পৌরনীতি ও নাগরিকতা • Sylhet Board • সিলেট বোর্ড ২০২৪
পৌরনীতি ও নাগরিকতা প্রশ্ন
- ক)(1)
অধিকার কাকে বলে?
- খ)(2)
দ্বৈত নাগরিকতা কী? ব্যাখ্যা করো।
- গ)(3)
ছকে'?' চিহ্নিত স্থান কোনটি নির্দেশ করে? ব্যাখ্যা করো।
- ঘ)(4)
ছকের'' চিহ্নিত বিষয়টির মাধ্যমে গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ জাগ্রত হয়- বিশ্লেষণ করো।
উত্তর ও ব্যাখ্যা
- ক)
অধিকার হলো রাষ্ট্র ও সমাজ কর্তৃক স্বীকৃত সেই সব সুযোগ-সুবিধা, যা ব্যক্তির ব্যক্তিত্ব বিকাশের জন্য অপরিহার্য।
- খ)
একজন ব্যক্তি যখন একই সময়ে দুটি রাষ্ট্রের নাগরিক হন, তখন তাকে দ্বৈত নাগরিকতা (Dual Citizenship) বলে। যেমন কোনো দেশের নাগরিকের সন্তান অন্য একটি দেশে জন্ম নিলে এবং দুই দেশের আইনেই নাগরিকত্ব পাওয়ার সুযোগ থাকলে সে উভয় দেশের নাগরিকত্ব পেতে পারে। এ অবস্থায় ব্যক্তিটি দুই রাষ্ট্রের অধিকার ভোগ করে এবং দুই রাষ্ট্রের প্রতিই তার কর্তব্য থাকে।
- গ)
ছকে A-তে বুদ্ধি, B-তে বিবেক এবং C-এর ঘরটি খালি। এগুলো সুনাগরিকের গুণাবলি। বুদ্ধি, বিবেক ও সংযম এই তিনটি গুণ মিলে সুনাগরিক গড়ে তোলে। সুতরাং '?' চিহ্নিত স্থানটি নাগরিকের গুণাবলি নির্দেশ করে এবং C হলো সংযম।
১. বুদ্ধি: বুদ্ধিমান নাগরিক রাষ্ট্রের সমস্যা বুঝে সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে পারে।
২. বিবেক: বিবেকবান নাগরিক ন্যায়-অন্যায় বিচার করে সৎপথে চলে।
৩. সংযম: সংযমী নাগরিক আবেগ ও উত্তেজনা নিয়ন্ত্রণ করে অন্যের মতকে সহ্য করে।এই গুণগুলো একজন ব্যক্তিকে দায়িত্বশীল নাগরিক হতে সাহায্য করে।
- ঘ)
ছকের '?' চিহ্নিত বিষয়টি হলো নাগরিকের গুণাবলি (বুদ্ধি, বিবেক ও সংযম)। এই গুণাবলির মাধ্যমে গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ জাগ্রত হয়।
১. সহনশীলতা: সংযমী নাগরিক ভিন্নমত ধৈর্যের সঙ্গে শোনে ও শ্রদ্ধা করে, যা গণতন্ত্রের মূল ভিত্তি।
২. সঠিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ: বুদ্ধি ও বিবেক থাকলে নাগরিক ভোটদানসহ রাষ্ট্রীয় বিষয়ে সচেতনভাবে অংশ নিতে পারে এবং যোগ্য প্রতিনিধি বেছে নেয়।
৩. আইন ও সংখ্যাগরিষ্ঠের মতের প্রতি শ্রদ্ধা: বিবেকবান নাগরিক আইন মেনে চলে এবং অধিকারের পাশাপাশি কর্তব্য পালনে সচেতন থাকে।
৪. সহযোগিতা: এই গুণ নাগরিককে স্বার্থপরতা ছেড়ে সমাজের কল্যাণে এগিয়ে আসতে উদ্বুদ্ধ করে।সুতরাং, নাগরিকের গুণাবলি অর্জিত হলে সমাজে গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ বিকশিত হয়।
আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও