অর্থনীতি • Jashore Board • যশোর বোর্ড ২০২৪
অর্থনীতি প্রশ্ন
সূচি-ক: 'ক' দেশের জাতীয় আয়ে কৃষি খাতের অবদান:সুচি-খ: 'ক' দেশের আর্থিক খাতের বিবরণ:
খাত/উপখাত | ২০১৭-১৮ (%) | ২০১৮-১৯ (%)
শস্য ও শাকসবজি | ৭.৫১ | ৭.০৫
প্রাণিজ | ১.৫৩ | ১.৪৭
বনজ | ১.৬২ | ১.৫৮
মৎস্য | ৩.৫৬ | ৩.৫০
আমদানি ব্যয় | ৫৩৫০ কোটি টাকা
রপ্তানি আয় | ৩৭০০ কোটি টাকা
- ক)(1)
সেবা কাকে বলে?
- খ)(2)
EPZ কীভাবে বেকারত্ব নিরসনে ভূমিকা রাখবে? ব্যাখ্যা করো।
- গ)(3)
সূচি-ক হতে ২০১৮-১৯ অর্থবছরে কৃষি খাতের অবদানের লম্বচিত্র অঙ্কন করো।
- ঘ)(4)
সূচি-খ দ্বারা অর্থনীতির যে সমস্যা তুলে ধরা হয়েছে তা দূরীকরণের ওপর আলোচনা করো।
উত্তর ও ব্যাখ্যা
- ক)
যেসব অর্থনৈতিক কাজ চোখে দেখা বা স্পর্শ করা যায় না কিন্তু মানুষের অভাব পূরণ করে, সেগুলোকে সেবা বলে। যেমন, চিকিৎসকের চিকিৎসা, শিক্ষকের পাঠদান।
- খ)
EPZ (Export Processing Zone) বা রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চলে দেশি-বিদেশি বিনিয়োগে বহু শিল্পকারখানা গড়ে ওঠে। এসব কারখানায় বিপুল সংখ্যক শ্রমিক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীর কাজের সুযোগ সৃষ্টি হয়। এছাড়া পরিবহন, বাজার ও অন্যান্য সহায়ক সেবা খাতেও পরোক্ষ কর্মসংস্থান বাড়ে। এভাবে EPZ বেকারত্ব নিরসনে ভূমিকা রাখে।
- গ)
সূচি-ক থেকে ২০১৮-১৯ অর্থবছরে কৃষি খাতের উপখাতভিত্তিক অবদান:
উপখাত অবদান (%) শস্য ও শাকসবজি ৭.০৫ প্রাণিজ ১.৪৭ বনজ ১.৫৮ মৎস্য ৩.৫০ লম্বচিত্র (স্তম্ভচিত্র) অঙ্কনের নিয়ম:
১. ছক কাগজে আনুভূমিক (X) অক্ষে চারটি উপখাত সমান দূরত্বে বসাতে হবে।
২. লম্ব (Y) অক্ষে অবদানের শতকরা হার নিতে হবে। স্কেল: Y অক্ষে ১ সেন্টিমিটার = ১%।
৩. প্রতিটি উপখাতের জন্য সমান প্রস্থের আয়তাকার স্তম্ভ আঁকতে হবে। স্তম্ভের উচ্চতা হবে যথাক্রমে ৭.০৫ সে.মি., ১.৪৭ সে.মি., ১.৫৮ সে.মি. ও ৩.৫০ সে.মি.।
৪. অক্ষে নাম, চিত্রের শিরোনাম 'কৃষি খাতের উপখাতভিত্তিক অবদান (২০১৮-১৯)' লিখতে হবে।চিত্রে শস্য ও শাকসবজির স্তম্ভ সবচেয়ে উঁচু এবং প্রাণিজের স্তম্ভ সবচেয়ে নিচু হবে।
- ঘ)
সূচি-খ অনুযায়ী 'ক' দেশের আমদানি ব্যয় ৫,৩৫০ কোটি টাকা এবং রপ্তানি আয় ৩,৭০০ কোটি টাকা। অতএব,
অর্থাৎ সূচিতে বাণিজ্য ঘাটতির সমস্যা তুলে ধরা হয়েছে।
দূরীকরণের উপায়:
১. রপ্তানি বৃদ্ধি: রপ্তানি পণ্যের মান উন্নয়ন, বহুমুখীকরণ ও নতুন বাজার খুঁজে রপ্তানি আয় বাড়াতে হবে।
২. আমদানি বিকল্প শিল্প: দেশেই আমদানিকৃত পণ্যের বিকল্প উৎপাদন করে আমদানি নির্ভরতা কমাতে হবে।
৩. অপ্রয়োজনীয় আমদানি নিয়ন্ত্রণ: বিলাসদ্রব্যের আমদানি কমাতে হবে।
৪. রেমিট্যান্স ও বিনিয়োগ: বৈধ পথে প্রবাসী আয় আনতে উৎসাহিত করা এবং দেশীয় উৎপাদন বাড়ানোর জন্য বিনিয়োগ বাড়াতে হবে।সুতরাং, রপ্তানি বাড়ানো ও আমদানি নির্ভরতা কমানোর মাধ্যমে এ সমস্যা দূর করা সম্ভব।
আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও