বাংলা ১ম পত্র • Dhaka Board • ঢাকা বোর্ড ২০২৪
বাংলা ১ম পত্র প্রশ্ন
মায়ের পাগল ছোট্ট খোকামায়ের পিছে করে ঘুরাঘুরিশিশু ধনটি সারা বেলামায়ের আঁচল থাকত ধরি ।একটু বড়ো হলো যখনআম্মা অধীর খোকার জন্যপড়ালেখা শেষটা করেকখন ফিরে করবে ধন্য ।
- ক)(1)
কীসের বাতাসে সুপারির বন হেলে পড়ে ?
- খ)(2)
উত্তর দিতে দুঃখিনী মায়ের দ্বিগুণ বাড়িত জ্বালা ।'- বুঝিয়ে লেখো।
- গ)(3)
উদ্দীপকের ভাববস্তুতে ফুটে ওঠা দিকটি 'পল্লিজননী' কবিতায় কীভাবে প্রতিফলিত হয়েছে? ব্যাখ্যা করো।
- ঘ)(4)
“উদ্দীপকের উক্ত ভাবটি ‘পল্লিজননী' কবিতায় ভিন্ন পরিস্থিতিতে উপস্থাপিত হয়েছে।”— উক্তিটি বিশ্লেষণ করো ।
উত্তর ও ব্যাখ্যা
- খ)
কবিতার মায়ের ছেলে দূরে থাকায় প্রতিবেশীরা তার খবর জানতে চায়। দুঃখিনী মা ছেলের কোনো সংবাদ দিতে না পারায় প্রশ্নের উত্তর দিতে গিয়ে নতুন করে কষ্ট পান। সন্তানের জন্য তাঁর মনের ব্যথা তখন আরও গভীর হয়। তাই প্রতিবেশীদের কৌতূহল তাঁর জ্বালাকে দ্বিগুণ করে তোলে।
- গ)
উদ্দীপকের মা সন্তানকে নিয়ে অপেক্ষা ও উৎকণ্ঠায় থাকেন; ছেলের পড়ালেখা শেষ করে ফেরার পথ চেয়ে তিনি অধীর। ‘পল্লিজননী’ কবিতায়ও পল্লির মা সন্তানের জন্য ব্যাকুল প্রতীক্ষায় থাকেন। দুই ক্ষেত্রেই সন্তানের প্রতি মায়ের গভীর স্নেহ, আকুলতা ও অপেক্ষার দিকটি প্রতিফলিত হয়েছে।
- ঘ)
উদ্দীপকে মায়ের আকুল প্রতীক্ষা আছে ছেলের সাফল্য ও ফিরে আসার আশায়। কবিতাতেও মায়ের সন্তানের জন্য ব্যাকুলতা আছে, কিন্তু পরিস্থিতি ভিন্ন—সেখানে পল্লির দরিদ্র ও দুঃখিনী মায়ের বেদনা, সামাজিক কৌতূহল ও নিঃসঙ্গতার চিত্র ফুটে উঠেছে।
১. অভিন্ন ভাব: দুজন মায়ের মধ্যেই সন্তানের জন্য উদ্বেগ ও অপেক্ষা রয়েছে।
২. পরিস্থিতির ভিন্নতা: উদ্দীপকে অপেক্ষা সুখকর আশার, কবিতায় তা অনেক বেশি বেদনাময়।সুতরাং, মাতৃস্নেহের মূলভাব একই হলেও কবিতায় তা ভিন্ন, বেদনাঘন পরিস্থিতিতে উপস্থাপিত হয়েছে।
আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও