বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা • Barishal Board • বরিশাল বোর্ড ২০২৩
বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা প্রশ্ন
- ক)(1)
শিক্ষা চিরন্তন স্থাপিত হয় কত সালে?
- খ)(2)
মুক্তিযুদ্ধে গণমাধ্যমের ভূমিকা ব্যাখ্যা করো।
- গ)(3)
উদ্দীপকের চিত্রটি কোন ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে নির্মিত হয়েছে? পাঠ্যবইয়ের আলোকে বিষয়টি ব্যাখ্যা করো।
- ঘ)(4)
"বাঙালির অহংকার, গৌরব আর মর্যাদার প্রতীক এই স্মৃতিসৌধ”- উক্তিটির যথার্থতা মূল্যায়ন করো।
উত্তর ও ব্যাখ্যা
- ক)
শিখা চিরন্তন ১৯৯৭ সালের ২৬শে মার্চ স্থাপিত হয়।
- খ)
মুক্তিযুদ্ধে গণমাধ্যম গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিল। স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র থেকে প্রচারিত খবর, দেশাত্মবোধক গান ও বক্তৃতা মুক্তিযোদ্ধা ও সাধারণ মানুষকে অনুপ্রাণিত করেছে।
দেশি-বিদেশি সংবাদপত্র ও সাংবাদিকরা পাকিস্তানি বাহিনীর গণহত্যা ও নির্যাতনের খবর বিশ্বকে জানিয়ে জনমত তৈরি করেছেন। - গ)
উদ্দীপকের চিত্রটি জাতীয় স্মৃতিসৌধ। এটি ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে শহীদদের স্মৃতি রক্ষার জন্য নির্মিত হয়েছে।
পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী ও তাদের দোসররা নয় মাসের যুদ্ধে অসংখ্য মানুষকে হত্যা করেছে। স্বাধীনতার পর শহীদদের আত্মত্যাগকে চিরস্মরণীয় করতে সাভারে এ স্মৃতিসৌধ নির্মাণ করা হয়।
সুতরাং, মুক্তিযুদ্ধের শহীদদের স্মরণে স্মৃতিসৌধটি নির্মিত। - ঘ)
উক্তিটি যথার্থ।
১. শহীদদের স্মৃতি: স্মৃতিসৌধ মুক্তিযুদ্ধে শহীদদের আত্মত্যাগের স্মারক। এখানে শ্রদ্ধা জানানো বাঙালির গৌরবের বিষয়।
২. সংগ্রামের প্রতীক: এর সাত জোড়া দেয়াল বাঙালির স্বাধীনতার সাতটি ধাপ বা পর্যায়কে মনে করিয়ে দেয় এবং আন্দোলন-সংগ্রামের ইতিহাসকে ধারণ করে।
৩. জাতীয় ঐক্য: ২৬ মার্চ ও ১৬ ডিসেম্বরে সর্বস্তরের মানুষ এখানে শ্রদ্ধা জানায়, ফলে এটি দেশপ্রেম ও জাতীয় ঐক্যের কেন্দ্র।
সুতরাং, স্মৃতিসৌধ বাঙালির অহংকার, গৌরব ও মর্যাদার প্রতীক।
আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও