পৌরনীতি ও নাগরিকতা • Dhaka Board • ঢাকা বোর্ড ২০২৪

পৌরনীতি ও নাগরিকতা প্রশ্ন

সংস্থা 'A' | সংস্থা 'B'
১. ১৯৬৯ সালে প্রথম শীর্ষ সম্মেলন। | ১. তৃতীয় বৃহত্তম আন্তর্জাতিক সংগঠন।
২. প্রাথমিক সদস্য ২৩। | ২. প্রশাসনিক প্রধান 'মহাসচিব'।
৩. প্রধান দপ্তর জেদ্দায়। | ৩. সদর দপ্তর লন্ডন।
৪. দ্বিতীয় শীর্ষ সম্মেলনে ৭১-এর স্বাধীন দেশটির সদস্যলাভ। | ৪. বাংলাদেশ সর্বপ্রথম এই আন্তর্জাতিক সংস্থার সদস্য।

  1. ক)

    অছি এলাকা কাকে বলে?

    (1)
  2. খ)

    জাতিসংঘের সবচেয়ে শক্তিশালী শাখা কোনটি? ব্যাখ্যা করো।

    (2)
  3. গ)

    A' দ্বারা যে সংগঠনের কথা উল্লেখ করেছে, এর গঠন প্রক্রিয়া ব্যাখ্যা করো ।

    (3)
  4. ঘ)

    বাংলাদেশের সাথে 'B' প্রতিষ্ঠানের সম্পর্ক মূল্যায়ন করো।

    (4)

উত্তর ও ব্যাখ্যা

  1. ক)

    জাতিসংঘের অছি পরিষদের তত্ত্বাবধানে পরিচালিত, নিজেদের শাসন করতে অক্ষম যে এলাকাগুলোকে স্বাধীনতা অর্জনের জন্য প্রস্তুত করা হয়, সেগুলোকে অছি এলাকা বলে।

  2. খ)

    জাতিসংঘের সবচেয়ে শক্তিশালী শাখা হলো নিরাপত্তা পরিষদ। এ পরিষদের ওপর বিশ্বে শান্তি ও নিরাপত্তা রক্ষার প্রধান দায়িত্ব। এটি আন্তর্জাতিক বিরোধ নিষ্পত্তি, আগ্রাসী রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে অর্থনৈতিক বা সামরিক ব্যবস্থা গ্রহণ এবং শান্তিরক্ষী বাহিনী প্রেরণ করতে পারে। পাঁচ স্থায়ী সদস্যের ভেটো ক্ষমতা থাকায় এর সিদ্ধান্ত অত্যন্ত প্রভাবশালী।

  3. গ)

    সংস্থা 'A' হলো ওআইসি (OIC) বা ইসলামি সহযোগিতা সংস্থা। এর গঠন প্রক্রিয়া নিচে ব্যাখ্যা করা হলো।

    ১. প্রেক্ষাপট: ১৯৬৯ সালে জেরুজালেমের আল-আকসা মসজিদে অগ্নিসংযোগের ঘটনার প্রতিক্রিয়ায় মুসলিম বিশ্বে ঐক্যের প্রয়োজন দেখা দেয়।
    ২. প্রথম শীর্ষ সম্মেলন: ১৯৬৯ সালে মরক্কোর রাবাতে প্রথম ইসলামি শীর্ষ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়, যার মাধ্যমে সংস্থাটির যাত্রা শুরু হয়। উদ্দীপক অনুযায়ী প্রাথমিক সদস্য ছিল ২৩টি রাষ্ট্র।
    ৩. সংগঠন কাঠামো: পরে সৌদি আরবের জেদ্দায় এর সদর দপ্তর ও সচিবালয় স্থাপিত হয়। প্রধান অঙ্গগুলো হলো শীর্ষ সম্মেলন, পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের সম্মেলন ও সাধারণ সচিবালয়।
    ৪. সদস্যপদ: ১৯৭৪ সালে পাকিস্তানের লাহোরে দ্বিতীয় শীর্ষ সম্মেলনে বাংলাদেশ সদস্যপদ লাভ করে, যা উদ্দীপকেও উল্লেখ আছে।

  4. ঘ)

    সংস্থা 'B' হলো কমনওয়েলথ। এর সদর দপ্তর লন্ডনে, প্রশাসনিক প্রধান মহাসচিব এবং এটি তৃতীয় বৃহত্তম আন্তর্জাতিক সংগঠন। বাংলাদেশের সাথে এর সম্পর্ক সহযোগিতামূলক ও গুরুত্বপূর্ণ।

    ১. সদস্যপদ: বাংলাদেশ স্বাধীনতার পর ১৯৭২ সালে কমনওয়েলথের সদস্যপদ লাভ করে; উদ্দীপকেও বলা আছে বাংলাদেশ সর্বপ্রথম এ সংস্থার সদস্য হয়।
    ২. কূটনৈতিক সমর্থন: স্বাধীন দেশ হিসেবে আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি ও সম্পর্ক গড়তে সদস্যপদ বাংলাদেশকে সহায়তা করে।
    ৩. সহযোগিতা: শিক্ষা, বৃত্তি ও প্রশিক্ষণ, বাণিজ্য, স্বাস্থ্য এবং উন্নয়ন কর্মসূচিতে বাংলাদেশ কমনওয়েলথের সহযোগিতা পায়।
    ৪. অংশগ্রহণ: বাংলাদেশ কমনওয়েলথের সম্মেলন ও কমনওয়েলথ গেমসের মতো কার্যক্রমে অংশ নেয়।

    সুতরাং, কমনওয়েলথের সাথে বাংলাদেশের সম্পর্ক পারস্পরিক সহযোগিতা ও বন্ধুত্বের ভিত্তিতে গড়ে উঠেছে।

আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও

সম্পর্কিত প্রশ্ন