পৌরনীতি ও নাগরিকতা • Sylhet Board • সিলেট বোর্ড ২০২৪
পৌরনীতি ও নাগরিকতা প্রশ্ন
ঘটনা-১: জনাব কবির সাহেব একজন পরোপকারী সামাজিক লোক। সমাজে বিদ্যমান সমস্যা সমাধানে তিনি কাউকে ছোট-বড় দেখেন না। সকল মানুষকে সমান ভাবেন এবং সুবিচার নিশ্চিত করেন।ঘটনা-২: জনাব রফিক সাহেব একজন বড় ব্যবসায়ী। তিনি তার প্রতিষ্ঠানে নিয়োজিত কর্মচারীদের বেতন-ভাতা প্রদানের সময় দক্ষতা অনুযায়ী কম-বেশি মজুরি প্রদান করেন।
- ক)(1)
আইন কাকে বলে?
- খ)(2)
আইনকে স্বাধীনতার রক্ষক বলা হয় কেন
- গ)(3)
কবির সাহেবের কর্মকাণ্ড পাঠ্যবইয়ের কোনটিকে ইঙ্গিত করে? ব্যাখ্যা করো।
- ঘ)(4)
রফিক সাহেবের কাজ কোন স্বাধীনতার অন্তর্ভুক্ত? বিশ্লেষণ করো।
উত্তর ও ব্যাখ্যা
- ক)
রাষ্ট্র কর্তৃক স্বীকৃত ও প্রয়োগকৃত যেসব নিয়মকানুন দ্বারা নাগরিকদের আচরণ নিয়ন্ত্রিত হয় এবং যা লঙ্ঘন করলে শাস্তি পেতে হয়, তাকে আইন বলে।
- খ)
আইন ব্যক্তির স্বাধীনতার সীমা নির্ধারণ করে দেয়, যাতে একজনের স্বাধীনতা অন্যের স্বাধীনতায় বাধা না হয়। আইন না থাকলে শক্তিশালী ব্যক্তি দুর্বলের স্বাধীনতা হরণ করতে পারত। আইনের মাধ্যমে নাগরিকের অধিকার সংরক্ষিত হয় এবং অধিকার লঙ্ঘনে শাস্তির বিধান থাকে। তাই আইনকে স্বাধীনতার রক্ষক বলা হয়।
- গ)
কবির সাহেবের কর্মকাণ্ড পাঠ্যবইয়ের সাম্য (Equality)-কে ইঙ্গিত করে।
১. তিনি সকল মানুষকে সমান ভাবেন ও কাউকে ছোট-বড় দেখেন না। সাম্যের মূল কথা হলো সবার প্রতি সমান আচরণ ও জাতি, ধর্ম, বর্ণ বা পেশার কারণে বৈষম্য না করা।
২. সুবিচার নিশ্চিত করার মাধ্যমে তিনি সবাইকে ন্যায্য সুযোগ ও আইনের দৃষ্টিতে সমান অধিকার দেন, যা আইনগত সাম্য ও ন্যায়বিচারের অংশ।তাই তাঁর কাজে সাম্যের প্রতিফলন ঘটেছে।
- ঘ)
রফিক সাহেবের কাজ অর্থনৈতিক স্বাধীনতার অন্তর্ভুক্ত।
১. অর্থনৈতিক স্বাধীনতা বলতে বোঝায় প্রত্যেকের নিজের যোগ্যতা অনুযায়ী জীবিকা অর্জনের সুযোগ ও কাজের ন্যায্য মজুরি পাওয়ার অধিকার। রফিক সাহেব কর্মচারীদের দক্ষতা অনুযায়ী মজুরি দিয়ে এ সুযোগ দিচ্ছেন।
২. এতে যোগ্যতা ও পরিশ্রমের মূল্যায়ন হয়, ফলে কর্মচারীরা দক্ষতা বাড়াতে উৎসাহিত হন।
৩. ব্যবসায়ী হিসেবে রফিক সাহেব ব্যবসা পরিচালনা ও কর্মী নিয়োগের স্বাধীনতাও ভোগ করছেন, যা অর্থনৈতিক স্বাধীনতার অংশ।সুতরাং, রফিক সাহেবের কাজ অর্থনৈতিক স্বাধীনতার অন্তর্ভুক্ত।
আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও