বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা • Barishal Board • বরিশাল বোর্ড ২০২৪
বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা প্রশ্ন
- ক)(1)
ষাট গম্বুজ মসজিদ কোন জেলায় অবস্থিত?
- খ)(2)
কৃষিকে মধ্যযুগের বাংলার অর্থনৈতিক সমৃদ্ধির মূল উৎস বলা হয় কেন?
- গ)(3)
উদ্দীপকের ছকটি কোন যুগের সামাজিক ও সাংস্কৃতিক জীবনকে নির্দেশ করে? ব্যাখ্যা করো।
- ঘ)(4)
উক্ত সময়ে বাংলায় বস্ত্র শিল্পের অভাবনীয় উন্নতি ঘটেছিল- বিশ্লেষণ করো।
উত্তর ও ব্যাখ্যা
- ক)
ষাট গম্বুজ মসজিদ বাগেরহাট জেলায় অবস্থিত।
- খ)
মধ্যযুগে বাংলার অধিকাংশ মানুষ কৃষির ওপর নির্ভরশীল ছিল। নদীবিধৌত উর্বর মাটি ও অনুকূল জলবায়ুর কারণে ধান, ইক্ষু, তুলা ও অন্যান্য ফসল প্রচুর হতো।
কৃষিপণ্য থেকে মানুষের খাদ্য ও শিল্পের কাঁচামাল আসত এবং উদ্বৃত্ত পণ্য বাইরে রপ্তানি হতো। তাই কৃষিকে অর্থনৈতিক সমৃদ্ধির মূল উৎস বলা হয়। - গ)
উদ্দীপকের ছকটি মধ্যযুগের বাংলার সামাজিক ও সাংস্কৃতিক জীবনকে নির্দেশ করে।
ছক-১ এ মুসলিম সমাজের আশরাফ-আতরাফ-আরজাল এই তিন শ্রেণি, আকিকা, খতনা, মিলাদ এবং আচার, কাবাব, খিচুড়ির মতো খাদ্যাভ্যাস দেখা যায়। ছক-২ এ হিন্দু সমাজের জাতিভেদ, ষষ্ঠী পূজা, কোষ্ঠী গণনা এবং একান্নবর্তী পরিবারের কথা আছে।
সুতরাং, এ সময়ের হিন্দু-মুসলিম সমাজ ও সংস্কৃতির চিত্রই ছকে ফুটে উঠেছে। - ঘ)
মধ্যযুগে বাংলায় বস্ত্রশিল্পের অভাবনীয় উন্নতি ঘটেছিল।
১. কাঁচামাল ও কারিগর: উৎকৃষ্ট তুলা ও রেশম সহজে পাওয়া যেত এবং বাংলার তাঁতিরা অত্যন্ত দক্ষ ছিলেন।
২. বিখ্যাত বস্ত্র: ঢাকা ও সোনারগাঁওয়ের মসলিনসহ সুতি ও রেশমি কাপড় তৈরি হতো। সূক্ষ্মতা ও গুণের জন্য এসব বস্ত্র বিশ্বখ্যাত ছিল।
৩. রপ্তানি: দেশের ভেতরে ও বিদেশে এ বস্ত্রের ব্যাপক চাহিদা ছিল। এশিয়া ও ইউরোপের বাজারে রপ্তানি করে বাংলা প্রচুর আয় করত।
সুতরাং, কাঁচামাল, দক্ষ কারিগর ও রপ্তানির কারণে বস্ত্রশিল্পে বাংলা অভাবনীয় উন্নতি লাভ করে।
আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও