বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা • Cumilla Board • কুমিল্লা বোর্ড ২০২৪

বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা প্রশ্ন

মায়ানমারের স্বাধীনতা সংগ্রামের অন্যতম নেতা ছিলেন অংসান। ইয়াংগুন বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হয়ে সক্রিয় রাজনীতি করায় তিনি একজন ছাত্র নেতায় পরিণত হন। পরবর্তীতে তিনি 'AFPL' পাটি প্রতিষ্ঠা করেন। ১৯৪৭ সালে মায়ানমারের আইনসভার নির্বাচনে AFPL. পার্টি নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করে এবং অংসান অস্থায়ী সরকারের প্রধান হন। তার প্রতিষ্ঠিত AFPL' মায়ানমারের স্বাধীনতা সংগ্রামের নেতৃত্ব দেয়। স্বাধীনতা আন্দোলনের এ নেতা ১৯৪৭ সালে আততায়ীর হাতে নিহত হন।

  1. ক)

    বজাবন্ধু কখন স্বদেশ প্রত্যাবর্তন করেন?

    (1)
  2. খ)

    বাংলাদেশের সংবিধানকে দুষ্পরিবর্তনীয় বলা হয় কেন? ব্যাখ্যা করো।

    (2)
  3. গ)

    উদ্দীপকে উল্লিখিত নেতার সাথে বাংলাদেশের কোন নেতার রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের মিল লক্ষ করা যায়? ব্যাখ্যা করো।

    (3)
  4. ঘ)

    "যুদ্ধ-বিধ্বস্ত দেশ পুনর্গঠনে উক্ত নেতার অবদান অনস্বীকার্য"- বিশ্লেষণ করো।

    (4)

উত্তর ও ব্যাখ্যা

  1. ক)

    ১৯৭২ সালের ১০ জানুয়ারি বঙ্গবন্ধু স্বদেশে প্রত্যাবর্তন করেন।

  2. খ)

    বাংলাদেশের সংবিধানকে দুষ্পরিবর্তনীয় বলা হয় কারণ এটি সহজে সংশোধন করা যায় না। সংবিধান সংশোধনের জন্য জাতীয় সংসদের মোট সদস্যের অন্তত দুই-তৃতীয়াংশের ভোট প্রয়োজন হয় এবং রাষ্ট্রপতির সম্মতি লাগে। সাধারণ আইনের মতো অল্প ভোটে এটি পরিবর্তন করা যায় না। এতে সংবিধানের স্থায়িত্ব ও মর্যাদা রক্ষা পায়।

  3. গ)

    উদ্দীপকের অংসান ছাত্র নেতা থেকে দল প্রতিষ্ঠা করে স্বাধীনতা সংগ্রামের নেতৃত্ব দেন, নির্বাচনে সংখ্যাগরিষ্ঠতা পান এবং আততায়ীর হাতে নিহত হন। বাংলাদেশের বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে এর মিল আছে।
    বঙ্গবন্ধুও ছাত্ররাজনীতি থেকে উঠে এসে আওয়ামী লীগ প্রতিষ্ঠায় ভূমিকা রাখেন। ১৯৭০-এর নির্বাচনে তাঁর দল নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা পায়। তিনি স্বাধীনতা সংগ্রামে নেতৃত্ব দেন এবং ১৯৭৫ সালে আততায়ীর হাতে নিহত হন।

  4. ঘ)

    বঙ্গবন্ধু স্বাধীনতার পর যুদ্ধবিধ্বস্ত বাংলাদেশ পুনর্গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন।
    ১. তিনি লাখ লাখ শরণার্থীর পুনর্বাসন করেন এবং ১২ মার্চ ১৯৭২-এর মধ্যে ভারতীয় মিত্রবাহিনীকে ফেরত পাঠান।
    ২. ১৯৭২ সালে সংবিধান প্রণয়ন করে দেশে সাংবিধানিক শাসন প্রতিষ্ঠা করেন।
    ৩. তিনি প্রশাসন ও অর্থনীতি পুনর্গঠন, ব্যাংক-শিল্প জাতীয়করণ এবং বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থায় সদস্যপদ লাভের উদ্যোগ নেন।
    সুতরাং, যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশ পুনর্গঠনে বঙ্গবন্ধুর অবদান অনস্বীকার্য।

আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও

সম্পর্কিত প্রশ্ন