ব্যবসায় উদ্যোগ • Jashore Board • যশোর বোর্ড ২০২২
ব্যবসায় উদ্যোগ প্রশ্ন
ক-ছক | খ-ছক
- বিদ্যালয়ের পুকুরে মাছ চাষ* শিক্ষা সফরের ব্যবস্থা করা* শোপিস তৈরির প্রশিক্ষণ | * বিদ্যালয়ের সামনে ফটোকপির দোকান স্থাপন* পাট থেকে ব্যাগ তৈরি করে বিক্রয়* খাদ্যজাত দ্রব্যাদি উৎপাদন ও বাজারে সরবরাহ
- ক)(1)
উন্নত অবকাঠামোগত উপাদান কী?
- খ)(2)
দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি অর্জনের ক্ষেত্রে অন্যতম বাধাটি ব্যাখ্যা করো।
- গ)(3)
উদ্দীপকে ছক-'ক' এর কর্মকাণ্ডকে কী বলে? বর্ণনা করো।
- ঘ)(4)
আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে ছক-'খ' এর গুরুত্ব মূল্যায়ন করো।
উত্তর ও ব্যাখ্যা
- ক)
উন্নত অবকাঠামোগত উপাদান বলতে শিল্প ও ব্যবসায়ের জন্য প্রয়োজনীয় ভালো রাস্তাঘাট, পর্যাপ্ত বিদ্যুৎ ও গ্যাস সরবরাহ এবং উন্নত পরিবহন ও যোগাযোগ ব্যবস্থাকে বোঝায়।
- খ)
বাংলাদেশে শিল্পোন্নয়ন তথা অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির অন্যতম বাধা অনুন্নত আর্থ-সামাজিক অবকাঠামো। অনুন্নত রাস্তাঘাট, অপর্যাপ্ত বিদ্যুৎ ও গ্যাস সরবরাহ এবং দুর্বল পরিবহন ও যোগাযোগ ব্যবস্থার কারণে কাঁচামাল আনা-নেওয়া ও পণ্য বাজারজাত করা কঠিন হয়, উৎপাদন ব্যয় বাড়ে। এছাড়া দক্ষ শ্রমিকের অভাব ও শ্রমিক অসন্তোষও উন্নয়নের গতি মন্থর করে।
- ঘ)
ছক-‘খ’-এ আছে বিদ্যালয়ের সামনে ফটোকপির দোকান, পাট থেকে ব্যাগ তৈরি ও খাদ্যজাত দ্রব্য উৎপাদন। এগুলো স্বল্প মূলধনের আত্মকর্মসংস্থানমূলক কুটির ও ক্ষুদ্র শিল্পের উদাহরণ। আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে এর গুরুত্ব:
১. কর্মসংস্থান ও বেকারত্ব দূরীকরণ: স্বল্প মূলধনে নিজের ও পরিবারের সদস্যদের কর্মসংস্থান হয়। বিসিক ২০২৪ অনুযায়ী ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্পে প্রায় ৮০ লক্ষ মানুষ কর্মরত।
২. স্থানীয় সম্পদের ব্যবহার: পাটের মতো স্থানীয় কাঁচামাল ব্যবহার হয়, ফলে সম্পদের সদ্ব্যবহার হয় এবং উৎপাদন ব্যয় কম থাকে।
৩. দারিদ্র্য বিমোচন ও নারীর ক্ষমতায়ন: পরিবারের নারী সদস্যরাও আয় করার সুযোগ পায়, গ্রামীণ জনগোষ্ঠীর আয় বাড়ে।
৪. জাতীয় আয় ও ঐতিহ্য রক্ষা: দেশের ৯৬ ভাগ শিল্প কুটির, ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পের আওতাভুক্ত। এগুলো জাতীয় আয় বাড়ায় এবং দেশের ঐতিহ্য রক্ষা করে।সুতরাং, ছক-‘খ’-এর কর্মকাণ্ড দেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও