বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা • Cumilla Board • কুমিল্লা বোর্ড ২০২৫
বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা প্রশ্ন
- ক)(1)
অপরাজেয় বাংলা কীসের প্রতীক?
- খ)(2)
মূল স্মৃতিসৌধে সাত জোড়া দেয়াল মূলত বাঙালির গৌরবময় সংগ্রামের প্রতীকব্যাখ্যা করো।'
- গ)(3)
উদ্দীপকের '?' চিহ্নিত স্থানে যা বসবে তা প্রণয়নের পটভূমি ব্যাখ্যা করো।
- ঘ)(4)
"উক্ত বিষয়টি বাংলাদেশের জনগণের আশা-আকাঙ্ক্ষার প্রতীক হিসেবে বেঁচে থাকবে"- বিশ্লেষণ করো।
উত্তর ও ব্যাখ্যা
- ক)
অপরাজেয় বাংলা বাঙালির মুক্তিযুদ্ধ ও অদম্য সংগ্রামের চেতনার প্রতীক।
- খ)
জাতীয় স্মৃতিসৌধের সাত জোড়া দেয়াল বাঙালির ১৯৫২ থেকে ১৯৭১ সাল পর্যন্ত সংগ্রামের বিভিন্ন পর্যায়ের প্রতীক। এই সময়ে ভাষা আন্দোলন, যুক্তফ্রন্ট নির্বাচন, ছয় দফা, ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থান, সত্তরের নির্বাচন ও মুক্তিযুদ্ধের মতো ঘটনার মাধ্যমে বাঙালি ধাপে ধাপে স্বাধীনতার দিকে এগিয়েছে। সেই গৌরবময় সংগ্রামের ধারাবাহিকতা সাতটি জোড়া দেয়ালে প্রকাশিত হয়েছে।
- গ)
উদ্দীপকের '?' চিহ্নিত স্থানে বসবে বাংলাদেশের সংবিধান। উদ্দীপকে বলা হয়েছে এটি সর্বোচ্চ দলিল, দুষ্পরিবর্তনীয়, এতে চারটি মূলনীতি রয়েছে এবং এটি শহিদদের রক্তে লিখিত।
স্বাধীনতার পর একটি স্থায়ী সংবিধান প্রয়োজন হয়ে পড়ে। ১৯৭২ সালের এপ্রিলে গণপরিষদের অধিবেশন বসে এবং ডা. কামাল হোসেনের নেতৃত্বে খসড়া কমিটি গঠিত হয়। খসড়া ১৯৭২ সালের ৪ঠা নভেম্বর গৃহীত হয় এবং ১৬ই ডিসেম্বর কার্যকর হয়।
- ঘ)
সংবিধান বাংলাদেশের জনগণের আশা-আকাঙ্ক্ষার প্রতীক হিসেবে বেঁচে থাকবে, উক্তিটি যথার্থ।
১. সংবিধানে জাতীয়তাবাদ, সমাজতন্ত্র, গণতন্ত্র ও ধর্মনিরপেক্ষতা—এই চার মূলনীতি রয়েছে, যা মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও জনগণের স্বপ্নের প্রতিফলন।
২. এতে নাগরিকের মৌলিক অধিকার, আইনের চোখে সমতা ও গণতান্ত্রিক শাসনের নিশ্চয়তা দেওয়া হয়েছে।
৩. এটি লাখো শহিদের রক্তে অর্জিত স্বাধীনতার দলিল এবং রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ আইন, যা জনগণের অধিকার ও রাষ্ট্র পরিচালনার ভিত্তি।সুতরাং, সংবিধান জনগণের ত্যাগ, অধিকার ও আদর্শের প্রতীক হিসেবে চিরকাল বেঁচে থাকবে।
আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও