ভূগোল এবং পরিবেশ • Sylhet Board • সিলেট বোর্ড ২০২৪

ভূগোল এবং পরিবেশ প্রশ্ন

নদীর গতি | অবস্থা/ কাজ
A | ক্ষয় সাধন ও পরিবহন
B | বিস্তার বেশি, গভীরতা কম
C | স্রোত কমে যায়, নদী উপত্যাকা চওড়া ও অগভীর হয়।

  1. ক)

    শিলা কাকে বলে?

    (1)
  2. খ)

    তিব্বত কোন ধরনের মালভূমি? ব্যাখ্যা করো।

    (2)
  3. গ)

    উদ্দীপকের 'C' চিহ্নিত গতিপথের বর্ণনা দাও।

    (3)
  4. ঘ)

    'A' ও 'B' গতি পথদ্বয়ের মধ্যে কোনটিতে বাংলাদেেশর অধিকাংশ ভূমিরূপ গঠিত হয়েছে? বিশ্লেষণসহ মতামত দাও।

    (4)

উত্তর ও ব্যাখ্যা

  1. ক)

    ভূত্বক গঠনকারী সকল কঠিন ও কোমল পদার্থকে শিলা বলে। যেমন, নুড়ি, কাঁকর, গ্রানাইট, কাদা, বালি।

  2. খ)

    তিব্বত একটি পর্বতমধ্যবর্তী মালভূমি। এই ধরনের মালভূমি চারদিকে পর্বতবেষ্টিত থাকে। তিব্বতের উত্তরে কুনলুন ও দক্ষিণে হিমালয় পর্বত এবং পূর্ব-পশ্চিমেও পর্বত ঘিরে আছে। বলিভিয়া, মেক্সিকো, মঙ্গোলিয়া ও তারিমও এ ধরনের মালভূমি।

  3. গ)

    উদ্দীপকের 'C' হলো নদীর নিম্নগতি, কারণ এখানে স্রোত কমে যায় এবং উপত্যকা চওড়া ও অগভীর হয়।

    নিম্নগতি নদীর জীবনচক্রের শেষ পর্যায়। এ অবস্থায় স্রোত একবারে কমে যায়, নিম্নক্ষয় বন্ধ হয় এবং পার্শ্বক্ষয় অল্প হয়। নদী উপত্যকা খুব চওড়া ও অগভীর হয়। স্রোতের বেগ কমে যাওয়ায় বালি ও কাদা নদীগর্ভে ও মোহনায় সঞ্চিত হয়। বর্ষায় পানি দুই কূল ছাপিয়ে নদী প্রশস্ত হয়ে ওঠে।

  4. ঘ)

    উদ্দীপকের 'A' হলো ঊর্ধ্বগতি (ক্ষয়সাধন ও পরিবহন) এবং 'B' হলো মধ্যগতি (বিস্তার বেশি, গভীরতা কম)। আমার মতে বাংলাদেশের অধিকাংশ ভূমিরূপ 'B' অর্থাৎ মধ্যগতিতে গঠিত হয়েছে।

    ১. ঊর্ধ্বগতি পার্বত্য অঞ্চলে ঘটে, যেখানে নদী ক্ষয় করে 'ভি' আকৃতির উপত্যকা ও গিরিখাত তৈরি করে। বাংলাদেশের অধিকাংশ ভূমি পার্বত্য নয়।
    ২. মধ্যগতিতে নদী সমভূমির ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয়, তার বিস্তার বাড়ে ও গভীরতা কমে এবং সঞ্চয় কাজ শুরু হয়।
    ৩. এ গতিতে নদীর দুই দিকের নিম্নভূমি পলি দ্বারা ভরাট হয়ে প্রায় সমতল প্লাবন সমভূমিতে পরিণত হয়। বাংলাদেশের অধিকাংশ স্থানই এরূপ বিস্তীর্ণ প্লাবন সমভূমি।

    সুতরাং, বাংলাদেশের অধিকাংশ ভূমিরূপ 'B' গতিপথে সৃষ্ট।

আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও

সম্পর্কিত প্রশ্ন