পৌরনীতি ও নাগরিকতা • Cumilla Board • কুমিল্লা বোর্ড ২০২৩

পৌরনীতি ও নাগরিকতা প্রশ্ন

সংস্থা-১ | সংস্থা -২
১৯৪৯ সালে জন্ম | ১৯৪৫ সালে জন্ম
বর্তমান সদস্য সংখ্যা ৫৪ | বর্তমান সদস্য সংখ্যা ১৯৩
সদর দপ্তর লন্ডন | সদর দপ্তর নিউইয়র্ক

  1. ক)

    SAARC-এর পূর্ণরূপ লেখো।

    (1)
  2. খ)

    ওআইসি গঠন করা হয়েছিল কেন?

    (2)
  3. গ)

    সংস্থা-১ কোন আন্তর্জাতিক সংস্থাকে নির্দেশ করে? ব্যাখ্যা করো।

    (3)
  4. ঘ)

    বিশ্বশান্তি ও নিরাপত্তা রক্ষায় সংস্থা-২ এর কোনো বিকল্প নেই- তুমি কি এ বক্তব্যের সাথে একমত? বিশ্লেষণপূর্বক মতামত দাও।

    (4)

উত্তর ও ব্যাখ্যা

  1. ক)

    SAARC-এর পূর্ণরূপ হলো South Asian Association for Regional Cooperation (সার্ক)।

  2. খ)

    মুসলিম বিশ্বের ঐক্য, সংহতি ও স্বার্থ রক্ষার উদ্দেশ্যে ওআইসি (OIC—Organisation of Islamic Cooperation) গঠন করা হয়েছিল। ১৯৬৯ সালে জেরুজালেমের আল-আকসা মসজিদে অগ্নিসংযোগের ঘটনার প্রেক্ষাপটে মুসলিম রাষ্ট্রগুলো ঐক্যবদ্ধ হয়ে এটি গঠন করে। এর লক্ষ্য মুসলমানদের পবিত্র স্থানসমূহ রক্ষা এবং সদস্য রাষ্ট্রগুলোর মধ্যে সহযোগিতা বৃদ্ধি করা।

  3. গ)

    উদ্দীপকের সংস্থা-১ ১৯৪৯ সালে গঠিত, বর্তমান সদস্য ৫৪ এবং সদর দপ্তর লন্ডনে। এই বৈশিষ্ট্যগুলো কমনওয়েলথ (Commonwealth of Nations)-এর সঙ্গে মেলে।

    কমনওয়েলথ মূলত ব্রিটিশ উপনিবেশ ছিল এমন স্বাধীন রাষ্ট্রগুলোর সংগঠন। এর সদস্য রাষ্ট্রগুলো পারস্পরিক সহযোগিতা, গণতন্ত্র, মানবাধিকার ও অর্থনৈতিক উন্নয়নের লক্ষ্যে কাজ করে। এর সদর দপ্তর লন্ডনে অবস্থিত। অতএব, সংস্থা-১ কমনওয়েলথকে নির্দেশ করে।

  4. ঘ)

    সংস্থা-২ হলো জাতিসংঘ (UN), যা ১৯৪৫ সালে গঠিত, বর্তমান সদস্য ১৯৩ এবং সদর দপ্তর নিউইয়র্কে। আমি বক্তব্যটির সাথে একমত।

    ১. শান্তিরক্ষা কার্যক্রম: জাতিসংঘ বিভিন্ন সংঘাতপ্রবণ অঞ্চলে শান্তিরক্ষী বাহিনী পাঠিয়ে যুদ্ধবিরতি ও শান্তি প্রতিষ্ঠায় কাজ করে।
    ২. নিরাপত্তা পরিষদ: আন্তর্জাতিক শান্তি ও নিরাপত্তা রক্ষার প্রধান দায়িত্ব নিরাপত্তা পরিষদের। এটি আলোচনা, নিষেধাজ্ঞা আরোপ ও প্রয়োজনে সামরিক ব্যবস্থার মাধ্যমে বিরোধ নিষ্পত্তি করে।
    ৩. বিশ্বজনীন প্রতিনিধিত্ব: প্রায় সব স্বীকৃত রাষ্ট্র এর সদস্য হওয়ায় এটি বিরোধ নিরসনে একটি সর্বজনগ্রাহ্য মঞ্চ।
    ৪. নিরস্ত্রীকরণ ও সহযোগিতা: নিরস্ত্রীকরণ, মানবাধিকার রক্ষা ও মানবিক সহায়তার মাধ্যমে এটি দীর্ঘমেয়াদি শান্তিতে ভূমিকা রাখে।

    সুতরাং, বিশ্বশান্তি ও নিরাপত্তা রক্ষায় জাতিসংঘের কার্যকর বিকল্প নেই।

আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও

সম্পর্কিত প্রশ্ন