ভূগোল এবং পরিবেশ • Dinajpur Board • দিনাজপুর বোর্ড ২০২৫

ভূগোল এবং পরিবেশ প্রশ্ন

অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড | উদাহরণ
M | মৎস্য শিকার, পাট চাষ, পশু পালন।
N | পেরেক, টিন, ইস্পাত ও অন্যান্য অত্যাবশ্যকীয় দ্রব্য প্রস্তুত করা।
O | মুদি ব্যবসা, ফল বিক্রেতা, বাস চালক।

  1. ক)

    সম্পদ কাকে বলে?

    (1)
  2. খ)

    বিস্কুটের কারখানা আকার অনুসারে কোন ধরনের শিল্প? ব্যাখ্যা করো।

    (2)
  3. গ)

    ছকের '০' দ্বারা কোন পর্যায়ের অর্থনৈতিক কর্মকান্ডকে নির্দেশ করা হয়েছে? তার বর্ণনা দাও।

    (3)
  4. ঘ)

    ছকের 'M' ও 'N' এর মধ্যে কোন শ্রেণির কর্মকান্ড বাংলাদেশে অধিক পরিলক্ষিত হয়? যুক্তিসহ মতামত দাও।

    (4)

উত্তর ও ব্যাখ্যা

  1. ক)

    মানুষের জীবনযাত্রার প্রয়োজন মেটাতে নির্দিষ্ট প্রযুক্তি, অর্থনীতি ও সামাজিক অবস্থায় যা কিছু ব্যবহার করা যায় তাকে সম্পদ বলে।

  2. খ)

    বিস্কুটের কারখানা আকার অনুসারে ক্ষুদ্র শিল্পের অন্তর্গত।

    যে শিল্পে কম শ্রমিক ও স্বল্প মূলধন প্রয়োজন হয় এবং ক্ষুদ্র যন্ত্রপাতি ও কম কাঁচামাল দিয়ে স্বল্প উৎপাদন করা হয়, তাকে ক্ষুদ্র শিল্প বলে। বেকারি কারখানা এর একটি উদাহরণ। বিস্কুট, কেক ও পাউরুটি তৈরির কারখানা সাধারণত এই শ্রেণির অন্তর্ভুক্ত।

  3. গ)

    ছকের 'O' দ্বারা তৃতীয় পর্যায়ের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড নির্দেশ করা হয়েছে।

    তৃতীয় পর্যায়ের কর্মকাণ্ডে মানুষ প্রথম ও দ্বিতীয় পর্যায়ে উৎপাদিত বস্তুর উপযোগিতা বাড়ায় এবং সেবা প্রদান করে। ব্যবসা-বাণিজ্য, পরিবহন, ব্যাংকিং, শিক্ষা ও চিকিৎসা এই পর্যায়ের অন্তর্ভুক্ত। ছকে 'O'-তে মুদি ব্যবসা, ফল বিক্রেতা ও বাস চালকের কাজ উল্লেখ আছে। মুদি ও ফল বিক্রেতা পণ্য বিক্রির মাধ্যমে ভোক্তার কাছে পণ্য পৌঁছান এবং বাস চালক সেবা দেন। তাই এগুলো তৃতীয় পর্যায়ের কর্মকাণ্ড।

  4. ঘ)

    ছকের 'M' হলো প্রথম পর্যায়ের (মৎস্য শিকার, পাট চাষ, পশুপালন) এবং 'N' হলো দ্বিতীয় পর্যায়ের (পেরেক, টিন, ইস্পাত প্রস্তুত) অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড। এ দুটির মধ্যে বাংলাদেশে 'M' অর্থাৎ প্রথম পর্যায়ের কর্মকাণ্ড বেশি পরিলক্ষিত হয়।

    ১. কৃষিনির্ভর অর্থনীতি: বাংলাদেশের অধিকাংশ মানুষ প্রথম পর্যায়ের কর্মকাণ্ড, যেমন: কৃষিকাজ, মৎস্য শিকার ও পশুপালনে জড়িত।
    ২. অনুকূল প্রাকৃতিক পরিবেশ: দেশের সমতল উর্বর মাটি, প্রচুর বৃষ্টিপাত ও অসংখ্য নদী-জলাশয় ধান, পাট চাষ ও মাছ ধরার জন্য উপযোগী।
    ৩. স্বল্প মূলধন ও প্রযুক্তি: প্রথম পর্যায়ের কাজে অপেক্ষাকৃত কম মূলধন ও কম দক্ষতা লাগে। দ্বিতীয় পর্যায়ের কাজে বেশি মূলধন ও আধুনিক প্রযুক্তি প্রয়োজন।

    সুতরাং, কৃষিনির্ভরতা, অনুকূল পরিবেশ ও স্বল্প মূলধনের কারণে বাংলাদেশে 'M' শ্রেণির কর্মকাণ্ড বেশি দেখা যায়।

আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও

সম্পর্কিত প্রশ্ন