বাংলা ১ম পত্র • Dhaka Board • ঢাকা বোর্ড ২০২৬

বাংলা ১ম পত্র প্রশ্ন

দৃশ্যকল্প-১: “বৃষ্টি এলো কাশবনে
জাগলো সাড়া ঘাসবনে
বকের সারি কোথায় রে
লুকিয়ে গেল বাঁশবনে।
নদীতে নাই খেয়া যে
ডাকলো দূরে দেয়া যে।”
দৃশ্যকল্প-২: “বুকের গহীনে লুকিয়ে আছে
এক কন জলকণা হাসি
বৃষ্টির মায়ায় সজীব হয়ে ওঠে
শব্দ হারা হৃদয়ের বাসি।”

  1. ক)

    বৃষ্টির স্পর্শ পেতে চায় কে?

    (1)
  2. খ)

    “বর্ষণমুখর দিনে অরণ্যের কেয়া শিহরায়” কেন? ব্যাখ্যা করো।

    (2)
  3. গ)

    দৃশ্যকল্প-১ এর সঙ্গে ‘বৃষ্টি’ কবিতার সাদৃশ্যপূর্ণ দিকটি বর্ণনা করো।

    (3)
  4. ঘ)

    দৃশ্যকল্প-১ ও ২ ‘বৃষ্টি’ কবিতার সমগ্র বিষয়ের প্রতিফলন কি? তোমার উত্তরের সপক্ষে যুক্তি দাও।

    (4)

উত্তর ও ব্যাখ্যা

  1. ক)

    কবিতার কথক (কবি) বৃষ্টির স্পর্শ পেতে চান।

  2. খ)

    বর্ষার বৃষ্টি নামলে প্রকৃতি সজীব হয়ে ওঠে। বৃষ্টির ছোঁয়ায় বনের গাছপালা ও ফুল যেন আনন্দে কেঁপে ওঠে। কেয়া ফুল বর্ষার প্রতীকী ফুল, তাই বর্ষণমুখর দিনে তার সৌন্দর্য ও সুবাস আরও প্রাণবন্ত হয়। এই শিহরণ প্রকৃতির আনন্দ ও সজীবতার প্রকাশ।

  3. গ)

    দৃশ্যকল্প-১-এ বৃষ্টি নামার পর কাশবন, ঘাসবন ও বাঁশবনের সাড়া, বকের সারির আড়াল হওয়া, নদীতে খেয়া না থাকা এবং দূরে মেঘের ডাকের বর্ণনা আছে। এটি বর্ষার প্রকৃতির চিত্র।
    ‘বৃষ্টি’ কবিতাতেও বর্ষণমুখর প্রকৃতির রূপ ও তার প্রভাব ফুটে উঠেছে। সুতরাং সাদৃশ্যের দিকটি হলো বর্ষার প্রাকৃতিক সৌন্দর্য ও পরিবেশের বর্ণনা।

  4. ঘ)

    দৃশ্যকল্প-১-এ বর্ষার বাইরের প্রকৃতির চিত্র এবং দৃশ্যকল্প-২-এ বৃষ্টির মায়ায় হৃদয়ের সজীব হয়ে ওঠার কথা আছে। এই দুই দিক মিলে ‘বৃষ্টি’ কবিতার প্রকৃতিচিত্র ও মনের ওপর বৃষ্টির প্রভাবকে অনেকাংশে ধারণ করে।
    ১. দৃশ্যকল্প-১ কবিতার বর্ষার প্রাকৃতিক রূপকে তুলে ধরেছে।
    ২. দৃশ্যকল্প-২ বৃষ্টির স্পর্শে মানবহৃদয়ে আনন্দ ও সজীবতার দিকটি প্রকাশ করেছে।
    ৩. তবে কবিতার আরও সূক্ষ্ম অনুভূতি, বর্ণনার বিস্তার ও কাব্যিক ব্যঞ্জনা উদ্দীপকে পুরোপুরি আসেনি।
    সুতরাং, উদ্দীপকের দুটি দৃশ্যকল্প কবিতার মূল বিষয়কে ধারণ করলেও সমগ্র রূপকে পুরোপুরি প্রতিফলিত করেনি।

আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও

সম্পর্কিত প্রশ্ন