বাংলা ১ম পত্র • Sylhet Board • সিলেট বোর্ড ২০২৪
বাংলা ১ম পত্র প্রশ্ন
শরীফ সাহেবের স্ত্রীর মৃত্যুর পর নিঃসঙ্গ জীবনযাপন করছেন, তিনি নিয়মিত নামাজ-রোজাসহ দীর্ঘদিন মসজিদ ও এতিমখানায় সাহায্য করে আসছেন। প্রয়োজনে অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ান। শরীফ সাহেবের কার্যকলাপ দেখে মুগ্ধ হয়ে পিতৃহীন বালিকা রেশমা তাকে স্বেচ্ছায় বিয়ে করে সুখী হতে চায়।
- ক)(1)
সূর্যাস্ত আইন কত সালে প্রণীত হয়?
- খ)(2)
'শাবাশ মেয়ে তুমি।'- তাহেরাকে এ কথা বলার কারণ কী?
- গ)(3)
উদ্দীপকটি 'বহিপীর' নাটকের মূল বিষয়বস্তুকে ধারণ করে কি? যুক্তিসহ উপস্থাপন করো।
- ঘ)(4)
""বহিপীর' নাটকের বহিপীরের মানসিকতা উদ্দীপকের শরীফ সাহেবের মতো হলে নাটকের পরিণতি ভিন্ন হতো।"- মন্তব্যটি বিশ্লেষণ করো।
উত্তর ও ব্যাখ্যা
- ক)
সূর্যাস্ত আইন ১৭৯৩ সালে প্রণীত হয়।
- খ)
তাহেরা পীরের সঙ্গে বিয়ের বিরুদ্ধে নিজের অবস্থান স্পষ্টভাবে এবং সাহসের সঙ্গে ব্যক্ত করেছে। সে ভয় না পেয়ে সত্য বলেছে এবং নিজের আত্মমর্যাদা রক্ষা করেছে। তার এই সততা ও সাহস দেখেই তাকে ‘শাবাশ মেয়ে’ বলা হয়েছে।
- গ)
উদ্দীপকে ধার্মিক বিপত্নীক শরীফ সাহেবকে পিতৃহীন বালিকা রেশমা নিজের ইচ্ছায় বিয়ে করতে চায়। কিন্তু ‘বহিপীর’ নাটকের মূল বিষয় তাহেরার অনিচ্ছায় পীরের সঙ্গে বিয়ে, ধর্মীয় কুসংস্কার, সামাজিক ভণ্ডামি এবং নারীর স্বাধীনতার প্রশ্ন।
উদ্দীপকে বিয়ে স্বেচ্ছায়, নাটকে তা জোর করে চাপানো। সুতরাং উদ্দীপকটি নাটকের মূল বিষয়বস্তুকে ধারণ করেনি। - ঘ)
উদ্দীপকের শরীফ সাহেব ধর্মপরায়ণ ও মানবিক; তিনি অসহায়দের পাশে দাঁড়ান এবং তাঁর বিয়ে স্বেচ্ছাপ্রণোদিত।
১. বহিপীর যদি শরীফ সাহেবের মতো হতেন, তাহলে অনিচ্ছুক তাহেরার ওপর বিয়ে চাপিয়ে দিতেন না।
২. তাহেরাকে বাড়ি ছেড়ে পালাতে হতো না এবং বজরায় আশ্রয়ের এই নাটকীয় সংকটও তৈরি হতো না।
৩. তাহেরার স্বাধীনতার সংগ্রাম ও হাশেমের সঙ্গে পরিণতিও ভিন্ন হতো।
সুতরাং, বহিপীরের মানসিকতা শরীফ সাহেবের মতো হলে নাটকের পরিণতি ভিন্ন হতো—মন্তব্যটি যথার্থ।
আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও