বিজ্ঞান • Cumilla Board • কুমিল্লা বোর্ড ২০২৩

বিজ্ঞান প্রশ্ন

  1. ক)

    সিরাম কাকে বলে?

    (1)
  2. খ)

    রক্তে কোলেস্টরলের পরিমাণ ২৫০ mg/dl হলে কী হবে? ব্যাখ্যা করো।

    (2)
  3. গ)

    (ii)নং রক্ত কণিকার বিভিন্ন উপাদানগুলোর কাজ ব্যাখ্যা করো।

    (3)
  4. ঘ)

    উদ্দীপকের কোন কণিকাতে অ্যান্টিবডি-অ্যান্টিজেন বিক্রিয়া ঘটে? বিশ্লেষণ করো।

    (4)

উত্তর ও ব্যাখ্যা

  1. ক)

    রক্ত জমাট বাঁধার পর যে হালকা হলুদ রঙের স্বচ্ছ তরল পদার্থ পড়ে থাকে, তাকে সিরাম বলে। এতে জমাট বাঁধার উপাদান (ফাইব্রিনোজেন) থাকে না।

  2. খ)

    রক্তে কোলেস্টেরলের স্বাভাবিক মাত্রা ২০০ mg/dl-এর নিচে। ২৫০ mg/dl হলে মাত্রা বেশি বলে ধরা হয়। অতিরিক্ত কোলেস্টেরল ধমনির দেয়ালে জমে ধমনি সরু ও শক্ত করে ফেলে। এতে রক্ত চলাচল ব্যাহত হয় এবং উচ্চ রক্তচাপ, হৃদরোগ ও স্ট্রোকের ঝুঁকি বাড়ে।

  3. গ)

    (ii)নং চিত্রে শ্বেত রক্তকণিকা (WBC) দেখানো হয়েছে। এর বিভিন্ন উপাদানের কাজ নিম্নরূপ।

    ১. নিউট্রোফিল: রোগজীবাণুকে ঘিরে ফেলে ভক্ষণ (ফ্যাগোসাইটোসিস) করে ধ্বংস করে।
    ২. মনোসাইট: বড় আকারের জীবাণু ও মৃত কোষ ভক্ষণ করে।
    ৩. লিম্ফোসাইট: অ্যান্টিবডি তৈরি করে ও রোগ প্রতিরোধে ভূমিকা রাখে।
    ৪. ইওসিনোফিল ও বেসোফিল: অ্যালার্জি ও প্রদাহ নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে।

    এভাবে শ্বেত রক্তকণিকা দেহকে রোগজীবাণুর আক্রমণ থেকে রক্ষা করে।

  4. ঘ)

    উদ্দীপকের (i)নং কণিকা, অর্থাৎ লোহিত রক্তকণিকায় অ্যান্টিবডি-অ্যান্টিজেন বিক্রিয়া ঘটে।

    ১. লোহিত রক্তকণিকার গায়ে A বা B অ্যান্টিজেন থাকে। রক্তের প্লাজমায় তার বিপরীত অ্যান্টিবডি (a বা b) থাকে।
    ২. অসঙ্গত রক্ত মিশে গেলে অ্যান্টিজেন ও অ্যান্টিবডির বিক্রিয়ায় লোহিত রক্তকণিকাগুলো জমাট বেঁধে যায়। একে অ্যাগ্লুটিনেশন বলে।
    ৩. এ কারণেই রক্ত দেওয়ার আগে রক্তের গ্রুপ মিলিয়ে নেওয়া হয়।

    সুতরাং, লোহিত রক্তকণিকাতেই এ বিক্রিয়া ঘটে।

আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও

সম্পর্কিত প্রশ্ন