বিজ্ঞান • Dinajpur Board • দিনাজপুর বোর্ড ২০২৫
বিজ্ঞান প্রশ্ন
A-কোকুনB-রাবার, প্লাস্টিক, পলিব্যাগ
- ক)(1)
পুন্ড উল কাকে বলে?
- খ)(2)
মেলামাইনকে থার্মোসেটিং প্লাস্টিকস বলা হয় কেন? ব্যাখ্যা কর।
- গ)(3)
'A' বস্তু থেকে সুতা তৈরি করার প্রক্রিয়া ব্যাখ্যা কর।
- ঘ)(4)
পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় দৈনন্দিন জীবনে 'B' যৌগসমূহ ব্যবহারের প্রভাব বিশ্লেষণ কর।
উত্তর ও ব্যাখ্যা
- ক)
মৃত ভেড়ার চামড়া থেকে সংগৃহীত উলকে পুল্ড উল বলে।
- খ)
মেলামাইনকে থার্মোসেটিং প্লাস্টিক বলা হয়, কারণ একবার তাপ দিয়ে ছাঁচে ফেলে আকার দিলে তা শক্ত হয়ে যায় এবং পুনরায় গরম করলেও আর নরম হয় না।
এর অণুগুলো ক্রস-লিংকের মাধ্যমে শক্ত ত্রিমাত্রিক কাঠামো তৈরি করে। তাই এটি গলে না এবং আকারও বদলায় না।
- গ)
'A' হলো কোকুন, অর্থাৎ রেশম পোকার গুটি। এ থেকে রেশম সুতা তৈরির প্রক্রিয়া:
১. রেশম পোকা তুঁত পাতা খেয়ে লালা দিয়ে নিজের চারদিকে গুটি বা কোকুন তৈরি করে।
২. কোকুন সংগ্রহ করে গরম পানিতে সেদ্ধ করা হয়। এতে তন্তুগুলোকে জুড়ে রাখা সেরিসিন নামক আঠালো পদার্থ গলে যায়।
৩. এরপর গুটি থেকে সরু তন্তু খুলে নেওয়া হয় এবং কয়েকটি তন্তু একত্র করে পাকিয়ে রেশম সুতা তৈরি করা হয়।
৪. এই সুতা দিয়ে পরে কাপড় বোনা হয়। - ঘ)
'B' যৌগসমূহ, অর্থাৎ রাবার, প্লাস্টিক ও পলিব্যাগ, দৈনন্দিন জীবনে অত্যন্ত ব্যবহৃত হলেও পরিবেশের ভারসাম্যে এদের প্রভাব বেশিরভাগই নেতিবাচক।
১. প্লাস্টিক ও পলিব্যাগ সহজে পচে না। মাটিতে জমে জমির উর্বরতা কমায় এবং ড্রেন বন্ধ করে জলাবদ্ধতা ঘটায়।
২. এগুলো নদী-সাগরে গিয়ে জলজ প্রাণীর ক্ষতি করে এবং পুড়িয়ে ফেললে বিষাক্ত গ্যাস নির্গত হয়ে বায়ু দূষণ ঘটে।
৩. পুরোনো রাবার ও টায়ার সহজে পচে না, পুড়লে কালো ধোঁয়া ছড়ায়।
৪. তবে এদের পুনর্ব্যবহার, পাট বা কাপড়ের ব্যাগ ব্যবহার এবং আইনের মাধ্যমে নিয়ন্ত্রণ করলে এই ক্ষতি কমানো যায়।সুতরাং, 'B' যৌগসমূহের অপরিমিত ব্যবহার পরিবেশের ভারসাম্য নষ্ট করে, তাই সংযত ব্যবহার জরুরি।
আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও