ভূগোল এবং পরিবেশ • Dhaka Board • ঢাকা বোর্ড ২০২৬
ভূগোল এবং পরিবেশ প্রশ্ন
- ক)(1)
মোহনা কাকে বলে?
- খ)(2)
নদী জীবনচক্রের চূড়ান্ত পর্যায়ের গতি কেমন? ব্যাখ্যা করো।
- গ)(3)
চিত্র-২ এর ভূমিরূপটি ব্যাখ্যা করো।
- ঘ)(4)
চিত্র-১-এর ভূমিরূপ এবং বাংলাদেশের ভূমিরূপ একই ধরনের কি না? মতামত দাও।
উত্তর ও ব্যাখ্যা
- ক)
নদী যে স্থানে সাগরে এসে মিলিত হয়, সেই স্থানকে মোহনা বলে।
- খ)
নদীর জীবনচক্রের চূড়ান্ত পর্যায় হলো নিম্নগতি। এ অবস্থায় স্রোত একেবারে কমে যায়। নিম্নক্ষয় বন্ধ হয়ে যায় এবং পার্শ্বক্ষয় সামান্য হয়। নদী উপত্যকা খুব চওড়া ও অগভীর হয়। স্রোতের বেগ কম থাকায় বালুকণা ও কাদা নদীগর্ভে ও মোহনায় সঞ্চিত হয়।
- ঘ)
চিত্র-১ এ নদী বয়ে যাওয়া বিস্তীর্ণ সমতলভূমি, অর্থাৎ সমভূমি দেখা যাচ্ছে। বাংলাদেশের ভূমিরূপও প্রধানত এই ধরনের।
১. গঠন: বাংলাদেশের অধিকাংশ অঞ্চল গঙ্গা, ব্রহ্মপুত্র ও মেঘনার বয়ে আনা পলি সঞ্চিত হয়ে গঠিত সঞ্চয়জাত সমভূমি। চিত্র-১ এর ভূমিরূপও নদীর সঞ্চয়ে গঠিত সমভূমির মতো।
২. ব-দ্বীপ ও প্লাবনভূমি: নদীর পলি অবক্ষেপণে প্লাবন সমভূমি ও ব-দ্বীপ সৃষ্টি হয়। গঙ্গা ও পদ্মার ব-দ্বীপ অঞ্চলে বাংলাদেশের দক্ষিণাংশ অবস্থিত।
৩. ব্যতিক্রম: পার্বত্য চট্টগ্রামের মতো কিছু অঞ্চল পাহাড়ি, তবে দেশের বিশাল অংশই সমতল।সুতরাং, চিত্র-১ এর ভূমিরূপ এবং বাংলাদেশের ভূমিরূপ একই ধরনের, অর্থাৎ সমভূমি।
আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও