বিজ্ঞান • Jashore Board • যশোর বোর্ড ২০২০
বিজ্ঞান প্রশ্ন
- ক)(1)
পরিস্রাবণ কাকে বলে?
- খ)(2)
পানির পুনরাবর্তন ব্যাখ্যা করো।
- গ)(3)
'W' যৌগের উপর লবণাক্ততার প্রভাব ব্যাখ্যা করো।
- ঘ)(4)
উদ্দীপকের যৌগটির দূষণ প্রতিরোধের কৌশল বিশ্লেষণ করো।
উত্তর ও ব্যাখ্যা
- ক)
কোনো তরলের মধ্যে ভাসমান অদ্রবণীয় কঠিন কণাকে ফিল্টার পেপারের মতো ছাঁকনির মাধ্যমে আলাদা করার পদ্ধতিকে পরিস্রাবণ বলে।
- খ)
প্রকৃতিতে পানি সূর্যতাপে বাষ্পীভূত হয়ে জলীয়বাষ্প হিসেবে ওপরে ওঠে। সেখানে ঠান্ডা হয়ে ঘনীভূত হয়ে মেঘ তৈরি করে এবং বৃষ্টি বা তুষার হিসেবে আবার ভূপৃষ্ঠে ফিরে আসে। এই বাষ্পীভবন, ঘনীভবন ও বৃষ্টিপাতের চক্রাকার ধারাকে পানির পুনরাবর্তন বলে।
- গ)
চিত্রে W যৌগটি , অর্থাৎ পানি।
পানিতে লবণাক্ততা বেড়ে গেলে তা পানের অযোগ্য হয়ে যায়। সেচের পানিতে লবণ বেশি থাকলে মাটির লবণাক্ততা বাড়ে, গাছ পানি শোষণ করতে পারে না এবং ফসলের উৎপাদন কমে যায়। মিঠা পানির মাছ ও জলজ প্রাণী লবণাক্ততা সহ্য করতে না পেরে মারা যায় বা অন্যত্র সরে যায়। এছাড়া অতিরিক্ত লবণাক্ততা মাটির উর্বরতা কমায় এবং জীববৈচিত্র্যের ক্ষতি করে।
- ঘ)
উদ্দীপকের যৌগ পানির দূষণ প্রতিরোধের কৌশলগুলো নিচে বিশ্লেষণ করা হলো।
১. কলকারখানার বর্জ্য শোধন করে (বর্জ্য পরিশোধন প্ল্যান্ট ব্যবহার করে) নদী বা জলাশয়ে ফেলতে হবে।
২. পয়ঃবর্জ্য ও গৃহস্থালির আবর্জনা সরাসরি পানিতে না ফেলে সঠিকভাবে অপসারণ ও শোধন করতে হবে।
৩. কৃষিতে রাসায়নিক সার ও কীটনাশক পরিমিত ব্যবহার করতে হবে, যাতে বৃষ্টিতে ধুয়ে জলাশয়ে না যায়।
৪. তেল ও প্লাস্টিক বর্জ্য পানিতে ফেলা বন্ধ করতে আইন প্রয়োগ এবং জনসচেতনতা তৈরি করতে হবে।সুতরাং, এসব কৌশল অনুসরণ করলে পানিদূষণ কমিয়ে নিরাপদ পানি নিশ্চিত করা সম্ভব।
আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও