বিজ্ঞান • Dinajpur Board • দিনাজপুর বোর্ড ২০২৪
বিজ্ঞান প্রশ্ন
শিবলী গাছ থেকে মাটিতে পড়ে পায়ে প্রচন্ড ব্যথা পেল এবং তার পা ফুলে গেল। ডাক্তারের শরণাপন্ন হলে এক্সরে করে ডাক্তার নিশ্চিত হলেন, যে, তার হাড় ভেঙ্গে গেছে।
- ক)(1)
রেডিও থেরাপি কী?
- খ)(2)
এন্ডোসকপি কেন করা হয়? ব্যাখ্যা করো।
- গ)(3)
শিবলীর রোগ নির্ণয়ের পদ্ধতিটির কার্যপ্রণালী বর্ণনা করো।
- ঘ)(4)
উদ্দীপকের পদ্ধতির ঝুঁকি ও ঝুঁকি এড়ানোর কৌশল বিশ্লেষণ করো।
উত্তর ও ব্যাখ্যা
- ক)
রেডিও থেরাপি হলো উচ্চ শক্তির বিকিরণ (যেমন গামা রশ্মি বা এক্স-রশ্মি) ব্যবহার করে ক্যান্সার চিকিৎসার একটি পদ্ধতি।
- খ)
পাকস্থলী, খাদ্যনালি বা অন্ত্রের ভেতরের অবস্থা সরাসরি দেখার জন্য এন্ডোসকপি করা হয়। ক্যামেরা ও আলোযুক্ত সরু নল মুখ বা মলদ্বার দিয়ে ঢুকিয়ে আলসার, প্রদাহ, রক্তক্ষরণ বা টিউমার আছে কি না দেখা যায়। প্রয়োজনে এর মাধ্যমে নমুনা (বায়োপসি) সংগ্রহও করা যায়।
- গ)
শিবলীর রোগ নির্ণয়ের পদ্ধতিটি হলো এক্স-রে। এর কার্যপ্রণালি:
১. এক্স-রে মেশিন থেকে উচ্চ শক্তির এক্স-রশ্মি শরীরের আহত অংশের ওপর ফেলা হয়।
২. হাড়ের মতো ঘন অংশ বেশি রশ্মি শোষণ করে, আর মাংসের মতো নরম অংশ রশ্মিকে প্রায় ভেদ করে চলে যায়।
৩. শরীরের অপর পাশে রাখা ফিল্ম বা ডিজিটাল সেন্সরে হাড়ের স্পষ্ট ছায়া বা ছবি পাওয়া যায়, যেখানে ভাঙা অংশ চিহ্নিত করা যায়। - ঘ)
উদ্দীপকের পদ্ধতিটি এক্স-রে। এর ঝুঁকি ও তা এড়ানোর কৌশল:
ঝুঁকি:
১. এক্স-রশ্মি আয়নিতকারী বিকিরণ, যা দেহকোষের ক্ষতি করতে পারে, বারবার ব্যবহারে ক্যান্সারের ঝুঁকি বাড়াতে পারে।
২. গর্ভবতী নারীর ক্ষেত্রে ভ্রূণের ক্ষতি হতে পারে।ঝুঁকি এড়ানোর কৌশল:
১. অত্যন্ত প্রয়োজন না হলে এক্স-রে না করা এবং বারবার না করা।
২. পরীক্ষার সময় শরীরের অপ্রয়োজনীয় অংশ সিসার অ্যাপ্রন দিয়ে ঢেকে রাখা।
৩. গর্ভবতী নারীরা চিকিৎসককে জানিয়ে বিকল্প পরীক্ষা বেছে নেওয়া এবং কর্মীদের নিরাপদ দূরত্ব ও সুরক্ষা বজায় রাখা।সুতরাং, সতর্কতা মেনে চললে এক্স-রের ঝুঁকি অনেকটা এড়ানো যায়।
আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও