বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা • Dinajpur Board • দিনাজপুর বোর্ড ২০২৫

বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা প্রশ্ন

ডায়াগ্রাম-১: আকিকা, খতনা, ভাত, মাছ, খিচুড়ি।ডায়াগ্রাম-২: আদিনা মসজিদ, সোনা মসজিদ, ছোট কাটরা, বড় কাটরা, লালবাগের কেল্লা।

  1. ক)

    'লাইলী-মজনু' কাব্যগ্রন্থ কে রচনা করেন?

    (1)
  2. খ)

    মধ্যযুগকে মুঘলদের 'স্বর্ণযুগ' বলা হয় কেন.?

    (2)
  3. গ)

    ডায়াগ্রাম-১ এর শব্দগুলোর সাথে মধ্যযুগের বাংলার কোন সমাজ ও সংস্কৃতির মিল রয়েছে? ব্যাখ্যা করো।

    (3)
  4. ঘ)

    ডায়াগ্রাম-২ এর শিল্পকীর্তিগুলো মধ্যযুপে বাংলার সাংস্কৃতিক জীবনে এক সুদূরপ্রসারী প্রভাব বিস্তার করেছিল- তোমার মতামত বিশ্লেষণ করো।

    (4)

উত্তর ও ব্যাখ্যা

  1. ক)

    'লাইলী-মজনু' কাব্যগ্রন্থের রচয়িতা দৌলত উজির বাহরাম খান।

  2. খ)

    মুঘল আমলে সমগ্র বাংলা কেন্দ্রীয় শাসনের অধীনে এসে রাজনৈতিক ঐক্য ও স্থিতিশীলতা লাভ করে। এ সময় প্রশাসনিক ব্যবস্থা সুসংগঠিত হয়, কৃষি-বাণিজ্য ও শিল্পের উন্নতি ঘটে এবং ঢাকা প্রদেশের রাজধানী হিসেবে সমৃদ্ধ হয়। স্থাপত্য, সাহিত্য ও সংস্কৃতিতেও বিকাশ ঘটে। তাই মুঘল আমলকে মধ্যযুগের স্বর্ণযুগ বলা হয়।

  3. গ)

    ডায়াগ্রাম-১-এর আকিকা, খতনা, ভাত, মাছ ও খিচুড়ি মধ্যযুগের বাংলার মুসলিম সমাজের রীতিনীতি, ধর্মীয় আচার ও খাদ্যাভ্যাসের ইঙ্গিত দেয়।

    আকিকা ও খতনা ইসলামি সামাজিক-ধর্মীয় অনুষ্ঠান, আর ভাত-মাছ ছিল বাংলার প্রধান খাদ্য। খিচুড়ি খাদ্যাভ্যাসে স্থানীয় ও বাইরের প্রভাবের মিশ্রণকে নির্দেশ করে। এভাবে মধ্যযুগের সমাজ ও সংস্কৃতিতে ধর্মীয় রীতি ও আঞ্চলিক ঐতিহ্যের সমন্বয় ফুটে ওঠে।

  4. ঘ)

    ডায়াগ্রাম-২-এর আদিনা মসজিদ, সোনা মসজিদ, ছোট কাটরা, বড় কাটরা ও লালবাগের কেল্লা মধ্যযুগের বাংলার স্থাপত্যকীর্তি।

    ১. এসব স্থাপনায় সুলতানি ও মুঘল স্থাপত্যরীতির সঙ্গে বাংলার স্থানীয় উপকরণ ও রীতির মিলন ঘটেছে।
    ২. মসজিদগুলো ধর্মীয় ও সামাজিক জীবনের কেন্দ্র হয়ে ওঠে; কাটরা ও কেল্লা প্রশাসন, আবাসন ও নিরাপত্তার কেন্দ্র ছিল।
    ৩. এই শিল্পরীতি পরবর্তী স্থাপত্যে প্রভাব ফেলে এবং বাঙালির শিল্পবোধ ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য সমৃদ্ধ করে।

    সুতরাং, এ শিল্পকীর্তিগুলো মধ্যযুগের সাংস্কৃতিক জীবনে সুদূরপ্রসারী প্রভাব ফেলেছিল— মন্তব্যটি যথার্থ।

আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও

সম্পর্কিত প্রশ্ন