বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা • Dinajpur Board • দিনাজপুর বোর্ড ২০২৩
বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা প্রশ্ন
- ক)(1)
মুজিবনগর সরকার কত তারিখে গঠিত হয়?
- খ)(2)
বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে প্রবাসী বাঙালিদের ভূমিকা ব্যাখ্যা করো
- গ)(3)
ছক 'ক' এ নির্দেশিত বিষয়টি কীসের প্রতিচ্ছবি বহন করে? তার ইতিহাস ব্যাখ্যা করো।
- ঘ)(4)
ছক 'খ' এ উল্লিখিত বিষয়টি বাঙালির অহংকার, গৌরব আর মর্যাদার প্রতীক- বিশ্লেষণ করো।
উত্তর ও ব্যাখ্যা
- ক)
মুজিবনগর সরকার ১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল গঠিত হয়।
- খ)
মুক্তিযুদ্ধের সময় প্রবাসী বাঙালিরা বিশ্বের বিভিন্ন দেশে বাংলাদেশের পক্ষে জনমত গড়ে তুলেছেন। তাঁরা সভা-সমাবেশ, বিক্ষোভ ও প্রচারের মাধ্যমে পাকিস্তানি গণহত্যার তথ্য তুলে ধরেছেন।
এ ছাড়া তাঁরা মুক্তিযুদ্ধের জন্য অর্থ সংগ্রহ করে পাঠিয়েছেন এবং বিভিন্ন দেশের সরকার ও সংগঠনের সমর্থন আদায়ে কাজ করেছেন। - গ)
ছক 'ক' জাতীয় পতাকার প্রতিচ্ছবি বহন করে। ছকে পটুয়া কামরুল হাসান, লাল-সবুজ রং এবং জাতির আশা-আকাঙ্ক্ষার প্রতীক, এ তথ্য দেওয়া আছে।
ইতিহাস: ১৯৭১ সালের ২ মার্চ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রথম স্বাধীন বাংলার পতাকা ওড়ানো হয়, যাতে সবুজ জমিনে লাল বৃত্তের মাঝে হলুদ রঙের বাংলাদেশের মানচিত্র ছিল। স্বাধীনতার পর ১৯৭২ সালে মানচিত্র বাদ দিয়ে পটুয়া কামরুল হাসানের পরিমার্জিত নকশা অনুযায়ী বর্তমান পতাকা গৃহীত হয়।
সুতরাং, বর্তমান পতাকা জাতির আশা-আকাঙ্ক্ষার প্রতীক। - ঘ)
ছক 'খ' এর বিষয়টি জাতীয় স্মৃতিসৌধ। স্থপতি মইনুল হোসেনের নকশায় নির্মিত সাত জোড়া দেয়ালের এ সৌধটি আন্দোলন ও সংগ্রামের প্রতীক এবং বাঙালির অহংকার, গৌরব ও মর্যাদার চিহ্ন।
১. শহীদদের স্মৃতি: মুক্তিযুদ্ধে শহীদদের আত্মত্যাগকে এটি চিরস্মরণীয় করে রেখেছে।
২. সংগ্রামের ধারা: সাতটি জোড়া দেয়াল ১৯৫২ থেকে ১৯৭১ পর্যন্ত বাঙালির সাতটি গুরুত্বপূর্ণ আন্দোলন ও সংগ্রামের পর্যায়কে স্মরণ করিয়ে দেয়।
৩. জাতীয় চেতনা: প্রতি বছর ২৬ মার্চ ও ১৬ ডিসেম্বরে জাতি এখানে শ্রদ্ধা জানায়, যা দেশপ্রেম ও ঐক্যকে জাগ্রত করে।
সুতরাং, জাতীয় স্মৃতিসৌধ বাঙালির অহংকার, গৌরব ও মর্যাদার প্রতীক।
আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও