কৃষিশিক্ষা • Dinajpur Board • দিনাজপুর বোর্ড ২০২৩

কৃষিশিক্ষা প্রশ্ন

রহিমা বেগম তার ৬০ শতক আয়তনের একটি পুকুরে মাছ চাষের সিদ্ধান্ত নেন। তিনি পুকুরটি যথাযথভাবে তৈরিপূর্বক নির্ধারিত হারে ৫-৬ সে. মি আকারের পোনা মাছ ছাড়েন এবং হাঁস পালন করতে থাকেন । তিনি নিয়মিত খাদ্য সরবরাহ করে আসছেন ।

  1. ক)

    গ্রাসকার্প মাছ কোন জাতীয় খাদ্য খায়?

    (1)
  2. খ)

    ধানক্ষেতে মাছ চাষের সুবিধা কী?

    (2)
  3. গ)

    রহিমা বেগম তার পুকুরে যে পরিমাণ পোনা মাছ ছেড়েছিলেন তা নির্ণয় করো।

    (3)
  4. ঘ)

    উদ্দীপকের চাষে রহিমা বেগমের সফল হওয়ার সম্ভবনা বিশ্লেষণ করো ।

    (4)

উত্তর ও ব্যাখ্যা

  1. ক)

    গ্রাসকার্প মাছ তৃণজাতীয় খাদ্য (ঘাস, কচুরিপানা, কলাপাতা প্রভৃতি) খায়।

  2. খ)

    ধানক্ষেতে মাছ চাষ করলে একই জমিতে ধান ও মাছ দুই ধরনের ফসল পাওয়া যায়, ফলে কৃষকের বাড়তি আয় হয়। মাছ ক্ষেতের আগাছা ও ক্ষতিকর পোকা খেয়ে ফেলে এবং মাছের মলমূত্র জৈব সারের কাজ করে, ফলে ধানের ফলন বাড়ে। এছাড়া পরিবারের জন্য পুষ্টিকর আমিষও পাওয়া যায়।

  3. গ)

    উদ্দীপকে রহিমা বেগমের পুকুর ৬০ শতক এবং তিনি ৫–৬ সেমি আকারের পোনা ছেড়েছেন।

    পাঠ্যবইয়ের নিয়মে ৫–৬ সেমি আকারের পোনা শতকে ৮০–১০০টি ছাড়া হয়।

    সর্বনিম্ন: 60×80=৪৮০০60 \times 80 = ৪৮০০ টি
    সর্বোচ্চ: 60×100=৬০০০60 \times 100 = ৬০০০ টি

    সুতরাং, তিনি পুকুরে আনুমানিক ৪,৮০০ থেকে ৬,০০০টি পোনা ছেড়েছিলেন।

  4. ঘ)

    উদ্দীপকের চাষে রহিমা বেগমের সফল হওয়ার সম্ভাবনা বেশি।

    ১. পুকুর প্রস্তুতি: তিনি পুকুর যথাযথভাবে তৈরি করেছেন, ফলে পানি ও মাটির পরিবেশ মাছের বাসযোগ্য।
    ২. সঠিক পোনা ও হার: ৫–৬ সেমি আকারের পোনা নির্ধারিত হারে ছাড়ায় পোনার বাঁচার হার ও বৃদ্ধি ভালো হবে।
    ৩. হাঁসের সমন্বিত চাষ: হাঁসের মলমূত্র পুকুরে সারের কাজ করে, এতে প্লাংকটন জন্মায় ও মাছের প্রাকৃতিক খাদ্য বাড়ে। হাঁস থেকে বাড়তি আয়ও হয়।
    ৪. নিয়মিত খাদ্য সরবরাহ: নিয়মিত খাবার দেওয়ায় মাছ দ্রুত বাড়বে।

    সুতরাং, সঠিক ব্যবস্থাপনা অনুসরণ করায় রহিমা বেগম মাছ ও হাঁস চাষে সফল হবেন বলে আশা করা যায়।

আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও

সম্পর্কিত প্রশ্ন