বিজ্ঞান • Dinajpur Board • দিনাজপুর বোর্ড ২০২৩
বিজ্ঞান প্রশ্ন
A | B
ইলিশ মাছ, রুই মাছ, মুরগির মাংস, ডিম | শস্যবীজ, ডাল, আলু, টাটকা ফল, শাকসবজি, জিরা
- ক)(1)
সুষম খাদ্য কাকে বলে?
- খ)(2)
ফল পাকাতে ক্যালসিয়াম কার্বাইড ব্যবহার ক্ষতিকর কেন? ব্যাখ্যা করো।
- গ)(3)
দেহ গঠনে A এর ভূমিকা ব্যাখ্যা করো।
- ঘ)(4)
কোষ্ঠকাঠিন্য প্রতিরোধে উদ্দীপকের 'A' ও 'B' এর কোন উপাদানগুলো অধিক কার্যকর? বিশ্লেষণ করো।
উত্তর ও ব্যাখ্যা
- ক)
যে খাদ্যে সব খাদ্য উপাদান (শর্করা, আমিষ, স্নেহ, ভিটামিন, খনিজ লবণ, পানি ও আঁশ) প্রয়োজনীয় পরিমাণ ও অনুপাতে থাকে, তাকে সুষম খাদ্য বলে।
- খ)
ক্যালসিয়াম কার্বাইড দিয়ে ফল পাকালে অ্যাসিটিলিন গ্যাস তৈরি হয়। এ কার্বাইডে আর্সেনিক ও ফসফরাসের মতো বিষাক্ত যৌগ থাকে। এসব বিষাক্ত পদার্থ ফলে মিশে যেতে পারে। এগুলো খেলে পেটের পীড়া, বমি, মাথা ঘোরা এবং কিডনি, যকৃৎ ও স্নায়ুতন্ত্রের ক্ষতি হতে পারে। দীর্ঘদিন খেলে ক্যান্সারের ঝুঁকিও থাকে। তাই এটি ক্ষতিকর।
- গ)
A-তে ইলিশ, রুই, মুরগির মাংস ও ডিম আছে। এগুলো আমিষ (প্রোটিন) সমৃদ্ধ খাদ্য।
১. আমিষ দেহকোষ ও টিস্যু গঠনের প্রধান উপাদান। শিশুর বৃদ্ধিতে এটি দেহের নতুন কোষ তৈরি করে।
২. ক্ষয়ে যাওয়া ও ক্ষতিগ্রস্ত কোষ মেরামত করে।
৩. পেশি, চুল, নখ, রক্ত ও হরমোন-এনজাইম গঠনে অংশ নেয়।এভাবে আমিষ দেহ গঠনে মুখ্য ভূমিকা রাখে।
- ঘ)
কোষ্ঠকাঠিন্য প্রতিরোধে B-এর উপাদানগুলো অধিক কার্যকর।
১. A-তে মাছ, মাংস ও ডিম আছে, যাতে আমিষ ও চর্বি আছে কিন্তু আঁশ (রাফেজ) প্রায় নেই। তাই এগুলো কোষ্ঠকাঠিন্য প্রতিরোধে তেমন সহায়ক নয়।
২. B-তে শস্যবীজ, ডাল, আলু, টাটকা ফল ও শাকসবজি আছে। এগুলোতে প্রচুর আঁশ থাকে, যা হজম হয় না।
৩. আঁশ পানি শোষণ করে মল নরম ও আয়তনে বড় করে এবং অন্ত্রের পেরিস্টালটিক গতি বাড়ায়, ফলে সহজে মলত্যাগ হয়।সুতরাং, কোষ্ঠকাঠিন্য প্রতিরোধে A-এর চেয়ে B-এর উপাদানগুলো বেশি কার্যকর।
আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও