ভূগোল এবং পরিবেশ • Dinajpur Board • দিনাজপুর বোর্ড ২০২৪
ভূগোল এবং পরিবেশ প্রশ্ন
অর্থকরী ফসল | প্রয়োজনীয় তাপমাত্রা (সেলসিয়াস)
L | ১৯০-৩০০
M | ২০০ -৩৫০
N | ১৬০-১৭০
- ক)(1)
বনজ সম্পদ কাকে বলে?
- খ)(2)
একই জমিতে ভিন্ন ভিন্ন ফসল চাষ করা হয় কেন? ব্যাখ্যা করো
- গ)(3)
সারণির 'L' চিহ্নিত ফসল চাষের উপযোগী অবস্থা বর্ণনা করো।
- ঘ)(4)
সারণির 'M' ও 'N' চিহ্নিত ফসল দুটির মধ্যে কোনটি রপ্তানি বাণিজ্যে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে? তোমার মতামত বিশ্লেষণ করো।
উত্তর ও ব্যাখ্যা
- ক)
বনভূমি থেকে যে সম্পদ উৎপাদিত হয় বা পাওয়া যায়, তাকে বনজ সম্পদ বলে।
- খ)
একই জমিতে বারবার একই ফসল চাষ করলে মাটির পুষ্টি ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং কৃষক ফসলের ভালো দাম পান না।
ভিন্ন ভিন্ন ফসল চাষ করলে বিভিন্ন গাছের অংশ জৈব পদার্থ হিসেবে মাটিতে যোগ হয় এবং মাটির পুষ্টির ঘাটতি কমে। ফলে অত্যধিক সার ব্যবহার করতে হয় না। এছাড়া বহু ধরনের ফসল চাষে কৃষক উচ্চ মূল্য পেয়ে লাভবান হন।
- গ)
সারণি অনুযায়ী 'L' ফসলের প্রয়োজনীয় তাপমাত্রা ১৯° থেকে ৩০° সেলসিয়াস। এটি ইক্ষু।
ইক্ষু চাষের উপযোগী অবস্থা:
১. তাপমাত্রা: ১৯° থেকে ৩০° সেলসিয়াস।
২. বৃষ্টিপাত: কমপক্ষে ১৫০ সেন্টিমিটার।
৩. ভূমি: চাষের জন্য সমতলভূমি প্রয়োজন।
৪. মাটি: বেলে দোআঁশ ও কর্দমময় দোআঁশ মাটিতে চাষ ভালো হয়।
৫. অঞ্চল: রাজশাহী, রংপুর, দিনাজপুর, পাবনা, কুষ্টিয়া, ফরিদপুর, ঢাকা, যশোর ও ময়মনসিংহ প্রধান চাষাঞ্চল। - ঘ)
সারণির 'M' (২০°–৩৫° সেলসিয়াস) হলো পাট এবং 'N' (১৬°–১৭° সেলসিয়াস) হলো চা। আমার মতে, রপ্তানি বাণিজ্যে পাট গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
১. প্রধান অর্থকরী ফসল: পাট বাংলাদেশের প্রধান অর্থকরী ফসল। কাঁচাপাট ও পাটজাত পণ্য দুটিই রপ্তানি হয়।
২. ব্যাপক উৎপাদন: রংপুর, ময়মনসিংহ, ফরিদপুর, কুমিল্লা, যশোর, ঢাকা, কুষ্টিয়া, জামালপুর, টাঙ্গাইল, পাবনা প্রভৃতি বহু জেলায় নদী অববাহিকার পলিযুক্ত দোআঁশ মাটিতে পাট চাষ ভালো হয়। তাই রপ্তানির জন্য পর্যাপ্ত জোগান থাকে।
৩. চায়ের সীমাবদ্ধতা: চায়ের বেশিরভাগ বিদেশে রপ্তানি হয়, কিন্তু পানি নিষ্কাশনবিশিষ্ট ঢালু জমি প্রয়োজন বলে এর চাষ প্রধানত মৌলভীবাজার, হবিগঞ্জ, সিলেট ও কয়েকটি পাহাড়ি এলাকায় সীমাবদ্ধ।সুতরাং, উৎপাদন এলাকার ব্যাপকতা ও রপ্তানিযোগ্য পণ্যের বৈচিত্র্যের কারণে পাটই রপ্তানি বাণিজ্যে বেশি ভূমিকা রাখে, যদিও চা-ও গুরুত্বপূর্ণ।
আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও