কৃষিশিক্ষা • Mymensingh Board • ময়মনসিংহ বোর্ড ২০২৪
কৃষিশিক্ষা প্রশ্ন
মাইশা মৎস্য চাষের প্রশিক্ষণ নিয়ে মাছ চাষের সিদ্ধান্ত নেন। তিনি ৩০ শতাংশের একটি পুকুর সংস্কার করে মাছ চাষ শুরু করেন। প্রয়োজনীয় সার প্রয়োগের পর মাছের পোনা মজুদ করেন। পরবর্তীতে তিনি সবসময় পুকুরে প্রাকৃতিক খাদ্য পরীক্ষা করে প্রয়োজনীয় সার প্রয়োগ করেন এবং সফল হন।
- ক)(1)
খাদ্য কী?
- খ)(2)
পুকুরে চুন প্রয়োগের ১টি উপকারিতা ব্যাখ্যা করো।
- গ)(3)
মাইশার পুকুর প্রস্তুতির সময় প্রয়োগকৃত জৈব ও অজৈব সারের পরিমাণ নির্ণয় করো।
- ঘ)(4)
"সার প্রয়োগে মাইশার কার্যক্রমটি অর্থের অপচয় রোধে সহায়ক”- উক্তিটি মূল্যায়ন করো।
উত্তর ও ব্যাখ্যা
- ক)
খাদ্য হলো সেই সব উপাদান, যা গ্রহণ করে জীব শক্তি পায়, দেহ গঠন ও বৃদ্ধি করে এবং রোগ প্রতিরোধ করে।
- খ)
পুকুরে চুন প্রয়োগের একটি উপকারিতা হলো এটি পানি ও মাটির অম্লতা কমিয়ে পরিবেশ মাছ চাষের উপযোগী করে। অম্লীয় পানিতে মাছের বৃদ্ধি ব্যাহত হয়। চুন পানির pH ঠিক রাখে, ফলে সারের কার্যকারিতা বাড়ে এবং প্রাকৃতিক খাদ্য ভালো জন্মায়।
- গ)
মাইশার পুকুর ৩০ শতাংশ। পুকুর প্রস্তুতির সময় সাধারণ নির্ধারিত হার অনুযায়ী প্রতি শতাংশে জৈব সার (গোবর) ৫ কেজি, অজৈব সার ইউরিয়া ১০০ গ্রাম এবং টিএসপি ৫০ গ্রাম প্রয়োগ করা হয়।
জৈব সার (গোবর): কেজি
অজৈব সার:
১. ইউরিয়া: গ্রাম কেজি
২. টিএসপি: গ্রাম কেজিউত্তর: মাইশার পুকুরে জৈব সার ১৫০ কেজি গোবর এবং অজৈব সার ৩ কেজি ইউরিয়া ও ১.৫ কেজি টিএসপি প্রয়োগ করতে হবে।
- ঘ)
উক্তিটি যথার্থ। মাইশা পুকুরে প্রাকৃতিক খাদ্য পরীক্ষা করে প্রয়োজন অনুযায়ী সার প্রয়োগ করেছেন।
১. অপ্রয়োজনীয় সার রোধ: পুকুরের পানির সবুজ রং ও স্বচ্ছতা দেখে প্ল্যাঙ্কটন পরিমাণ বোঝা যায়। প্রাকৃতিক খাদ্য পর্যাপ্ত থাকলে অতিরিক্ত সার দিতে হয় না, ফলে সারের খরচ বাঁচে।
২. সম্পূরক খাদ্যের খরচ কম: পর্যাপ্ত প্রাকৃতিক খাদ্য থাকলে কেনা খাদ্য কম লাগে।
৩. পানি দূষণ রোধ: অতিরিক্ত সার পানিকে দূষিত করে ও অক্সিজেন কমায়, ফলে মাছের মৃত্যুঝুঁকি বাড়ে। এ ক্ষতি এড়ানো যায়।
৪. ফলন বৃদ্ধি: সঠিক পরিমাণ সারে মাছের বৃদ্ধি ভালো হয় এবং আয় বাড়ে।সুতরাং, প্রাকৃতিক খাদ্য পরীক্ষা করে সার প্রয়োগ করায় মাইশার কার্যক্রম অর্থের অপচয় রোধে সহায়ক হয়েছে।
আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও