কৃষিশিক্ষা • Barishal Board • বরিশাল বোর্ড ২০২৪
কৃষিশিক্ষা প্রশ্ন
আবির সাহেব হলস্টেন জাতের ৫টি গাভী নিয়ে খামার শুরু করেন। গাভীগুলোর প্রত্যেকটি দৈনিক ২০ লিটার পর্যন্ত দুধ দেয়। স্বাস্থ্যসম্মত পালন ব্যবস্থা ও খাদ্য প্রদানে খামারটি বেশ লাভজনক হয়ে ওঠে।
- ক)(1)
বাংলাদেশে কয় ধরনের ধানের জাত আছে?
- খ)(2)
শিং ও মাগুর মাছকে জিওল মাছ বলা-হয় কেন?
- গ)(3)
আবিরের খামারের গাভীগুলোর জন্য প্রয়োজনীয় দানাদার খাদ্যের পরিমান নির্ণয় করো।
- ঘ)(4)
স্বাস্থ্যসম্মত পালন ও পরিমিত খাদ্য প্রদান খামারটিকে লাভজনক হতে সাহায্য করে-মূল্যায়ন করো।
উত্তর ও ব্যাখ্যা
- ক)
বাংলাদেশে তিন ধরনের ধানের জাত আছে। এগুলো হলো স্থানীয় জাত, উচ্চ ফলনশীল (উফশী) জাত ও হাইব্রিড জাত।
- খ)
শিং ও মাগুর মাছের ফুলকার ওপরে একটি অতিরিক্ত শ্বসন অঙ্গ থাকে। এর সাহায্যে এরা বাতাস থেকে সরাসরি অক্সিজেন নিতে পারে। তাই পানি কমে গেলে বা অক্সিজেন কম থাকলেও এরা বেঁচে থাকে। এদের দেহ পিচ্ছিল আঁশহীন ত্বকে ঢাকা, ফলে বেশি সময় ভেজা থাকে। এভাবে জীবিত থাকার ক্ষমতার জন্য এদের জিওল মাছ বলা হয়।
- গ)
দুগ্ধবতী গাভীকে প্রতি ২.৫ লিটার দুধ উৎপাদনের জন্য ১ কেজি দানাদার খাদ্য দিতে হয়।
প্রতিটি গাভী দৈনিক দুধ দেয় = ২০ লিটার
প্রতি গাভীর দানাদার খাদ্য = কেজি
গাভীর সংখ্যা = ৫টিমোট দানাদার খাদ্য = কেজি
অতএব, আবিরের খামারের গাভীগুলোর জন্য দৈনিক ৪০ কেজি দানাদার খাদ্য প্রয়োজন।
- ঘ)
আবির সাহেবের খামার লাভজনক হওয়ার পেছনে স্বাস্থ্যসম্মত পালন ও পরিমিত খাদ্য বড় ভূমিকা রেখেছে।
১. রোগবালাই কম: পরিষ্কার ও আলো-বাতাসযুক্ত ঘরে পালন করলে গাভী সুস্থ থাকে। ফলে চিকিৎসা খরচ কমে।
২. দুধ উৎপাদন বৃদ্ধি: সুস্থ গাভী বেশি দুধ দেয়। হলস্টেন জাতের গাভী দৈনিক ২০ লিটার পর্যন্ত দুধ দিচ্ছে।
৩. খাদ্যের সঠিক ব্যবহার: দুধের পরিমাণ অনুযায়ী দানাদার ও আঁশজাতীয় খাদ্য দিলে অপচয় কমে এবং পুষ্টির চাহিদা পূরণ হয়।
৪. খরচ কমে, আয় বাড়ে: কম খরচে বেশি দুধ পাওয়ায় লাভ বাড়ে।সুতরাং, স্বাস্থ্যসম্মত পালন ও পরিমিত খাদ্য প্রদান খামারকে লাভজনক করতে নিশ্চিতভাবে সাহায্য করে।
আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও