ভূগোল এবং পরিবেশ • Dhaka Board • ঢাকা বোর্ড ২০২৪
ভূগোল এবং পরিবেশ প্রশ্ন
A | B | C
ঘূর্ণিঝড় | ভূমিকম্প | সুনামি
- ক)(1)
নদীভাঙন কী?
- খ)(2)
টেকসই উন্নয়নে অংশীদারিত্ব কেন প্রয়োজন? ব্যাখ্যা করো।
- গ)(3)
'A' দূর্যোগের বর্ণনা দাও।
- ঘ)(4)
'B' ও 'C' একই কারণে সংঘটিত হলেও স্থানের ভিন্নতায় ক্ষয়ক্ষতি ভিন্ন। বিশ্লেষণ করে মতামত দাও।
উত্তর ও ব্যাখ্যা
- ক)
নদীখাতে পানিপ্রবাহের কারণে নদীর পার্শ্বক্ষয়কে নদীভাঙন বলে।
- খ)
কোনো একটি দেশ বা সংস্থা একা সব উন্নয়ন অভীষ্ট অর্জন করতে পারে না। সরকার ও উন্নয়নকর্মীর পাশাপাশি সাধারণ মানুষ, বেসরকারি প্রতিষ্ঠান ও অন্যান্য অংশীজনের দায়িত্ব পালন করা দরকার। জাতীয় ও আন্তর্জাতিক সহযোগিতা থাকলে প্রতিটি দেশ নিজের সক্ষমতা অনুযায়ী অবদান রাখতে পারে। কাউকে পিছিয়ে রেখে এগোলে উন্নয়ন টেকসই হয় না, তাই অংশীদারিত্ব প্রয়োজন।
- গ)
'A' দুর্যোগ হলো ঘূর্ণিঝড় (Cyclone)।
বর্ণনা:
১. ঘূর্ণিঝড় কেন্দ্রমুখী ও ঊর্ধ্বমুখী বায়ু। এর কেন্দ্রস্থলে নিম্নচাপ এবং চারপাশে উচ্চচাপ থাকে।
২. বাংলাদেশে আশ্বিন-কার্তিক এবং চৈত্র-বৈশাখ মাসে এটি বেশি হয়। দক্ষিণে সাগরের ফানেল আকৃতির কারণে এ দেশে ঘূর্ণিঝড় বেশি হয়।
৩. এটি সাময়িক হলেও প্রচণ্ড শক্তিশালী ও ধ্বংসকারী। ঘূর্ণিঝড়ের সাথে জলোচ্ছ্বাস হলে ক্ষতি আরও বেড়ে যায়।
৪. চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, সন্দ্বীপ, হাতিয়া, কুতুবদিয়া প্রভৃতি উপকূলীয় এলাকায় এর আঘাত বেশি। - ঘ)
'B' হলো ভূমিকম্প এবং 'C' হলো সুনামি। সমুদ্রতলে ভূমিকম্প হলে ভূ-আলোড়নে পানি ফুলে উঠে সুনামি সৃষ্টি হয়। অর্থাৎ ভূ-আলোড়ন এ দুটি দুর্যোগের একই কারণ, তবে স্থানভেদে ক্ষয়ক্ষতি আলাদা।
১. স্থলভাগের ক্ষেত্রে: স্থলভাগের ভূমিকম্পে ভবন ধসে পড়ে, রাস্তাঘাট ফেটে যায় এবং প্রাণহানি ঘটে। এ এলাকায় সুনামির ঝুঁকি থাকে না।
২. উপকূলের ক্ষেত্রে: সাগরের তলদেশে ভূমিকম্প হলে বিশাল ঢেউ উপকূলে আঘাত হানে। জাপান, ইন্দোনেশিয়ার উপকূলে এতে ব্যাপক প্লাবন ও ধ্বংস হয়।
৩. বাংলাদেশের ক্ষেত্রে: বাংলাদেশ মহাসাগর থেকে দূরে। এখানে ভূমিকম্পপ্রবণতা আছে, কিন্তু সুনামির তেমন প্রচলন নেই। তবে ১৭৬২ সালে কক্সবাজার অঞ্চলে সুনামির প্রভাব ঘটেছিল।সুতরাং, কারণ এক হলেও ভূমিকম্পের কেন্দ্র স্থলে নাকি সাগরে এবং এলাকা উপকূলীয় কি না, তার ওপর ভিত্তি করে ক্ষয়ক্ষতি ভিন্ন হয়।
আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও