ্র্য কমে।
২. জাতীয় আয় বৃদ্ধি: শিল্পে কাঁচামালকে মূল্য সংযোজন করে দ্রব্যে রূপান্তর করা হয়, যা জিডিপি বাড়ায়।
৩. আমদানি হ্রাস ও রপ্তানি বৃদ্ধি: চিনি, সারের মতো দ্রব্য দেশে উৎপাদিত হলে আমদানি কমে এবং শিল্পজাত দ্রব্য রপ্তানি করে বৈদেশিক আয় বাড়ে।
৪. কৃষির আধুনিকায়ন: শিল্প কৃষিকে যন্ত্রপাতি ও সার সরবরাহ করে এবং কৃষিপণ্যের বাজার সৃষ্টি করে।
৫. অবকাঠামো উন্নয়ন: সেতু ও যোগাযোগ কাঠামো নির্মাণ অর্থনৈতিক কার্যক্রমকে গতিশীল করে।সুতরাং, শিল্প খাত কর্মসংস্থান, আয় বৃদ্ধি ও আমদানি-রপ্তানি ভারসাম্যের মাধ্যমে দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও