অর্থনীতি • Dinajpur Board • দিনাজপুর বোর্ড ২০২৫
অর্থনীতি প্রশ্ন
নিচে একটি দ্রব্যের চাহিদা ও জোগান সূচি দেওয়া হলো:
দ্রব্যের দাম (টাকা) | চাহিদার পরিমাণ | জোগানের পরিমাণ
০৫ | ৩০ একক | ১০ একক
১০ | ২০ একক | ২০ একক
১৫ | ১০ একক | ৩০ একক
- ক)(1)
ভোক্তা কাকে বলে?
- খ)(2)
প্রান্তিক উপযোগ বলতে কী বোঝায়?
- গ)(3)
উপরিউক্ত সূচির আলোকে চাহিদা রেখা অঙ্কন করে তা ব্যাখ্যা করো।
- ঘ)(4)
উদ্দীপকের আলোকে চিত্রে কীভাবে ভারসাম্য দাম ও পরিমাণ নির্ধারিত হয় তা বিশ্লেষণ করো।
উত্তর ও ব্যাখ্যা
- ক)
যে ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান নিজের অভাব পূরণের জন্য দ্রব্য ও সেবা ভোগ বা ব্যবহার করে, তাকে ভোক্তা (Consumer) বলে।
- খ)
কোনো দ্রব্যের এক একক অতিরিক্ত ভোগ করলে মোট উপযোগের যে পরিবর্তন হয়, তাকে প্রান্তিক উপযোগ (Marginal Utility) বলে। যেমন, ৩টি আম খেয়ে মোট উপযোগ ৯ এবং ৪টি খেয়ে ১০ হলে চতুর্থ আমের প্রান্তিক উপযোগ ১০ − ৯ = ১। দ্রব্যের ভোগ বাড়তে থাকলে সাধারণত প্রান্তিক উপযোগ কমতে থাকে।
- গ)
চাহিদা রেখা অঙ্কনের ধাপ:
১. X-অক্ষে চাহিদার পরিমাণ (একক) এবং Y-অক্ষে দ্রব্যের দাম (টাকা) নেওয়া হলো।
২. বিন্দুগুলো স্থাপন করতে হবে:
বিন্দু চাহিদার পরিমাণ (X) দাম (Y) A ৩০ ৫ B ২০ ১০ C ১০ ১৫ ৩. A, B, C যোগ করলে DD চাহিদা রেখা পাওয়া যায়।
রেখাটি বাম থেকে ডানে নিম্নগামী। অর্থাৎ দাম ৫ টাকা বাড়লে চাহিদা ১০ একক কমছে। এটি চাহিদা বিধি প্রকাশ করে।
- ঘ)
উদ্দীপকের সূচিতে চাহিদা ও জোগান দুটিই দেওয়া আছে। ভারসাম্য দাম ও পরিমাণ নির্ধারণ বিশ্লেষণ:
১. ৫ টাকা দামে চাহিদা ৩০ একক, জোগান ১০ একক। ফলে অতিরিক্ত চাহিদা ২০ একক। এতে ক্রেতাদের প্রতিযোগিতায় দাম বাড়বে।
২. ১৫ টাকা দামে চাহিদা ১০ একক, জোগান ৩০ একক। ফলে অতিরিক্ত জোগান ২০ একক। অবিক্রিত পণ্য বিক্রির জন্য বিক্রেতারা দাম কমাবে।
৩. ১০ টাকা দামে চাহিদা ও জোগান উভয়ই ২০ একক। এখানে বাজারে কোনো অতিরিক্ত চাহিদা বা জোগান নেই।
চিত্রে চাহিদা রেখা DD নিম্নগামী এবং জোগান রেখা SS ঊর্ধ্বগামী। রেখা দুটি যে E বিন্দুতে ছেদ করে, সেখানে ভারসাম্য দাম ১০ টাকা এবং ভারসাম্য পরিমাণ ২০ একক নির্ধারিত হয়।
সুতরাং, ভারসাম্য দাম ১০ টাকা এবং ভারসাম্য পরিমাণ ২০ একক।
আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও