অর্থনীতি • Cumilla Board • কুমিল্লা বোর্ড ২০২৫
অর্থনীতি প্রশ্ন
নিচে একটি পণ্যের চাহিদাসূচি দেওয়া হলো:
প্রতি একক পণ্যের দাম (টাকায়) | চাহিদার পরিমাণ (একক)
15 | 10
10 | 15
05 | 20
- ক)(1)
ভোক্তা কাকে বলে?
- খ)(2)
ভারসাম্য দাম কীভাবে নির্ধারিত হয়?
- গ)(3)
উপরের সৃচি থেকে একটি চাহিদা রেখা অঙ্কন করো।
- ঘ)(4)
উদ্দীপকের আলোকে দাম ও চাহিদার সম্পর্ক বিশ্লেষণ করো।
উত্তর ও ব্যাখ্যা
- ক)
যে ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান নিজের অভাব পূরণের জন্য দ্রব্য ও সেবা ভোগ বা ব্যবহার করে, তাকে ভোক্তা (Consumer) বলে।
- খ)
বাজারে কোনো দ্রব্যের ভারসাম্য দাম নির্ধারিত হয় চাহিদা ও জোগানের পারস্পরিক ক্রিয়ায়। যে দামে ক্রেতার চাহিদার পরিমাণ ও বিক্রেতার জোগানের পরিমাণ সমান হয়, সেই দামই ভারসাম্য দাম। চাহিদা রেখা ও জোগান রেখা যে বিন্দুতে পরস্পরকে ছেদ করে, সেই বিন্দুতেই ভারসাম্য দাম ও পরিমাণ নির্ধারিত হয়। এই দামে বাজারে অতিরিক্ত চাহিদা বা অতিরিক্ত জোগান থাকে না।
- গ)
চাহিদা রেখা অঙ্কনের ধাপ:
১. X-অক্ষে চাহিদার পরিমাণ (একক) এবং Y-অক্ষে দাম (টাকা) নেওয়া হলো।
২. বিন্দুগুলো স্থাপন করতে হবে:
বিন্দু চাহিদার পরিমাণ (X) দাম (Y) A ১০ ১৫ B ১৫ ১০ C ২০ ৫ ৩. A, B ও C বিন্দু যোগ করলে বাম থেকে ডানে নিম্নগামী একটি সরলরেখা DD পাওয়া যায়, যা চাহিদা রেখা।
- ঘ)
উদ্দীপকের সূচিতে দাম ও চাহিদার মধ্যে বিপরীতমুখী সম্পর্ক দেখা যায়।
১. দাম ১৫ টাকা হলে চাহিদা ১০ একক। দাম কমে ১০ টাকা হলে চাহিদা বেড়ে ১৫ একক। আবার দাম ৫ টাকা হলে চাহিদা ২০ একক। অর্থাৎ প্রতি ৫ টাকা দাম কমলে চাহিদা ৫ একক বাড়ছে।
২. এই সম্পর্ক চাহিদা বিধি নির্দেশ করে, কারণ দাম কমলে ক্রেতার প্রকৃত আয় বা ক্রয়ক্ষমতা বাড়ে এবং ক্রমহ্রাসমান প্রান্তিক উপযোগের কারণে কম দামে বেশি কিনতে সে আগ্রহী হয়। এছাড়া অন্য দ্রব্যের তুলনায় দ্রব্যটি সস্তা হওয়ায় ক্রেতা সেটির দিকে ঝোঁকে।
৩. এ কারণে চাহিদা রেখা বাম থেকে ডানে নিম্নগামী হয়।
সুতরাং, অন্যান্য অবস্থা অপরিবর্তিত থাকলে দাম ও চাহিদার সম্পর্ক বিপরীতমুখী।
আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও