কৃষিশিক্ষা • Cumilla Board • কুমিল্লা বোর্ড ২০২০
কৃষিশিক্ষা প্রশ্ন
রহিম মিয়া মাছ চাষের প্রশিক্ষণ গ্রহণ করে তার পুকুরে ৫ কেজি পোনা ছাড়েন এবং নিয়মিত সম্পূরক খাদ্য প্রদান করেন। ৬ মাস পর তিনি পুকুর থেকে ৫০ কেজি মাছ সংগ্রহ করেন। এ ৬ মাসে তিনি ৭২ কেজি সম্পূরক খাদ্য প্রদান করেন। তার সফলতা দেখে গ্রামের আরও কিছু চাষি মাছ চাষে উৎসাহিত হয়ে মাছ চাষের কার্যক্রম গ্রহণ করেন। কিন্তু যথাযথ সফলতা অর্জনে ব্যর্থ হয়ে তারা মৎস্য কর্মকর্তার শরণাপন্ন হলেন। তিনি বলেন, "মাছ চাষে রহিম মিয়ার পদক্ষেপটি যথার্থ ছিল।”
- ক)(1)
জিওল মাছ কী?
- খ)(2)
পুকুরে মাছ চাষে সম্পূরক খাদ্য দেওয়া হয় কেন?
- গ)(3)
রহিম মিয়ার পুকুরের FCR নির্ণয় করো।
- ঘ)(4)
উদ্দীপকে মৎস্য কর্মকর্তার উক্তিটির যথার্থতা মূল্যায়ন করো।
উত্তর ও ব্যাখ্যা
- ক)
যেসব মাছ পানির বাইরে বা কম অক্সিজেনযুক্ত পানিতেও দীর্ঘক্ষণ জীবিত থাকতে পারে, তাদের জিওল মাছ বলে। যেমন: শিং, মাগুর, কৈ।
- খ)
পুকুরে মাছের সংখ্যা বেশি থাকলে প্রাকৃতিক খাদ্য সব মাছের জন্য যথেষ্ট হয় না। এতে মাছের বৃদ্ধি কমে যায়। সম্পূরক খাদ্য দিলে মাছের পুষ্টির চাহিদা পূরণ হয়, বৃদ্ধি দ্রুত হয় এবং উৎপাদন বাড়ে। তাই পুকুরে সম্পূরক খাদ্য দেওয়া হয়।
- গ)
মাছের ওজন বৃদ্ধি কেজি
প্রয়োগকৃত খাদ্য কেজি
নির্ণেয় FCR = ১.৬
- ঘ)
মৎস্য কর্মকর্তার উক্তিটি যথার্থ। রহিম মিয়ার পদক্ষেপ বৈজ্ঞানিক ও কার্যকর ছিল।
১. প্রশিক্ষণ গ্রহণ: তিনি প্রশিক্ষণ নিয়ে বৈজ্ঞানিক জ্ঞান নিয়ে চাষ শুরু করেছেন।
২. কম FCR: তাঁর পুকুরের FCR ১.৬, অর্থাৎ ১ কেজি মাছ বাড়াতে ১.৬ কেজি খাদ্য লেগেছে। এটি কম, তাই খাদ্য প্রয়োগ কার্যকর হয়েছে।
৩. উৎপাদন: ৫ কেজি পোনা থেকে ৬ মাসে ৫০ কেজি মাছ পাওয়া গেছে, যা নিয়মিত সম্পূরক খাদ্য ও পরিচর্যার ফল।
৪. অন্যদের ব্যর্থতা: অন্য চাষিরা সম্ভবত সঠিক জ্ঞান, খাদ্য ও পরিচর্যার অভাবে ব্যর্থ হয়েছেন।সুতরাং, মাছ চাষে রহিম মিয়ার পদক্ষেপটি যথার্থ ছিল।
আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও