পৌরনীতি ও নাগরিকতা • Chattogram Board • চট্টগ্রাম বোর্ড ২০২৫

পৌরনীতি ও নাগরিকতা প্রশ্ন

  1. ক)

    পরোক্ষ নির্বাচন কাকে বলে

    (1)
  2. খ)

    রাষ্ট্রপতির পদমর্যাদা ব্যাখ্যা করো।

    (2)
  3. গ)

    ছকে "?" চিহ্নিত স্থান দ্বারা যে বিষয়টি নির্দেশিত হয়েছে তার গঠন ব্যাখ্যা করো।

    (3)
  4. ঘ)

    তুমি কি মনে কর, বর্তমান প্রতিনিধিত্বমূলক গণতন্ত্রে উক্ত বিষয়ের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ? মতামত দাও।

    (4)

উত্তর ও ব্যাখ্যা

  1. ক)

    যে নির্বাচনে জনগণ প্রথমে প্রতিনিধি নির্বাচন করে এবং সেই নির্বাচিত প্রতিনিধিরা পরে কোনো পদের জন্য ব্যক্তি নির্বাচিত করেন, তাকে পরোক্ষ নির্বাচন বলে।

  2. খ)

    রাষ্ট্রপতি বাংলাদেশের রাষ্ট্রপ্রধান এবং রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ পদাধিকারী। তিনি সংসদ সদস্যদের দ্বারা নির্বাচিত হন এবং সশস্ত্র বাহিনীর সর্বাধিনায়ক। সংসদীয় ব্যবস্থায় তিনি নামমাত্র শাসক এবং রাষ্ট্রের সকল শাসনকার্য তাঁর নামে পরিচালিত হয়। তবে প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রিসভার পরামর্শে তিনি কাজ করেন।

  3. গ)

    ছকে সরকারের তিনটি বিভাগের মধ্যে আইনবিভাগ ও শাসনবিভাগ দেখানো আছে। তাই '?' চিহ্নিত স্থানটি বিচার বিভাগকে নির্দেশ করে। বাংলাদেশে বিচার বিভাগের গঠন নিম্নরূপ।

    ১. সুপ্রিম কোর্ট: এটি দেশের সর্বোচ্চ আদালত। এর দুটি বিভাগ রয়েছে, হাইকোর্ট বিভাগ ও আপিল বিভাগ।
    ২. বিচারপতি নিয়োগ: রাষ্ট্রপতি প্রধান বিচারপতিকে নিয়োগ দেন এবং প্রধান বিচারপতির সাথে পরামর্শ করে অন্যান্য বিচারপতিকে নিয়োগ দেন।
    ৩. অধস্তন আদালত: জেলা জজ আদালত ও অন্যান্য নিম্ন আদালত, যেমন দায়রা জজ, ম্যাজিস্ট্রেট আদালত ইত্যাদি।
    ৪. বিশেষ আদালত: বিশেষ ধরনের মামলার জন্য ট্রাইব্যুনাল গঠিত হয়।

    এভাবে স্তরে স্তরে সাজানো আদালত নিয়ে বিচার বিভাগ গঠিত।

  4. ঘ)

    হ্যাঁ, আমি মনে করি প্রতিনিধিত্বমূলক গণতন্ত্রে বিচার বিভাগের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। প্রতিনিধিত্বমূলক গণতন্ত্রে জনগণের নির্বাচিত প্রতিনিধিরা রাষ্ট্র পরিচালনা করেন। সেখানে ক্ষমতার অপব্যবহার রোধ ও জনগণের অধিকার রক্ষায় বিচার বিভাগই ভরসা।

    ১. অধিকার সংরক্ষণ: নির্বাচিত সরকার কোনো নাগরিকের মৌলিক অধিকার লঙ্ঘন করলে আদালত তা রক্ষা করে।
    ২. সংবিধানের রক্ষা: সংবিধানবিরোধী আইন বা সিদ্ধান্ত বাতিল করে আদালত গণতান্ত্রিক কাঠামো রক্ষা করে।
    ৩. ক্ষমতার ভারসাম্য: আইন ও শাসন বিভাগের কার্যক্রমের বৈধতা যাচাই করে স্বৈরাচারী প্রবণতা ঠেকায়।
    ৪. আইনের শাসন: সবাইকে আইনের অধীনে এনে ন্যায়বিচার নিশ্চিত করে, ফলে গণতন্ত্রের প্রতি জনগণের আস্থা বাড়ে।

    সুতরাং, প্রতিনিধিত্বমূলক গণতন্ত্র সফল করতে স্বাধীন ও নিরপেক্ষ বিচার বিভাগের ভূমিকা অপরিহার্য।

আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও

সম্পর্কিত প্রশ্ন