বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা • Barishal Board • বরিশাল বোর্ড ২০২৫
বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা প্রশ্ন
i. ছোট কাটরা ii. হোসেনী দালান iii. লালবাগের কেল্লা
- ক)(1)
'মনসা মঙ্গল' কাব্য রচনা করেছিলেন কে?
- খ)(2)
'এক লাখি মসজিদ'-এর নামকরণের ইতিহাস কী ছিল?
- গ)(3)
উদ্দীপকের ছকটি বাংলার কোন শাসন আমলকে নির্দেশ করছে? ব্যাখ্যা করো।
- ঘ)(4)
উক্ত শাসন আমলের শিল্পকীর্তিসমূহ বাংলার সাংস্কৃতিক জীবনে এক সুদূরপ্রসারী প্রভাব বিস্তার করেছিল- বিশ্লেষণ করো।
উত্তর ও ব্যাখ্যা
- ক)
‘মনসামঙ্গল’ কাব্যের অন্যতম রচয়িতা বিজয়গুপ্ত।
- খ)
পাণ্ডুয়ার একলাখি মসজিদ বা সমাধির নামকরণের পেছনে মনে করা হয়, এটি নির্মাণে এক লক্ষ টাকা ব্যয় হয়েছিল। তাই ভবনটি ‘একলাখি’ নামে পরিচিত।
- গ)
উদ্দীপকের ছোট কাটরা, হোসেনী দালান ও লালবাগের কেল্লা বাংলার মুঘল শাসন আমলকে নির্দেশ করছে।
ছোট কাটরা ও লালবাগের কেল্লা সুবাদার শায়েস্তা খানের আমলের সঙ্গে সম্পর্কিত এবং ঢাকায় এসব স্থাপনা মুঘল স্থাপত্যের নিদর্শন। হোসেনী দালানও মুঘল আমলে ঢাকায় নির্মিত। এই স্থাপনাগুলো মুঘল শাসনামলের স্থাপত্যশিল্পের পরিচয় বহন করে। - ঘ)
মুঘল আমলের শিল্পকীর্তি বাংলার সাংস্কৃতিক জীবনে সুদূরপ্রসারী প্রভাব ফেলেছিল।
১. স্থাপত্য: লালবাগের কেল্লা, ছোট কাটরা, বড় কাটরা ও বিভিন্ন মসজিদ ঢাকাকে সমৃদ্ধ নগরে পরিণত করে এবং বাংলার স্থাপত্যরীতিতে মুঘল ধারা যুক্ত করে।
২. বয়নশিল্প: ঢাকার মসলিন বিশ্বখ্যাত হয় এবং বাংলার অর্থনীতি ও সংস্কৃতিতে তার প্রভাব পড়ে।
৩. সাংস্কৃতিক মিলন: হিন্দু-মুসলিম ও মুঘল সংস্কৃতির মিলনে নতুন স্থাপত্য, পোশাক ও খাদ্যাভ্যাস গড়ে ওঠে।
সুতরাং, মুঘল শিল্পকীর্তি বাংলার সংস্কৃতিতে দীর্ঘস্থায়ী প্রভাব রেখেছে।
আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও