বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা • Mymensingh Board • ময়মনসিংহ বোর্ড ২০২৫
বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা প্রশ্ন
তথ্য-১: | প্রাচীন সমাধি, রাজার আদেশ, কৃষি উপকরণ।
তথ্য-২: | পর্যটকদের বিবরণ, পাণ্ডুলিপি, সন্ধি-চুক্তি।
- ক)(1)
র্যাপসনের মতে ইতিহাস কী?
- খ)(2)
ইতিহাসকে শিক্ষণীয় দর্পণ বলা হয় কেন? ব্যাখ্যা করো।
- গ)(3)
তথ্য-১ এ ইতিহাসের কোন উপাদানকে ইঙ্গিত করে? ব্যাখ্যা করো।
- ঘ)(4)
তথ্য-১ ও তথ্য-২ এরসমন্বয়ে পূর্ণাঙ্গ ইতিহাস রচনা কি সম্ভব? মতামত দাও।
উত্তর ও ব্যাখ্যা
- খ)
ইতিহাস অতীতের সাফল্য-ব্যর্থতা, উত্থান-পতন ও মানুষের কর্মকাণ্ডের চিত্র তুলে ধরে, দর্পণে প্রতিফলনের মতো। মানুষ অতীতের ভুল থেকে শিক্ষা নেয় এবং সাফল্য থেকে অনুপ্রেরণা পায়। তাই বর্তমানকে বুঝতে ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা করতে ইতিহাস সাহায্য করে। এ কারণে ইতিহাসকে শিক্ষণীয় দর্পণ বলা হয়।
- গ)
তথ্য-১-এ উল্লিখিত প্রাচীন সমাধি, রাজার আদেশ ও কৃষি উপকরণ ইতিহাসের প্রত্নতাত্ত্বিক বা বস্তুগত উপাদান-কে ইঙ্গিত করে।
প্রাচীন সমাধি ও কৃষি উপকরণ খননে পাওয়া অতীতের নিদর্শন। রাজার আদেশ সাধারণত শিলালিপি বা তাম্রশাসনে খোদাই করা থাকে, যাও প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন হিসেবে আবিষ্কৃত হয়। এসব থেকে তৎকালীন মৃত্যুসংক্রান্ত রীতি, শাসন ও কৃষিভিত্তিক জীবনের তথ্য মেলে।
- ঘ)
তথ্য-১ ও তথ্য-২-এর সমন্বয়ে পূর্ণাঙ্গ ইতিহাস রচনা অনেকাংশে সম্ভব।
১. তথ্য-১ (প্রাচীন সমাধি, রাজার আদেশ, কৃষি উপকরণ) প্রত্নতাত্ত্বিক উপাদান। এগুলো সরাসরি অতীতের প্রমাণ এবং জীবনযাত্রা ও শাসনের চিত্র দেয়।
২. তথ্য-২ (পর্যটকদের বিবরণ, পাণ্ডুলিপি, সন্ধি-চুক্তি) লিখিত উপাদান। এগুলো ঘটনার ধারাবাহিক বিবরণ, কূটনীতি ও সমাজের তথ্য দেয় এবং বিদেশি দৃষ্টিকোণ যোগ করে।
৩. দুই ধরনের উপাদান পরস্পরের তথ্য যাচাই ও পরিপূরক হিসেবে কাজ করে।তবে ঐতিহ্য, লোককথা ও মৌখিক ইতিহাসের মতো অন্যান্য উপাদানও যুক্ত হলে ইতিহাস আরও সম্পূর্ণ হয়। সুতরাং, এই দুটির সমন্বয়ে ইতিহাস রচনা সম্ভব, তবে অন্য উপাদানেরও প্রয়োজন আছে।
আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও