পৌরনীতি ও সুশাসন ২য় পত্র • Jashore Board • যশোর বোর্ড ২০২২
পৌরনীতি ও সুশাসন ২য় পত্র প্রশ্ন
সম্প্রীতির জনাব সেলিনা ইসলাম বাংলাদেশের একটি সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানের প্রধান হিসেবে রাষ্ট্রপতি কর্তৃক নিয়োগ লাভ করেছেন । প্রতিষ্ঠানটি অবাধ, সুষ্ঠু নিরপেক্ষ ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন করতে অঙ্গীকারবদ্ধ। সুশীল সমাজ মনে করে উক্ত প্রতিষ্ঠানের নিরপেক্ষ ভূমিকার দেশে গণতান্ত্রিক পরিবেশ ফিরে আসতে পারে।
- ক)(1)
ACC- এর পূর্ণরূপ কী?
- খ)(2)
জলবায়ু পরিবর্তনের দুটি কারণ উল্লেখ কর।
- গ)(3)
উদ্দীপকে জনাব সেলিনা ইসলাম বাংলাদেশের কোন সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানে প্রধান হিসেবে কর্মরত? ব্যাখ্যা কর।
- ঘ)(4)
সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ এবং গ্রহণযোগ্য নির্বাচন অনুষ্ঠানে উক্ত প্রতিষ্ঠানের ভূমিকা মূল্যায়ন কর।
উত্তর ও ব্যাখ্যা
- ক)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
ACC-এর পূর্ণরূপ হলো Anti-Corruption Commission (দুদক বা দুর্নীতি দমন কমিশন)।
- খ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
জলবায়ু পরিবর্তনের প্রধান দুটি কারণ নিচে উল্লেখ করা হলো:
১. জীবাশ্ম জ্বালানি (কয়লা, তেল, প্রাকৃতিক গ্যাস) পোড়ানোর ফলে বায়ুমণ্ডলে প্রচুর পরিমাণে গ্রিনহাউস গ্যাস (যেমন- কার্বন ডাই-অক্সাইড) বৃদ্ধি পাওয়া।
২. ব্যাপক হারে বনভূমি ও গাছপালা কেটে ফেলা (বন উজাড়করণ), যার ফলে প্রকৃতিতে কার্বনের ভারসাম্য নষ্ট হচ্ছে। - গ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
উদ্দীপকে জনাব সেলিনা ইসলাম বাংলাদেশের সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান 'বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন'-এর প্রধান (প্রধান নির্বাচন কমিশনার) হিসেবে কর্মরত আছেন।
উদ্দীপকে উল্লিখিত প্রতিষ্ঠানটি অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন আয়োজনে অঙ্গীকারবদ্ধ এবং এর প্রধান হিসেবে তিনি মহামান্য রাষ্ট্রপতি কর্তৃক নিয়োগপ্রাপ্ত হয়েছেন।
বাংলাদেশ সংবিধানের ১১৮ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী একটি স্বাধীন 'নির্বাচন কমিশন' গঠনের বিধান রয়েছে, যার প্রধান হলেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার এবং তাঁকে রাষ্ট্রপতি নিয়োগ দেন। নির্বাচন কমিশনের মূল দায়িত্ব হলো দেশের রাষ্ট্রপতি নির্বাচন, জাতীয় সংসদ নির্বাচন এবং স্থানীয় সরকার নির্বাচনসমূহ সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষভাবে পরিচালনা করা। উদ্দীপকের প্রতিষ্ঠানের কাজ ও নিয়োগ প্রক্রিয়ার সাথে নির্বাচন কমিশনের হুবহু মিল থাকায় জনাব সেলিনা ইসলাম প্রধান নির্বাচন কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
- ঘ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
গণতান্ত্রিক ব্যবস্থাকে টিকিয়ে রাখতে এবং জনগণের ভোটাধিকার নিশ্চিত করতে নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা অপরিসীম। নিম্নে সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন পরিচালনায় এর ভূমিকা মূল্যায়ন করা হলো:
১. নিরপেক্ষ ভূমিকা পালন: নির্বাচন কমিশন একটি সাংবিধানিক ও স্বাধীন প্রতিষ্ঠান। কোনো দল বা গোষ্ঠীর প্রভাবমুক্ত থেকে নিরপেক্ষভাবে দায়িত্ব পালন করাই এর প্রধান কাজ।
২. সঠিক ভোটার তালিকা প্রণয়ন: ত্রুটিমুক্ত, ছবিসহ ভোটার তালিকা প্রণয়ন ও হালনাগাদকরণ নিশ্চিত করার মাধ্যমে ভুয়া ভোট প্রতিরোধ করা।
৩. নির্বাচনী আচরণবিধি প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন: সুষ্ঠু পরিবেশ বজায় রাখতে কমিশন নির্বাচনী আচরণবিধি জারি করে এবং তা অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করে।
৪. আইনশৃঙ্খলা রক্ষা ও প্রশাসন নিয়ন্ত্রণ: নির্বাচনের সময় পুলিশ, প্রশাসন ও নির্বাচনী দায়িত্বে থাকা কর্মকর্তাদের কমিশনের নিয়ন্ত্রণে রাখা হয় যাতে অবাধ পরিবেশ বজায় থাকে।
৫. গ্রহণযোগ্যতা সৃষ্টি: দেশি-বিদেশি পর্যবেক্ষক এবং সকল রাজনৈতিক দলের আস্থা অর্জনের মাধ্যমে নির্বাচনের গ্রহণযোগ্যতা প্রতিষ্ঠা করা।পরিশেষে বলা যায়, নির্বাচন কমিশন যদি তার সাংবিধানিক ক্ষমতার পূর্ণ ও সাহসী প্রয়োগ করে নিরপেক্ষভাবে দায়িত্ব পালন করে, তবেই একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন নিশ্চিত করা সম্ভব, যা দেশে গণতান্ত্রিক স্থিতিশীলতা আনয়নে সহায়ক।
আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও